মঙ্গলবার-১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,-সন্ধ্যা ৭:৫৭

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

পৌর নির্বাচনের প্রচারে মাঠে নেমেছে কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমানের ইন্তেকালে তথ্যমন্ত্রীর শোক সংস্কৃতিচর্চা বৃদ্ধি নতুন প্রজন্মকে জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখবে -তথ্যমন্ত্রী নতুন পরিচয়ে পরীমনি বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান দিলুর মৃত্যুতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর শোক লালপুরে ঘনকুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন রংপুরে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা স্বাধীনতা শিক পরিষদের নব গঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

নবীগঞ্জে সাবেক এমপির ভাইয়ের কারাদন্ড ও অর্থদণ্ডের সাজা হওয়ায়” সাবেক সাংসদ বাদির পরিবারকে সমাজচ্যুত করেছেন

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২১ , ৫:৩৩ অপরাহ্ণ , বিভাগ :

আজিজুল ইসলাম সজীব, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি নবীগঞ্জে চেক ডিজঅনার মামলায় সাজা হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্যের ভাইয়ের। সেই প্রতিশোধ নিদে বাদির পরিবারকে সমাজচ্যুত করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারকে এলাকা থেকে বিভক্ত করে রাখায় তাদের সন্তানেরা লেখাপড়ারও সুযোগ পাচ্ছে না। সেই সাথে চরম খাদ্য সংঙ্কটে ভুগছে অসহায় পরিবারটি। তবে প্রশাসন জানিয়েছে, দ্রুত পরিবারটিকে স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হবে। আর অভিযুক্ত সাবেক সংসদ সদস্য বলছেন, বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের সমাজচ্যুত করা হয়েছে। ২০১৪ সালে হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন জাতীয়পার্টির নেতা এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু। তখন তার চাচাতো ভাই ইকরামুল ইসলাম চৌধুরী নবীগঞ্জের কুর্শি গ্রামে সাফারুন বিবি নামে এক নারীর কাছ থেকে ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ৩২ শতক জমি কিনেছিলেন। জমির মূল্য হিসেবে ইকরামুল চৌধুরী সাফারুন বিবির জামাতা (মেয়ের স্বামী) লিটন মিয়াকে ৯ লাখ টাকার দুইটি চেক দেন। বাকি ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা কিছুদিন পরেই দেয়ার কথা হয়। সেই চেক ব্যাংকে জমা দিলে ডিজঅনার হয়। ইকরামুল ইসলাম চৌধুরীকে বিষয়টি জানানোর পর টাকা দেয়ার ব্যাপারে টালবাহানা করেন। চার বছর পরও টাকা না পেয়ে ২০১৮ সালে চেক ডিজঅনার মামলা করেন লিটন মিয়া। এ মামলায় সাবেক এমপির ভাই ইকরামুল ইসলাম চৌধুরীকে ১ বছর কারাদন্ড ও ৯ লাখ টাকা অর্থদন্ড দেন আদালত। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৮ নভেম্বর লিটন মিয়ার পরিবারকে একঘরে করার সিদ্ধান্ত দেন সাবেক এমপি। তিনি এলাকায় সালিশ বসিয়ে তাদের সমাজচ্যুত করে রাখেন। সাফারুন বিবি ও তার জামাতা লিটন মিয়া জানান, প্রায় দেড় মাস ধরে এলাকার কেউ তাদের সঙ্গে কথা বলেন না। রাস্তাঘাটে চলাচলেও বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়। পরিবারে থাকা শিশু-কিশোরদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তারা এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মহিউদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বাংলাদেশ মুক্তিনিউজকে বলেন, একটা পরিবারকে সমাজচ্যুত করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অমানবিক। ইতোমধ্যেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বলে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে উপজেলা প্রশাসন সেখানে হস্তক্ষেপ করে দ্রুত পরিবারটিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে। তবে সাবেক সংসদ সদস্য এমএ মুনিম চৌধুরী বাবুু বাাংলাদেেল জার্নালকে বলেন, লিটন মিয়া, তার বাবা ও দাদা বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত। তাই এলাকাবাসী তাদের একঘরে করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

Facebook Comments

সারাদেশ,সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ