রবিবার-১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সকাল ১০:৪৫

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ আজ নায়ক সালমান শাহ’র জন্মদিন, বেঁচে থাকলে বয়স হতো ৫০ আবুধাবিতে প্রবেশে পিসিআর টেস্ট লাগবে না পার্বতীপুরে ইয়াবা ও হেরোইন বিক্রির অভিযোগে মহিলা মাদক ব্যবসায়ী আটক নতুন নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী গঠিত হবে : কাদের আগামীকাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন শিক্ষামন্ত্রী স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে’ রোপা আমন ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি শনাক্ত ও করণীয় নির্ধারনে আলোক ফাঁদ কার্যক্রম

ডাকঘরকে ডিজিটাল কমার্সের উপযোগী করে প্রস্তুত করা হচ্ছে            -ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

প্রকাশ: রবিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২১ , ৪:১৫ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দেশব্যাপী ডাকঘরের সুবিশাল নেটওয়ার্ক  ডিজিটাল কমার্সে  নিয়োজিত বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ব্যবহারের জন্য নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে  প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে দেশব্যাপী দ্রুত সময়ে শাকসবজীসহ পঁচনশীল পণ্য পরিবহণ ও বিতরণ সম্ভব হবে। এই লক্ষ্যে ডাক পরিবহণের গাড়ি ও  দেশের ৬৪টি জেলায় শর্টিং সেন্টারে হিমায়িত চেম্বার করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে দেশে ডিজিটাল কমার্সের বিকাশে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। ডিজিটাল কমার্স যুক্ত করায় ডাকবিভাগ নতুনরূপে আবির্ভূত হচ্ছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আজ এটুআই কর্মসূচি ‘একশপ’ এর উদ্যোগে সারা দেশে ন্যাশনাল ই-কমার্স এজেন্ট তৈরির লক্ষ্যে ডাক অধিদপ্তরের উদ্যোক্তাদের মধ্যে মাস্টার ট্রেইনার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ সিরাজ উদ্দিন এবং এটুআই এর কর্মকর্তা রেজোয়ানুল হক জামি বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ ডিজিটাল কমার্স সম্প্রসারণে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। PID

মন্ত্রী চিঠির যুগের অবসান হলেও প্রাচীনতম এই প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডাকঘরের দেশব্যাপী বিশাল  নেটওয়ার্ক ভিন্নমাত্রায় রূপান্তরিত করা হচ্ছে  উল্লেখ করে বলেন, অনেক পুরাতন প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির অনেক ত্রুটি ও পশ্চাৎপদতা আছে। বিদ্যমান পশ্চাৎপদতা কাটিয়ে উঠেতে ডাক অধিদপ্তরের সমস্ত কার্যক্রম  ডিজিটাল করা হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডিজিটাইজেসন বাস্তবায়িত হয়েছে, তবে সামগ্রিকভাবে ডিজিটালাইজেশন না করলে তার সম্পূর্ণ সুফল পাওয়া সহজ হবে না। মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল কমার্স করোনাকালীন লকডাউনে কেনাকাটা সচল রেখেছে এবং আগামী দিনগুলোতে ডিজিটাল কমার্সের চাপ অনেক বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল কমার্সে শহরের পণ্য যেমন গ্রামে যাবে ঠিক তেমনি গ্রামের পণ্য শহরে আসবে। যদি উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষিত করা যায় তবে ডিজিটাল কমার্সের ব্যাপক সক্ষমতা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী উদ্যোক্তাদেরকে ডিজিটাল বাংলাদেশের বড় সৈনিক আখ্যায়িত করে বলেন, মাস্টার ট্রেইনাররা ডিজিটাল কমার্সের বিষয়ে নিজে জ্ঞানার্জন করবে এবং তারা অন্যদেরকে প্রশিক্ষিত করার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ছড়িয়ে দেবে, যা ডিজিটাল কমার্স সম্প্রসারণে অবদান রাখবে। দেশব্যাপী ডাক বিভাগের সাড়ে আট হাজার উদ্যোক্তাকে পর্যায়ক্রমে এই প্রশিক্ষণের আনা হবে বলে মন্ত্রী জানান।


ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_