মঙ্গলবার-২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ১০:৩৫

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু জিম্বাবুয়ে সফরের আগে বাংলাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার না হলে ‘হরতাল’ করোনার টিকাকে বিশ্বব্যাপী সাধারণ পণ্য ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিবগঞ্জে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে পন্ড হলো জুয়ার আসর  শেরপুরে আনসার ভিডিপির বৃক্ষরোপন উদ্বোধন এসএসসি-এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই: শিক্ষামন্ত্রী

লালমনিরহাটে সূর্যমুখী ফুলের চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

প্রকাশ: বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১ , ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :
মোঃলাভলু শেখ  লালমনিরহাট থেকে।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মধুপুর, চরিতাবাড়ী ও কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা গ্রামসহ লালমনিরহাট সদর, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম উপজেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে । গ্রামগুলোতে ফুল চাষে সফলতা দেখে গোটা জেলায় সূর্যমুখী চাষে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।
লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলায় সরকারি-বেসরকারি ও এনজিওদের মাধ্যমে প্রচলিত কৃষি শস্যের বাইরে নতুন নতুন লাভজনক ফসল চাষে কৃষককে প্রেরণা যোগাতে মাঠ পর্যায়ে কাজ চলছে। বিশেষ করে তিস্তা, বুড়ি তিস্তা, ধরলা, রত্নাই, স্বর্ণামতি নদীর চরাঞ্চলের বালুতে কিভাবে কৃষি ফসল ফলানো যায় এবং কিভাবে চরের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এ নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া মাঠ পর্যায়ে ২ ফসলি জমিতে কিভাবে বছরে ৩টি অর্থকারী কৃষিশস্য চাষ করা যায় তা নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সফলতাও এসেছে। চরের ধূ-ধূ বালু মাটিতে বিশেষ পদ্ধতিতে সবজি চাষ, মিষ্টি কুমড়া চাষ, আলু চাষ, স্ট্রবেরী ফল চাষ ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এখন আর চরের বালু জমিও ফেলে রাখছে না কৃষক।  প্রতিটি চর এখন একেকটি অর্থকারী ফসল চাষের জোনে পরিণত হয়েছে।
প্রচলিত ফসলের বাইরে বছরে ২ ফসলই জমিতে ৩টি অর্থকারী ফসল আবাদের অংশ হিসেবে আদিতমারী উপজেলার মধুপুর, চরিতাবাড়ী ও কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা গ্রামে সূর্যমুখী ফুলের বাণিজ্যিকভাবে ফসল হিসেবে চাষ করা হয়েছে।
জানা যায়, সূর্যমূখী একটি অর্থকারী কৃষি ফসল। মূলত প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সূর্যমূখীর চাষ হচ্ছে। সূর্যমূখী ফুলের দানা থেকে ভোজ্যতৈল উৎপাদন করা হয়, যা কোলেস্টেরল মুক্ত। এছাড়াও শর্ষে বাটার মত করে সূর্যমুখী ফুলের দানা খাওয়া যায়। গ্রামের মানুষের খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনবে এই সূর্যমুখী ফুল চাষ।
প্রতিদিন ফুলের ক্ষেতের সৌন্দর্য দেখতেও মানুষ ছুটে আসছে। সূর্যমুখী চাষ গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামীম আশরাফ জানান, জেলার ৫টি উপজেলায় প্রায় ৮০হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সূর্যমুখী চাষের জন্য কৃষকদের উৎসাহ, পরামর্শ ও বিভিন্ন ভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আশা করি আগামীতে লালমনিরহাট জেলায় দ্বিগুণ সূর্যমুখী চাষ করা হবে। সেই সাথে বদলে যাবে এ অঞ্চলের অথনৈতিক চাকা।

রাজশাহী,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_