রবিবার-২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সন্ধ্যা ৭:২৯

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ শিবগঞ্জে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রয় শুরু  ডোমারে খোলা বাজারে ওএমএস এর চাল ও আটা বিক্রয়ের শুভ উদ্বোধন। পার্বতীপুরে খোলা বাজারে চাল-আটা বিক্রি শুরু সংক্রমণ বাড়তে থাকলে হাসপাতালে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রামে ওএমএস’র বিশেষ কার্যক্রম উদ্বোধন করোনার টিকা নিতে ১ কোটি সাড়ে ১৮ লাখ মানুষের নিবন্ধন টানা ৬ দিন বন্ধের পর আজ থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

গেমস আসক্ত হয়ে জড়ে পড়ছে বরিশালের শিক্ষার্থীরা।

প্রকাশ: সোমবার, ২৪ মে, ২০২১ , ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মনির হোসেন বরিশাল ব্যুরো ॥
মহামারি করোনা সংক্রমণেঅর কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিাপ্রতিষ্ঠান। লেখাপড়ার কোনো চাপ না থাকার সুবাদে বরিশালের স্কুল-কলেজের অধিকাংশ শিার্থী দিন রাত সমান সমান তালে বেশির ভাগ সময় মোবাইলে গেমস খেলে সময় পার করছেন।
তারা রাস্তার মোড়ে, গাছের নিচে খোলা কোনো জায়গায় দলবেঁধে বসে ফোর্টনাইট, তিন পাত্তি, লুডু, জান্ডীমুন্ডা, ফ্রি ফায়ার, পাবজি গেমসগুলো খেলছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই মোবাইলে অর্থের বিনিময়ে জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বাজার, পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন শিাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে বাজারসহ বেশ কিছু বাগানে কোমলমতি শিার্থীরা দলবেঁধে এসব ভয়ানক গেমস খেলায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে বেশির ভাগই ফ্রি ফায়ার ও পাবজি নামক গেমসের নেশায় বেশি জড়িয়ে পড়ছেন।
আলাপকালে কয়েকজন অভিভাবক ােভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এখন শিার্থীদের পাঠ্যবই নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা। বর্তমানে করোনার কারণে শিাপ্রতিষ্ঠান ও শিা েেত্র ডিজিটাল ও তথ্য প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। অথচ তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে শিার্থীরা জড়িয়ে পড়ছে গেমসের নেশায়।
উঠতি বয়সের তরুণ প্রজন্ম প্রতিনিয়ত অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে এসব গেমে আসক্ত হচ্ছে। এসব বিদেশি গেম থেকে ছেলেমেয়েকে ফিরিয়ে আনতে না পারলে বড় ধরনের তির আশঙ্কা রয়েছে বলেও তারা মনে করেন।
সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক বিবেচনা করে অভিভাবকরাও ধারদেনা করে ফোন কেনার টাকা জোগান দিচ্ছেন। অথচ অধিকাংশ শিার্থীরা পরিবারের মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করে গেমসের জন্য ‘ডায়মন্ড ও ইউসিথ কিনছে। শিশুরা যেখানে টাকা জমিয়ে ক্রিকেট বল, ফুটবল কেনার কথা, সেখানে তারা টাকা জমিয়ে রাখছে ইউসি অথবা ডায়মন্ড কেনার জন্য।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দশম শ্রেণির এক শিার্থী জানান, ‘ফ্রি ফায়ার গেমস প্রথমে তাদের কাছে ভালো লাগত না। কিছুদিন বন্ধুদের দেখাদেখি খেলতে গিয়ে এখন তারা আসক্ত হয়ে গেছে। এখন গেমস না খেলে তাদের অস্বস্তিকর মনে হয়।
নাম না প্রকাশ শর্তে একজন শিক বলেন, ‘অনলাইন কাসের অজুহাতে অভিভাবকদের কাছ থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোন শিার্থীদের হাতে যাওয়া এবং অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এমন পরিস্থিতি এমন হয়েছে।
‘আমাদের কলেজের শিকরা অনলাইনে কাস নিলে যাতে করে শিার্থীরা এমন কাজ না করে, সেই বার্তাটা সকল কাসের মধ্যে বলে দেওয়ার নির্দেশ দেব।


বরিশাল,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_