1. recentnews19@gmail.com : News Desk :
  2. moinul129@gmail.com : mohin :
  3. editormuktinews24@gmail.com : Melon parvez : Melon parvez
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০১:২১ অপরাহ্ন

অনাহূতরাই ক্রিকেটের প্রাণশক্তি

  • প্রকাশ : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০, ১১.৩২ এএম
  • ১১ বার

এমএন২৪.কম ডেস্ক :

স্টেডিয়ামে দর্শকের প্রবেশাধিকার নেই, তবু গ্যালারির একটি অংশে তো কিছু লোক থাকার কথা। তা শ দুয়েক না হলেও জনা পঞ্চাশেক মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছিলই। ঘটা করে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) আশায় ছিল যে চেনা পরিমণ্ডলের কিছু লোক অন্তত মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের সংরক্ষিত জায়গাটি ভরিয়ে তুলবে। তবে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের উদ্বোধনী ম্যাচের দিন সেই আমন্ত্রিত অতিথিদেরও কারোরই দেখা নেই।

করোনা এখনো দেশ থেকে যায়নি বলেই হয়তো সতর্কতার অংশ হিসেবে আমন্ত্রিতরা স্টেডিয়ামে আসার ঝুঁকি এড়িয়ে গেছেন। তবে সাধারণ ক্রিকেট জনতার যে সেই ভয় নেই। নেই বলেই স্টেডিয়ামের মূল প্রবেশ পথের সামনে সেই পুরনো জটলাটাও ফিরে এলো। টিম বাস দুই নম্বর গেট দিয়েই ঢোকে আর বেরোয়। করোনা বিরতি শেষে কাল দেশে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ফেরার দিনে ক্রিকেটারদের একনজর দেখার আশায় সেখানেই ভিড় বাড়ল। যেটি ছিল একসময়কার নিয়মিত দৃশ্য। দীর্ঘ বিরতির পর আবার সেই ভিড় পাতলা করতে নিরাপত্তাকর্মীদের আগের মতো হিমশিম খেতে হলো না হয়তো, তবে তা সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে আসার লক্ষণ তো বটেই।

যদিও সেই স্বাভাবিকতা আপাতত স্টেডিয়ামের বাইরেই। ভেতরে গত কয়েক দিনে বায়ো-বাবল বা জৈব সুরক্ষা বলয়ের একটু এদিক-সেদিক হলেও ক্রিকেটারদের মোটামুটি নিরাপদ দূরত্বেই রাখার সর্বাত্মক চেষ্টাও লক্ষণীয়। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের তিন দলের ক্রিকেটারদের গতিবিধি স্টেডিয়ামে আসা-যাওয়ার মধ্যেই সীমিত। এর আগে নিজ নিজ ঘরে আটকে থাকার সময়টায় অনেকেই ফিটনেস নিয়ে এমন খাটুনি খেটেছেন যে তাঁদের কাউকে কাউকে দেখে তাক লেগে যায় জাতীয় দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোরও। এরপর শুরু হওয়া অনুশীলনেও যথাসাধ্য শ্রমের ফল দেখার জন্য ম্যাচ খেলার বিকল্পও নেই কোনো। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের দুই ভাগে ভাগ হয়ে খেলা দুটো দুই দিনের ম্যাচে অনেকের পারফরম্যান্সই ছিল সেই পরিশ্রমের ফসল।

এঁদেরই অন্যতম তাসকিন আহমেদ দুই ম্যাচেই লাল বলে নিয়েছিলেন তিনটি করে উইকেট। এবার বিসিবি প্রেসিডেন্ট কাপেও সাদা বলে এই পেসার রাখলেন তারই ধারাবাহিকতা। তবে তাসকিন একা নন, নতুন বলে তাঁর সঙ্গী আরেক অভিজ্ঞ পেসার আল-আমিন হোসেনের মধ্যেও দেখা গেল নিজেকে অন্যভাবে চেনানোর তাড়না। এই দুজনের সঙ্গে আরেক তরুণ পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধও চেষ্টা করলেন নিজের বোলিং দিয়ে সবাইকে ‘মুগ্ধ’ করতে।

এঁদের মধ্যে গতি, আগ্রাসন ও সুইং মিলিয়ে উজ্জ্বলতম ছিলেন নিঃসন্দেহে তাসকিনই। নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশের এই তিন পেসারের প্রত্যেকে নিলেন দুটো করে উইকেট। তাঁদের বোলিংয়ে মাহমুদ উল্লাহ একাদশ বেশি দূর এগোতেই পারল না। মাত্র ৪৭.৩ ওভারে গুটিয়ে গেল ১৯৬ রানেই। যে রান তাড়ায় তৌহিদ হূদয় (৫২) ও ইরফান শুক্কুরের (৫৬*) ফিফটিতে ৫৩ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটের জয় তুলে নেয় নাজমুল শান্ত একাদশ।

স্বল্প পুঁজির দায় মাহমুদের দলের ব্যাটসম্যানদের কাঁধেও কম বর্তায় না। উইকেট বিলিয়ে আসার প্রতিযোগিতায় তো মেতেছিলেন তাঁরাও। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান তো অধিনায়ক মাহমুদেরই। ৮০ বলে ফিফটি করার পর অযথাই চালিয়ে খেলতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে এর আগে-পরেও চলেছে উইকেট বিলানো। ২১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ার পর ইমরুল কায়েস আর মাহমুদের ৭৩ রানের জুটি অবশ্য বিপর্যয় সামলেও নিয়েছিল। তবে ইমরুলের সম্ভাবনাময় ৪০ রানের ইনিংসের সমাপ্তিতে খেই হারানো মাহমুদ একাদশ শেষ পর্যন্ত আর পথও খুঁজে পায়নি।

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর
themesbazarmuktin141