বৃহস্পতিবার-২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ৯:৫৫

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

চার্জার ভ্যান চালকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার নাটোরে নদীতে ঝাঁপ দেয়ার ৫ ঘন্টা পর অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার নতুন করারোপ ছাড়ায় সাড়ে ৮৭ কোটি টাকার বাজেটের প্রস্তুতি। ফুলবাড়ীতে যুবলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন ডোমারে ৮ জন করোনায় আক্রান্ত লালমনিরহাট মৎস্য বিভাগে ৩.৭৩৯ হেক্টর  পুকুর -জলাশয় পুনঃখনন ও ১৯ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদনের সম্ভাবনা  আশাশুনিতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত

ফুলবাড়ীতে ধরলার তীর সংরক্ষণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশ: শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১ , ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

 

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পে জিও ব্যাগ বসানোর কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদাররা নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নদীর তীরে যেনতেন ভাবে নি¤œমানের চিকন বালু ভর্তি জিও ব্যাগ বসানোর কাজ শুরু করায় প্রকল্পটির ভবিষ্যত নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে সংশয় দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কুড়িগ্রাম অফিসের বাস্তবায়নে ৫৪ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে ধরলা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধসহ বাম ও ডান তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ গত মার্চ মাসে শুরু হয়। উপজেলার সোনাইকাজী এলাকা থেকে সাহেববাজার পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এ বাধটি নির্মানের জন্য পৃথক পাঁচটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়োজিত করে কর্তৃপক্ষ। শুরুতেই ঠিকাদাররা বাধ নির্মানের স্থানে একাধিক অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু তুলে প্রায় ৫০ হাজার জিও ব্যাগ ভর্তি করে। পরে নদীর তীর স্লোভ করে যেনতেন ভাবে ওই জিও ব্যাগ গুলো বসানো শুরু করলে স্থানীয়রা সিডিউল অনুযায়ী ব্যাগ বসানোর দাবী জানান। কিন্তু নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে ঠিকাদাররা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
সোনাইকাজি গ্রামের মমিনুল ইসলাম (৪৫) গোলাম মোস্তফা (৫৫) ও নজরুল ইসলাম (৪৮) জানান, ১০ মিটার দুরে জিওব্যাগ বসানোর নিয়ম থাকলেও ৩ থেকে ৪ মিটার দুরে ব্যাগ ফেলছে ঠিকাদাররা। মোটাবালু দিয়ে জিওব্যাগ ভর্তি না করে যে স্থানে বাধ হবে সেখানেই অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে নি¤œমানের চিকন বালু তুলে জিওব্যাগ ভর্তি করেছে। অনিয়ম করার জন্যই প্রকল্প এলাকায় সিটিজেন চার্টার পর্যন্ত টাঙ্গায়নি তারা। এ ভাবে কাজ করলে সরকারের কোটি কোটি টাকা নদীতে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
ওই প্রকল্পের ২নম্বর সাইডের ঠিকাদার দাবীকারী মইনুল হক জানান, নদীর পাড় ধসে পড়া বন্ধ করতে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পরে সঠিকভাবে কাজ করা হবে। প্রকল্প এলাকায় অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় পাড় ধসে পড়ছে কিনা, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি হাসি দিয়ে তা উড়িয়ে দেন।
এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোডের্র নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, আগামী ২০২২ সালের জুন মাসে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। সাময়িক ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। তবে এটা ১০ মিটার দুরে নয়, ১০ মিটারের মধ্যে কাজ হচ্ছে। পরে ব্যাগ গুলো সরিয়ে সঠিকভাবে কাজ করা হবে।


ঢাকা,রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_