সোমবার-১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ১০:১১

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

হাতিবান্ধায়বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  কোয়ারেন্টাইন শেষে বাড়ি ফিরে ভারতফেরত দম্পতির করোনা শনাক্ত নতুন শিল্প সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন জাকিয়া সুলতানা শেখ হাসিনার নাম চির ভাস্বর হয়ে থাকবে : ওবায়দুল কাদের মাথাপিছু আয় বাড়ল ১৬৩ ডলার নিজেদের তৈরি সুপার কম্পিউটার উন্মোচন করল ইরান আর্জেন্টিনা দলে ফিরলেন আগুয়েরো, জায়গা হয়নি দিবালার

কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে ব্যাংক

প্রকাশ: রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১ , ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: আগামী সপ্তাহ থেকে এক সপ্তাহের জন্য জরুরি সেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিপণিবিতান এমনকি সব ধরনের যানবাহন বন্ধ রেখে কঠোর লকডাউন দেয়া হলেও ব্যাংক বন্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে জরুরি সেবা হিসেবেই দেখার কথা জানিয়েছে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ব্যাংকের লেনদেনের সঙ্গে নির্ভর করে পুঁজিবাজারের লেনদেন চালু থাকবে কি না। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি আগেই জানিয়েছে, ব্যাংক চালু থাকলে বন্ধ হবে না পুঁজিবাজারও।

গত সোমবার থেকে এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হয়েছে। তবে প্রথম দিন থেকেই শিথিল লকডাউনের তৃতীয় দিন থেকে দেশের সব মহানগরে চালু করে দেয়া হয় বাসও। অন্যান্য যানবাহন চলছে প্রথম দিন থেকেই। এর মধ্যে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু প্রতিদিনই রেকর্ড করতে থাকায় সরকার কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানানো হয়েছে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হবে। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘এটা কমপ্লিট লকডাউন, কঠোর লকডাউন। ফলে কোনো অফিস আদালত খোলা থাকবে না। সেখানে শুধু জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছুই বন্ধ থাকবে।’ লকডাউনের এক সপ্তাহ সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকতে হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাইব যে, এই এক সপ্তাহ মানুষজন একদম ঘরে থাকবে। সেভাবে মানুষ প্রস্তুতি নিয়ে থাকবে। এক সপ্তাহ কঠোরভাবে লকডাউন মেনে চলবে।’ এবারের লকডাউনে যানবাহন তো বটেই বন্ধ থাকবে সরকারি, বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান। আগামী রোববার এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি আরও স্পষ্ট করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। ব্যাংক চলবে কি না- এই বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত হতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যাংক হচ্ছে অত্যাবশ্যকীয় সেবা। এ সেবা দিতে আমরা বাধ্য এবং এটা চলমান রাখতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘এ সংকটের মধ্যেও ব্যাংক খোলা রাখতে হবে। কারণ, মানুষ ব্যাংকিং লেনদেন না করতে পারলে অন্যান্য সংকটে পড়বে। চিকিৎসার জন্যও ব্যাংকের টাকা দরকার। সরকারের নির্দেশনার সঙ্গে সমন্বয় করে কীভাবে, কোন কৌশলে ব্যাংকিং সেবা দেয়া যায় সেটা সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ চলমান লকডাউনের মধ্যে ব্যাংকের লেনদেন চলছে সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। অফিসের অন্যান্য কার্যক্রম চলছে দুপুর দুইটা পর্যন্ত। ৩ এপ্রিল লকডাউনে ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে এক সার্কুলার জারি করে এই নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকের তুলনায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবশ্য আরও একটু বেশি সময় খোলা থাকছে। সেগুলোতে লেনদেন চালু থাকছে বেলা দুইটা পর্যন্ত। কঠোর লকডাউনেও একই সময়সীমা থাকবে কি না- এমন প্রশ্নও ছিল সিরাজুল ইসলামের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘রোববার সরকারের নির্দেশনা জারি হওয়ার পর কীভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাব।’ তবে পূর্ণাঙ্গ সময়ের জন্য না, ব্যাংকে লেনদেন সীমিত আকারে লেনদেন চালু রাখা হবে-এটি নিশ্চিত করেছেন এই কর্মকর্তা।


অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_