- Muktinews24- - https://muktinews24.com -

সংবাদকর্মীদের সোস্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ায় এ এস আই গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে পার্বতীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের (ভিডিওসহ)

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:

সোস্যাল মিডিয়ায় এসে মিডিয়া কর্মী ও সাংবাদিকদের নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য ও বিষাদগার করে সাংবাদিকদের সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করায় আজ ৬ এপ্রিল দুপুর ২ টায় দিনাজপুরের পার্বতীপুর প্রেস কাবের সভাপতি শ.আ.ম হায়দার বাদী হয়ে এ এস আই গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে পার্বতীপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায়, হেফাজতের ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হক নারীসহ বিনোদন কেন্দ্রে জনতার হাতে ধৃত হয়। সংবাদকর্মীরা সংবাদ পরিবেশন করে। এ এস আই গোলাম রব্বানী ক্ষুদ্ধ হয়ে একটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এ আপলোড করে। ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

পোষাক পরিহিত অবস্থায় অপেশাদার বক্তব্য দেয়। ভিডিওটি ভাইরাল হলে গোটা সাংবাদিক সমাজ সোস্যাল মিডিয়ায় অপমানিত হয়। এ অপকর্মটি করেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য। তার নাম গোলাম রব্বানী। বাড়ি হলো দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার মনমথপুর ইউনিয়নের দোলা পাড়া গ্রামে। সে তৌহিদুল ইসলাম এর ছেলে। সে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরী নেন। পরে এ এস আই পদে পদোন্নতি পায় । বর্তমানে কুষ্টিয়ার ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত। ভিডিও দেখে সাংবাদিকদের মাঝে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। গতকাল ৫ এপ্রিল রাত ৮টায় পার্বতীপুর প্রেসকাব জরুরী সভা ডেকে প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেন স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দরা। জরুরী সভায় তার বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করার সর্ব সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এর আলোকে আজ ৬ এপ্রিল পার্বতীপুর মডেল থানায় এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।
২ নং মন্মথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজগার আলী বলেন, এ এস আই গোলাম রব্বানী ছাত্র জীবনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির এর জন্য সক্রিয় কর্মী ছিল। দোলা পাড়া গ্রামের অধিকাংশ মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কাজ করেছিল।
এ বিষয়ে পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, এ এস আই গোলাম রব্বানীর ভাইরাল হওয়ার বক্তব্য নিম্নে তুলে ধরা হল-

কাল মামুনুল হক হুজুরের একটি ভিডিও দেখলাম। যে ভিডিওতে দেখা যায়, স্ত্রীকে নিয়ে একটি রিসোটে গিয়েছিল তিনি। অধিকাংশ সাংবাদিক সেখানে চিল্লাপাল্লা করে তার কাবিননামা দেখতে চাচ্ছে। আমার প্রশ্ন সাংবাদিককে এ অধিকার কে দিয়েছে। আপনি যে কাবিননামা দেখবেন আপনাকে এ অধিকার কী রাষ্ট্র দিয়েছে? আমি তো পুলিশের চাকুরী করি আমার জানা নাই। ভন্ডামীর একটা সীমা আছে। যদি স্ত্রী ব্যতীত অন্য কাউকে নিয়ে যেত তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতো। সাংবাদিকদের বিষয়ে আমার জানা আছে তারা তো চাকুরী করে না। তারা মাল পেলে সত্য বিষয়টিকে উল্টাইয়ে দেয়। মিডিয়ার মাধ্যমে এমন একটা আলেম মানুষকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ ধরনের হেনস্তা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফেসবুক লাইভে এসে হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নিয়ে এমন গুনর্কীতন করেন একজন পুলিশ সদস্য।