প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১০:৪৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ৮:২৯ পি.এম
রাজারহাটে তিস্তায় বসতভিটা হারানো দু:খী রাবেয়ার পাশে দাড়ালেন মানবিক ইউএনও তানজিলা তাসনিম

ইব্রাহিম আলম সবুজ রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরি গ্রামের দু:খিনী রাবেয়ার বসত ভিটা গত বুধবার ২ সেপ্টেম্বর বেলা ৩ টার দিকে হঠাৎ তিস্তার তীব্র ভাঙনে চোখের পলকেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরের জায়গায় আশ্রিত বারেয়া শেষ সম্ভব টুকু হারিয়ে এক ছেলে, ছেলের বউ ও তিনটি অবুঝ নাতি-নাতনী কে নিয়ে নিঃস্ব হয়ে গৃহহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে কোন রকমে অন্যের জায়গায় ছোট্র একটি টিনের সায়লা নির্মাণ করে মানবেতর জীবন যাপন শুরু করেন।
রাবেয়া বেগমের ঘর তিস্তানদী গর্ভে চলে যাওয়ার দৃশ্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে,ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে।এই ঘটনা রাজারহাট উপজেলার মানবিক ইউএনও তানজিলা তাসনিমের দৃষ্টি গোচর হলে পরে ৬ই সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেলে দু:খিনী রাবেয়া কে সংবাদ দিয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিলা তাসনিম তার কার্যালয়ে নিয়ে এসে তাৎক্ষণিক অসহায় পরিবার টি সহায়তার জন্য রাবেয়া বেগমের হাতে খাদ্য সামগ্রিক,বস্ত্র সহ আর্থিক অনুদানের একটি চেক হস্তান্তর করেন।
উল্লেখ্য,গত বুধবার বিকালে তিস্তার ভাঙনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে,অল্প সময়ের মধ্যেই রাবেয়া বেগমের বসতভিটার সম্পূর্ণ অংশ নদীগর্ভে চলে যায়।
নদীর স্রোতে ভেসে যায় তার বসতভিটা সহ প্রয়োজনীয় আসবাপত্র।
সংসারের অন্যান্য সামগ্রী“হাস মুরগী-ছাগল নিয়ে মহাবিপদে দিনাতিপাত করছেন রাবেয়া বেগম।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে ইউএনও তানজিলা তাসনিম জানান,জরুরি ভিত্তিতে রাবেয়া বেগম কে আর্থিক অনুদান সহ খাদ্য সামগ্রী ও বস্ত্র দেওয়া হলো।পরবর্তীতে সরকারী জায়গায় ভুমিহীন রাবেয়ার পরিবার কে পুর্নবাসনের জন্য ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে।যাতে রাবেয়া বেগম তার পরিবার সহ নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারেন।
Copyright © 2026 Muktinews24. All rights reserved.