সোমবার-২৫শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,-রাত ৮:৫৭

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তৃতীয়বারের মতো হোয়াইটওয়াশ ছাতকে এক প্রবাসী পরিবারের উদ্যোগে সড়ক নির্মাণ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নতুন সিলেবাস প্রকাশ সব মাদরাসা খোলার প্রস্তুতি ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে, গাইড লাইন প্রকাশ পীরগাছায় নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবীতে অভিযোগ বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করছে বিএনপি -তথ্যমন্ত্রী সৈয়দপুরে প্রচন্ড ঠান্ডায় হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা

সিঙ্গাপুরে চালু হচ্ছে ল্যাবরেটরিতে তৈরি মুরগীর মাংস

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০ , ৯:৩১ অপরাহ্ণ , বিভাগ :
এমএন২৪.কম ডেস্ক : সিঙ্গাপুরের সরকার গবেষণাগারে তৈরি মাংস বিক্রির এক পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর স্যান ফ্রান্সিসকো-ভিত্তিক কোম্পানি ‘ইট জাস্ট’ সিঙ্গাপুরের বাজারে গবেষণাগারে তৈরি মুরগীর মাংস বিক্রি করতে পারবে।

গবেষণাগারে তৈরি মাংস বাজারজাত করার ঘটনা বিশ্বে এটাই প্রথম। প্রথম পর্যায়ে চিকেন নাগেট হিসেবে এই মাংস বিক্রি হবে। তবে কবে থেকে বিক্রি শুরু হবে সে সম্পর্কে কোম্পানিটি কোন তথ্য দেয়নি।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পশু কল্যাণ এবং পরিবেশ দুষণ নিয়ে সারা বিশ্বে উদ্বেগ বাড়ছে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে ‘নিরাপদ মাংস’র চাহিদাও।

ব্রিটিশ ব্যাংক বার্কলেস’র হিসেব অনুযায়ী, আগামী এক দশকের মধ্যে বিকল্প মাংসের বাজার মূল্য দাঁড়াবে ১৪,০০০ কোটি ডলারে। এটি বিশ্বের মোট মাংস শিল্পের ১০%।

উদ্ভিদ থেকে তৈরি বিকল্প মাংস উন্নত দেশগুলোর সুপারমার্কেট এবং রেস্টুরেন্টের মেনুতে এখনই পাওয়া যাচ্ছে। তবে ইট জাস্ট-এর তৈরি পণ্য উদ্ভিদ-জাত নয়। প্রাণীর পেশী কোষ থেকে গবেষণাগারে এই মাংস তৈরি করা হয়।

খাদ্যশিল্পে বড় অগ্রগতি

সিঙ্গাপুর সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইট জাস্ট “বিশ্ব খাদ্য শিল্পে একটি বড় অগ্রগতি” হিসেবে বর্ণনা করেছে।
অন্যান্য দেশও সিঙ্গাপুরের পথ অনুসরণ করবে বলে কোম্পানিটি আশা করছে।

গত এক দশকে ডজন খানেক কোম্পানি চালু হয়েছে যারা কৃত্রিম মাংস বাজারজাতের চেষ্টা করেছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় দুটি কোম্পানি হচ্ছে ইসরায়েল-ভিত্তিক ‘ফিউচার মিট টেকনোলজিস’ এবং বিল গেটস-এর অনুমোদন পাওয়া কোম্পানি ‘মেমফিস মিট’।

দুটি কোম্পানিই চেষ্টা করছে বাজারে সাশ্রয়ী মূল্যের সুস্বাদু কৃত্রিম মাংস সরবরাহ করতে। সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানি ‘শিয়ক মিটস’ কাঁকড়া এবং চিংড়ির মাংস গবেষণাগারে তৈরির চেষ্টা করছে।

নিরাপদ ‘নতুন খাদ্য’

সিঙ্গাপুর ফুড এজেন্সি বলছে, ইট জাস্ট যেভাবে এই কৃত্রিম মুরগীর মাংস তৈরি করেছে একদল বিশেষজ্ঞ তা যাচাই করে দেখেছে।

“এটা খাওয়ার জন্য উপযুক্ত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। সে জন্যেই সিঙ্গাপুরে একে চিকেন নাগেট হিসেবে বিক্রি করতে ইট জাস্টকে অনুমতি দেয়া হয়েছে,” এজেন্সি এক বিবৃতিতে বলেছে।

এই মুরগীর মাংসে কোর ধরনের অ্যান্টিবাইওটিকের উপস্থিতি নেই এবং সাধারণ মুরগীর চেয়ে এই মাংসে জীবাণুর উপস্থিতিও কম বলে ইট জাস্ট দাবি করছে।

Facebook Comments

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ