- Muktinews24- - https://muktinews24.com -

প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে গুজব!

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  ৪১তম বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার (১৯ মার্চ)। এরপর আগামী ২৪ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)।

 

শুক্রবার বিকেল থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগামী ২৪ মে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হবে বলে একটি গ্রুপ প্রচার শুরু করেছে। এসব প্রচারে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে উদ্ধৃতি করা হচ্ছে। বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে বলা হচ্ছে চার ধাপে আগামী ২৪ ও ৩১ মে এবং ১৪ ও ২১ জুন সকাল ১০টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষার কোনো সিদ্ধান্ত আসলে হয়েছে কি না, জানতে চাইলে ডিপিই মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, আমরা আগেই বলেছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না। তারপরও যদি কোনো সিদ্ধান্ত হয় অবশ্যই তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীদের এসব গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান মহাপরিচালক।

 

সূত্র জানায়, করোনার মধ্যে বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় একটি মহল একে পুঁজি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন তথ্য ছড়াচ্ছে।

 

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মনীষ চাকমা বলেন, বিসিএসে পদের সংখ্যা ২ হাজার, আর প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। পরীক্ষার তারিখের বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে এখনও এমন কোনো নির্দেশনা নেই। এ বিষয়টি একদম প্রাথমিক স্তরে রয়েছে। তবে নিয়োগ পরীক্ষার গুজবের বিষয়টি আমাদের নজরে আছে।

 

তিনি আরও বলেন, প্রতারক চক্রের অভাব নেই। সারাদেশে বেশকিছু প্রতারক চক্র এভাবে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে আসছে।  তবে এ ধরনের তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার না করতে আবেদনকারীদের অনুরোধ করেন তিনি।

 

সম্প্রতি ঢাকা পোস্টকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় রীতিমত মহাযজ্ঞ হয়। এতো বেশি পরীক্ষার্থী থাকে যাদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে হিমশিম খেতে হয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলা পর্যন্ত এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না।

 

এবার প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার। যার মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়োগ পাবেন ২৫ হাজার ৬৩০ জন। এই নিয়োগে ১৩ লাখ পাঁচ হাজারের বেশি আবেদন জমা হয়। অনলাইনে আবেদন করতে গিয়ে প্রার্থীদের বিভিন্ন ধরনের ভুল সংশোধন করার সুযোগ দেয় ডিপিই।