বুধবার-২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,-বিকাল ৫:০০

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

হিলিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বিজিবি কলাপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বহিস্কার  বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে কুইজ প্রতিযোগিতায় স্মার্টফোন বিজয়ী হলেন খানসামার রাহুল রায় সৈয়দপুরে শীত নিবারণে অব্যর্থ চেষ্টা চুলার আগুনে বৃদ্ধা দগ্ধ এসএসসি’র সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাতিল করার সিদ্ধান্ত ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ পাবে করোনার টিকা: প্রধানমন্ত্রী চসিক নির্বাচনে নৌকা-ধানের শীষের ভোটের লড়াই চলছে

আজ হিলি স্টেশনে ট্রেন দূর্ঘটনার ২৬ বছর পূর্তি হলো।

প্রকাশ: বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ , ৬:৩১ অপরাহ্ণ , বিভাগ :

হাকিমপুর সংবাদদাতা: আজ থেকে ২৬ বছর আগে ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি দিনাজ পুর জেলার সীমান্ত বর্তী উপজেলা হাকিমপুরে অবস্থিত হিলি রেলস্টেশনে দেশের সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান ২৭ জন। তবে ২৬ বছরেও আহত ও নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি। এমনকি আজও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন।

বাংলাহিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের তৎকালীণ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলুসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও হিলি স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় হিলি রেল স্টেশনে ক্রসিংয়ের উদ্দেশ্যে স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেন। তবে সেসময়ের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অবহেলার কারণে একই লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি।

এতে দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে ভারি হয়ে উঠে আকাশ-বাতাস। এদুর্ঘটনায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় দুটি ট্রেনের অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক যাত্রী। নিহতদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকে। পরে স্থানীয় মানুষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সহায়তায় লাশ উদ্ধারসহ আহতদের দ্রুত উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। সেসময় সরকারি ভাবে নিহতের সংখ্যা ২৭ জন ঘোষণা করা হয়। আর আহতের সংখ্যা বলা হয় শতাধিক।

দুর্ঘটনার পরদিন ১৪ জানুয়ারি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। কিন্তু দুর্ঘটনার ২৬ বছরেও আহত ও নিহতদের অনেক পরিবার সেই ক্ষতিপূরণের টাকা পায়নি। সেই সঙ্গে আজও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। এদিকে প্রতিবারের ন্যয় এবারও স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের উদ্যোগে কলো ব্যাচ ধারণ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

Facebook Comments

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ