1. recentnews19@gmail.com : News Desk :
  2. moinul129@gmail.com : mohin :
  3. editormuktinews24@gmail.com : Melon parvez : Melon parvez
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন

জগন্নাথপুরে প্রশাসের সহযোগিতায় জামাত নেতা আবুল কাসেমের নেতৃত্বে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহা উৎসব

  • প্রকাশ : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৫.৫৮ পিএম
  • ৩৩ বার

বিশেষ প্রতিনিধি: দেশব্যাপী অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করতে মাঠ প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারের বালুমহাল নয়, এমন এলাকা থেকেও ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এর ফলে সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বা স্থাপনা ও নদীর র্তীরবতি ঘরবাড়ী ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এমতাবস্থায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কিন্তু এসবকে বুড়োআঙ্গুর দেখিয়ে সরকারি অনুমোদন ছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ধারাবাহিক ভাবে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারের পাশে কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতির ভাতিজা রানীগঞ্জ ইউনিয়ন জামাতের সাবেক সেক্রেটারী আবুল কাসেমের নেতৃত্বে নামধারী আওয়ামী লীগ নেতা ধনেশ রায়, আওয়ামী লীগ ও জামাত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে প্রতি দিন হাজার হাজার ফুট থেকে লক্ষ ফুট বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, রানীগঞ্জ বাজারের পাশে রানীনগর গ্রামের নামধারী আওয়ামী লীগ নেতা ধনেশ রায়ের জমিতে জামাত নেতার নেতৃত্বে জামাত-আওয়ামী লীগ একটি প্রভাবশালী চক্র কুশিয়ারা নদীতে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করতেছে। যার মূল দায়িত্বে ইউনিয়নের প্রভাবশালী ব্যক্তি বাগময়না গ্রামের সাবেক আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মো. সুন্দর আলীর ভাতিজা জামাত নেতা আবুল কাসেম তার পার্টনার মেসার্স পলাশ ট্রেডার্সের মালিক ধনেশ রায়। গত দুই বছর ধরে বাজারের নিকটে রানীনগর গ্রামের পাশ থেকে বালু উত্তোলন করায় নতুন করে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়ে ঐ গ্রামের ঘর বাড়ী ভেঙ্গে গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় রানীগঞ্জের উপরুক্ত গ্রুপ গত বছর প্রশাসনের যোগ সাজসে প্রায় ১০ কোটি টাকা মুল্যের অবৈধ বালু উত্তোলন করে। এসব অবৈধ উত্তোলিত বালু রানীগঞ্জ ফেরী ঘাটের পূর্ব দিক দিয়ে ও রানীগঞ্জ দক্ষিণ পাড়ে পাইপ লাইনে দিয়ে উত্তোলন করে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করছে। বালু উত্তোলনের ফলে কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন গ্রামের শতাদিক পরিবার সর্বস্ব হারানোর ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বেপোরোয়া এই প্রভাবশালী সিন্ডিকেট প্রসাশনের কোন প্রকার অনুমতি না দিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি ও তহশিলদারকে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে প্রকাশ্যে ড্রেজার মিশিন দিয়ে এখন পর্যন্ত ২ লক্ষ গণফুট বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করতেছে। এমনকি সুনামগঞ্জ জেলা ও জগন্নাথপুর উপজেলার প্রত্যেক সাংবাদিক একটি অংশ দেওয়ায় এ বিষয় নিয়ে কোন ধরনের রির্পোট করা হচ্ছে না। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের ব্যাপারে কোন প্রকার উদ্যোগ না নেওয়ায় নদীর তীরবর্তী জনসাধানের মধ্যে চরমক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যে কোন সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে জামাত নেতা আবুল কাসেমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নিউজ করে কি হবে, নিউজ করে বালু উত্তোলন বন্ধ করা যাবেনা তোমার মত সাংবাদিকদের তো অংশ দিচ্ছি তোমাকেও দিয়ে দিব। প্রশাসন আমাদের সাথে আছে সমস্যা নাই।
বালু উত্তোলনের বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদি হাসান জানান, কুশিয়ারা নদীতে রাতের আধারে কে বা কাহারা বালু উত্তোলন করছে এ বিষয়ে অবগত হয়েছি। সু-নির্দিষ্ট অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।##

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর
themesbazarmuktin141