সোমবার-১০ আগস্ট, ২০২০-২৬ শ্রাবণ, ১৪২৭, সময়: ভোর ৫:০৭, English Version
বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান চলবে : স্বাস্থ্য সচিব একাদশে ভর্তির কার্যক্রম শুরু ওসি প্রদীপের সম্পদের পাহাড় শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন ও স্মারক লিপি প্রদান গুইমারায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের উদ্বোধন। উপমহাদেশের অনন্য সুরকার আলাউদ্দিন আলী বেঁচে থাকবেন তার সংগীতে –তথ্যমন্ত্রী সুর সম্রাট আলাউদ্দিন আলী আর নেই

এলাচের কেজি সাড়ে ৩ হাজার!

প্রকাশ: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০ , ১২:০৩ অপরাহ্ণ , বিভাগ :

এমএন২৪.কম ডেস্ক : পবিত্র কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দেশের প্রধান ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জে বেড়েই চলছে সব ধরনের মসলার দাম। এ কারণে বাজার স্থিতিশীল রাখতে তদারকি শুরু করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। রোববার (২৮ জুন) দুপুরে নগরের খাতুনগঞ্জের মসলার বাজারে প্রথম দিনের অভিযানেই চার ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, ‘খাতুনগঞ্জে আজকের অভিযানে বেশ কয়েকটি মসলার আড়তে লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। যেখানে দেখা যায়, কয়েকজন আড়তদারের টাঙিয়ে রাখা বিক্রয় মূল্যের তালিকার সঙ্গে এ সংক্রান্ত ডকুমেন্ট ও ক্রয়মূল্যে অনেক পার্থক্য। তালিকায় লাভসহ বিক্রয় মূল্য ২ হাজার ৪১০ টাকা দেখানো হলেও পাইকারিতে ব্যবসায়ীদের কাছে এলাচ বিক্রি করা হচ্ছে ৩ হাজার ৬০০ টাকার বেশি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অভিযান চলাকালীন অনেক ব্যবসায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের সাঁটানো মূল্যতালিকায় রাখা মূল্য কাটাছেঁড়া করে কমিয়ে রাখেন, যা তাৎক্ষণিক নজরে আসে। দেখা যায় ২ হাজার ৪১০ টাকার এলাচ বিক্রয় মূল্য তালিকায় লেখা ছিল ৩ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত। ২৪০ টাকার দারুচিনি ৩৭০-৪০০ টাকা, ৪২০ টাকার গোলমরিচ ৬২০ টাকা, ৬৮০ টাকার লবঙ্গ ৯০০ টাকা, ২৭৫ টাকার জিরা ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করতে দেখা যায়। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট দেখে তারা দাম অনেক কমিয়ে লিখে রাখে যে বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়ে।’ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, মূল্যতালিকায় হেরফের ও ঘষামাজা করার কারণে খাতুনগঞ্জের চার ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে মেসার্স নারায়ণ ভাণ্ডারকে ২০ হাজার টাকা, মেসার্স চিটাগং ফ্রেন্ডস ট্রেডার্সকে ১০ হাজার, আল্লাহর দান স্টোরকে ১০ হাজার, মেসার্স অনিল দেব স্টোরকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, ‘কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছেন যারা কোরবানির ঈদ সামনে রেখে মসলাজাতীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। তাই বাজার মনিটরিংয়ের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঈদ সামনে রেখে যাতে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম অস্থিতিশীল না করতে পারে সেজন্য এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Facebook Comments

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ