
যুক্তরাষ্ট্র আগামী দুই মাসের মধ্যে সিরিয়া থেকে তাদের প্রায় এক হাজার সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করছে বলে মার্কিন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
The Wall Street Journal জানিয়েছে, সিরিয়ার সরকার দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করার পর এবং আইএসবিরোধী লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে একীভূত হওয়ার অঙ্গীকার করায় ওয়াশিংটন সেখানে তাদের সামরিক উপস্থিতি গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা Agence France-Presse (এএফপি) এ তথ্য জানিয়েছে। একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক CBS, যেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি মার্কিন বাহিনী সিরিয়ার আল-তানফ ও আল-শাদ্দাদি ঘাঁটিসহ কয়েকটি ঘাঁটি থেকে সরে যাওয়ার পর এই পরিকল্পনার কথা সামনে আসে। এসব ঘাঁটি ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের অভিযানে ব্যবহৃত হতো।
২০২৪ সালের শেষ দিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট Bashar al-Assad–এর পতনের পর থেকে ওয়াশিংটন সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র হাজার হাজার আটক আইএস যোদ্ধাকে ইরাকের নিরাপদ কারাগারে স্থানান্তর করেছে।
একই সময়ে ইরান ইস্যুতেও উত্তেজনা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করছে বলে খবর রয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, কোনো হামলা হলে তারা অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো অবরোধ করতে পারে।
মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন আগামী সপ্তাহান্তের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট Donald Trump এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য জানতে চাইলে Pentagon কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।