মঙ্গলবার-২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ১০:০০

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

জিম্বাবুয়ে সফরের আগে বাংলাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার না হলে ‘হরতাল’ করোনার টিকাকে বিশ্বব্যাপী সাধারণ পণ্য ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিবগঞ্জে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে পন্ড হলো জুয়ার আসর  শেরপুরে আনসার ভিডিপির বৃক্ষরোপন উদ্বোধন এসএসসি-এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই: শিক্ষামন্ত্রী শিবগঞ্জে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

উজিরপুরে সাতলার পটিবাড়ি ৯০০ বিঘা জমিতে মাৎস্য চাষ করে ভাগ্য পরিবর্তন করেছে চাষীরা।

প্রকাশ: শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১ , ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :
মনির হোসেন,বরিশাল সংবাদদাতা॥
একসমায়ের অবহেলীত এক ফসলের জমিগুলো এখন যেন সোনর ডিম। অল্প সমায়ে এ অসম্ভব কাজকে সম্ভব করেছে গ্রামঞ্চলের মানুষের একত্রিত হয়ে গড়ে তোলা মৎস্য সমাবয় সমিতি নামক মৎস্য চাষ প্রকল্প। বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলার বিলজুড়ে ময়লা অবর্জনার কারনে তেমন কোন ফসল হতো না। সেই জমিতে প্রতিবছর বর্ষার মৌসুমে মৎস্য চাষ করে শত শত মানুষ নিজেদের ভাগ্যবদল করেছেন মাৎস্য চাষাবাদ শেষে শুকনো মৌসুমে ধানের চাষাবাদ করেন সে কারনে জমিটি ১২ মাস চাষাবাদের কাজে ব্যবহার করে জমির মালিকরা আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন। একটি মহল ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেদের ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাতলার পটিবাড়ি ৯০০ বিঘা জমির মাৎস্য সমাবয় সমিতির কমিটি নষ্ট করে ঘেরটি তাদের দখলে নিতে মরিয়া হয়ে নানা ষড়যন্ত্র’র ফাঁদ তৈরী করে উঠে পড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ করেছেন জমির একাধিক বৈধ মালিকরা। জানাগেছে, এক সমায়ের অবহেলীত সাতলা জনপদে’র রুপকার উজিরপুর উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি সাতলা ইউপি প্রায়ত চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক আজাদ পটিবাড়ি পতিত জমির একাধিক বৈাধ মালিকদের নিয়ে সমবয় সমিতি করে মৎস্য চাষ শুরু করেন প্রায় ১২ বছর আগে তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর মাৎস্য ঘেরের মাছ বিক্রি করে জমির পরিমান ও চাষাবাদে অংশিধারিত্বর পরিমান মতো লাভংশ টাকা তুলে দেয়া হয় জমির মালিকের হাতে সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকরা ঘেরটি পরিচালনা করেন। গত বছর সাতলার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক আজাদ মারা গেলে তার পুত্র মশিউর মিয়া ও প্রিয় লাল মন্ডল সমিতি’র মাধ্যমে অন্যসব সদেস্যদের নিয়ে মৎস্য ঘেরটি পরিচালনা করছেন। ওই ঘেরের মধ্যে আব্দুল খালেক আজাদের জমির পরিমান বেশী হলেও মশিউর সকল সদেস্যদের মতো লাভের টাকা সমপরিমান ভাগ করে নেন। হঠাৎ করে একটি মহল ঘেরটি নিয়ে নানা সড়যন্ত্র শুরু করলেও ঘেরের জমির অধিকাংশ মালিকরা একাট্ট্রা হয়েছেন তাদের ঘেরটি রক্ষা করার জন্য। পটিবাড়ি মৎস্য ঘেরের জমির মালিক হরসিদ বৈদ্ধ্য জানিয়েছেন, তার পতিত জমিতে মাছ চাষ করে সে লাভবান হয়েছেন একই ভাষ্য আতাহার বিশ্বাস নামক অপর এক জমির মালিকের। সুমনাথ হালদার নামক কৃষক বলেন তার জমিতে সমিতির মাধ্যমে তিনি মাৎস্য চাষ করতে চান মাছ বিক্রি’র পর ওই জমিতে বিনা খরচে ধান চাষের উপযোগী জমি পান সে কারনে তিনি লাভবান হচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন একটি মহল তাদের মৎস্য ঘেরটি নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। মৎস্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ প্রিয় লাল মন্ডল বলেন, ৪ শত সদেস্যর মাধ্যমে ঘেরের জমিতে মাছ চাষ করা হয় মাছের ঘেরের লাভ সকল সদেস্য সমান ভাগে অর্থ পায়। অনেক কৃষকই ঘেরের লাভের টাকায় শুকনো মৌসুমে ধান চাষ করছেন এবং নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করছেন। একটি মহল ঘেরটির নিয়ন্ত্রন নিতে মরিয়া তার চাষীদের নানা ভাবে হুমকিও দিচ্ছে। প্রায়ত চেয়ারম্যান খালেক আজাদের পুত্র মশিউর রহমান বলেন, শতশত মানুষ পটিবাড়ি মাছের ঘের দিয়ে লাভবান হলেও একটি কুচক্রি মহল যাদের ওই ঘেরে কোন জমি নাই তারা নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছেন ঘেরের সমিতি অকার্যকর করে ঘেরটি তাদের দখলে নিয়ে মাছ চাষ করতে। এ ঘেরের মধ্যে আমাদের প্রায় ১০০ বিঘা জমি রয়েছে আমরাও জমির অন্যসব মালিকদের মতো সমান ভাগে লাভের টাকা ভাগ করে নেই সাতলার ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল বাশার লিটন ক্ষমতার দাপটে আমাদের ঘেরটি নিয়ে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছেন।


বরিশাল,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_