শুক্রবার-১৫ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১লা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,-রাত ৮:৪৭

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

২১ বছর যারা বুকে পাথর বেঁধে কাজ করেছেন, তাদের মূল্যায়ন করতে হবে -তথ্যমন্ত্রী ফুলবাড়ীতে সরকারি এ্যাম্বুলেন্স চালক চোরচক্রের হোতা, ৪ দিনের রিমান্ড ঠাকুরগাঁও রিপোর্টার্স ইউনিটি’র নেতৃত্বে ভূট্টো- লিটু সরকার সু-পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল বরিশালের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধারা যাচাইয়ের মুখে ফুলবাড়ীতে বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নওশাদ আলম মুন্নার মৃত্যু বিভিন্ন মহলের শোক ॥ উত্তরবঙ্গের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে হারালাম আমরা- ফখরুল ইসলাম

বড়দিনে কেক কেন খায়?

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০ , ১২:৪৭ অপরাহ্ণ , বিভাগ :

এমএন ২৪ . কম ডেস্ক : বড়দিন মানেই কেক। প্লাম, ফ্রুট, ফ্রুটস অ্যান্ড নাটস, বাটার, চকোলেট—হরেক কিসিমে জমে ওঠে উদযাপন।  কিন্তু যিশুর জন্মের সময় তো এসবের বালাই ছিল না। তাহলে ঠিক কবে থেকে তা হয়ে উঠল ক্রিসমাসের অঙ্গ? ইতিহাস বলছে, প্রথম বড়দিন পালন শুরু হয় রোমান সম্রাট কনস্ট্যানটাইনের আমলে (৩৩৬ খ্রিস্টাব্দ)। আর একথা তো জানাই যে ফ্রুট কেকের জনক রোমানরাই। তাদের কথায় অবশ্য ছিল, সাতুরা।

টক-মিষ্টি স্বাদের এই খাবার তৈরি হত যবের গুঁড়ো, শুকনো আঙুর, পাইন বীজ, মধু এবং মদ দিয়ে। যা পরে গোটা ইউরোপেই বিখ্যাত হয়। প্লাম কেকের উৎপত্তি নিয়ে যে গল্প প্রচলিত রয়েছে সেটি অবশ্য মধ্যযুগে ইংল্যান্ডে। তখন ক্রিসমাসের আগের কয়েক সপ্তাহ ধরে উপবাসের প্রথা ছিল। সন্ধ্যায় ওটমিল দিয়ে তৈরি ‘পরিজ’ খেয়ে তা ভঙ্গ হতো। তাতে মাংসও থাকত।   সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রথম তাতে শুকনো ফল, মশলা এবং মধু মিশে পুডিংয়ের আকার নেয়। ষোড়শ শতাব্দীতে ওটমিলের জায়গা নেয় মাখন, ময়দা আর ডিম। তৈরি হয় সিদ্ধ কেক। উনিশ শতকে রানি ভিক্টোরিয়া ক্রিসমাস সপ্তাহের দ্বাদশ বা শেষ দিনে উদযাপন নিষিদ্ধ করেন। বেকারি ব্যবসায়ীরা তো পড়লেন মহাফ্যাসাদে। তৈরি কেক নষ্ট হওয়া আটকাতে শেষমেশ তাঁরা একযোগে সিদ্ধান্ত নিলেন ক্রিসমাসের দিনেই সেগুলি বিক্রি করবেন। ব্যস, শুরু হয়ে গেল নতুন প্রথা।

Facebook Comments

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ