বুধবার-৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,-রাত ৪:৪২

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

চটপটি বিক্রির আড়ালে ইয়াবা বেচাকেনা ! মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ হাজার বীর নিবাস করবে সরকার পাঁচবিবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু ছাতকে ৪ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রফেসর মোঃ হানিফকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বরিশালের সর্বস্তরের মানুষ। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টায় মামলা মুশতাকের মৃত্যুতে বিদেশিদের বিবৃতিতে শিষ্টাচার লংঘিত হয়েছে -তথ্যমন্ত্রী

সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনের অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা নষ্ট !

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ , ৯:১৮ অপরাহ্ণ , বিভাগ :

এএফএম মমতাজুর রহমান আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ
দেশের উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহি রেলওয়ে জংশন স্টেশনটি হচ্ছে বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশন। ১৮৮০ সালে এই স্টেশনটি স্থাপিত হলেও ১৯০০ সালের দিকে নির্মাণ করা হয় স্টেশনের সকল অবকাঠামো। এরপর থেকে সেবা দিয়ে আসছে স্টেশনটি। কিন্তু অন্যান্য স্থানের স্টেশনগুলোতে অবকাঠামোগত সব কিছুতেই আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও সান্তাহারে এখন পর্যন্ত কোন ছোঁয়াই স্পর্শ করেনি এই ষ্টেশনটিতে। এমনকি স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে পুরো স্টেশনটি কে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। স্টেশনের সব কিছু মাষ্টারের কক্ষ থেকে পর্যবেক্ষন করার নিমিত্তে পুরো স্টেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন স্থানে ১৯টি সিসি ক্যামেরা যুক্ত করা হয়। কিন্তু বর্তমানে ১২টি ক্যামেরা সচল থাকলেও অবশিষ্ট ক্যামেরাগুলো র্দীঘদিন যাবত অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অথচ এখন পর্যন্ত এই ক্যামেরাগুলো মেরামত কিংবা সচল করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভুমিকা না থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্টেশনে যদি কোন বড় ধরনের চুরি কিংবা ছিনতাই হয় অথবা কোন দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে পরবর্তী সময়ে এই সিসি ক্যামেরা থেকে সহজেই অপরাধিদের দেখে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। মূলত স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যেই এই সিসি ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয়েছিলো। এতে করে এই স্টেশন কিংবা স্টেশনের আশেপাশের অপরাধী চক্র যখন জানতে পারবে যে স্টেশনের সকল সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে তখন তারাও স্টেশন ও স্টেশনের আশেপাশে যে কোন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড করা থেকে বিরত থাকে। এছাড়াও স্টেশনের চারপাশে কোন মজবুত নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকায় অপরাধীরা স্টেশনে যে কোন ধরনের কর্মকান্ড করে খুব সহজেই এদিক-সেদিক দিয়ে পালিয়ে যেতে পারছে। তাই পুরো স্টেশনের চারপাশের জায়গা উদ্ধার করে যদি শক্ত ভাবে তার দিয়ে নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ করা হয় তাহলে স্টেশনে যাত্রী সেবার মান আরো কয়েকগুন বৃদ্ধি পাওয়াসহ স্টেশনের নিরাপত্তা বেষ্টনীও অনেক শক্ত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এতে করে স্টেশনে যাত্রী সাধারনদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই নিশ্চিত হবে কারণ তখন কোন অপরাধি কোন কিছু করে আর সহজে স্টেশন থেকে বের হতে পারবে না। স্টেশনে আসা যাত্রী আরমান হোসেন, আকবর আলী, শওকত শেখসহ অনেকেই জানান, যদিও বা সান্তাহার স্টেশনের পরিবেশ আগের চেয়ে অনেকটাই ভালো হয়েছে। কিন্তু যখন অপরাধি চক্রের সদস্যরা এবং সন্ত্রাসীরা জানতে পারবে যে স্টেশনের সিসি ক্যামেরাগুলো নষ্ট তখন তারা আরো তৎপর হয়ে উঠবে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি সিসি ক্যামেরাগুলো মেরামত এবং সব সময় সচল রাখা খুবই জরুরী। কারন স্টেশন হচ্ছে অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ন একটি স্থান।
সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার হাবিবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন এই স্টেশন থেকে এবং স্টেশনের উপর দিয়ে গড়ে প্রায় ৩৫টি ব্রডগেজ ও মিটার গেইজগ্রেজ ট্রেন দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে। তাই প্রতিদিন দিন-রাত মিলে হাজার হাজার মানুষ এই স্টেশনের উপর দিয়ে যাতায়াত করেন। সেই হিসেবে স্টেশনে যাত্রী সেবার মান তেমন ভাবে বৃদ্ধি পায়নি। স্টেশনে চরম জনবল সংকট হয়েছে। তবুও আমি সব সময় স্টেশনটিকে সচল রাখার চেষ্টা করে আসছি। অচল সিসি ক্যামেরাগুলো সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

Facebook Comments

রাজশাহী,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ