মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপি মহাসচিবের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দলে সেই দায়িত্ব পেলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকালে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরপরই বিএনপির দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করার কথা জানানো হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭। খ)৬) ধারা অনুযায়ী বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই মনোনয়ন অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিব কে হচ্ছেন—এ নিয়ে দলের ভেতরে বেশ কিছু দিন ধরেই আলোচনা চলছে। তবে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে রুহুল কবির রিজভীর নামই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।
বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে রুহুল কবির রিজভীর সবচেয়ে বড় শক্তি তার সাংগঠনিক যোগাযোগ। দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে আসছেন তিনি।
দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন রিজভী। দলীয় নেতাকর্মীদের অনেকের মতে, বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোর তৃণমূল পর্যন্ত তার যে বিস্তৃত যোগাযোগ রয়েছে, তা অন্য অনেক নেতার তুলনায় তাকে এগিয়ে রেখেছে।
দলের সংকটময় সময়েও রিজভীকে সামনে থেকে ভূমিকা রাখতে দেখা গেছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি, আন্দোলন ও দলীয় অবস্থান গণমাধ্যমে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান মুখ।