শুক্রবার-২৫শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১১ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ৩:৪০

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

চার্জার ভ্যান চালকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার নাটোরে নদীতে ঝাঁপ দেয়ার ৫ ঘন্টা পর অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার নতুন করারোপ ছাড়ায় সাড়ে ৮৭ কোটি টাকার বাজেটের প্রস্তুতি। ফুলবাড়ীতে যুবলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন ডোমারে ৮ জন করোনায় আক্রান্ত লালমনিরহাট মৎস্য বিভাগে ৩.৭৩৯ হেক্টর  পুকুর -জলাশয় পুনঃখনন ও ১৯ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদনের সম্ভাবনা  আশাশুনিতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে মাথা গোজার ঠাঁই পাচ্ছেন আরোও ৮০০ গৃহহীন পরিবার

প্রকাশ: রবিবার, ২৩ মে, ২০২১ , ৪:৪০ অপরাহ্ণ , বিভাগ :

জানে আলম, ঠাকুরগাঁওঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ২য় ধাপে গৃহহীনদের জন্য খাস জমিতে নির্মিত হচ্ছে আরও আটশত গৃহ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যোবায়ের হোসেনের তদারকিতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এসব ঘর মে মাসের শেষে নির্মাণ কাজ শেষ হবে। জুন মাসের শুরুতেই ঘরগুলো আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করা হবে পরিবারগুলোকে। এতে নতুন গৃহে মাথা গোজার ঠাঁই পাবেন আটশত গৃহ ও ভূমিহীন পরিবার। উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে প্রায় ৩০টি স্থানে সরকারি জমিতে দুমাস আগে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ৮’শ ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। গৃহ নির্মানাধীন স্থানগুলো হলো পাড়িয়া ইউনিয়নের লোহাগাড়া গ্রামে, চাড়োল ইউনিয়নের হারামডাঙ্গী গ্রামের ২টি স্থানে, মহৎপাড়া গ্রামের ৩টি স্থানে, ধনতলা ইউনিয়নের শিলপাটি, বোয়ালীমন্ডল, কাচনাপাড়া ও কইমারী গ্রামে।

এছাড়াও বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের গড়িয়ালী, সেনুন্না, ময়মনসিংহ পাড়া, হঠাৎপাড়াসহ কুশলডাঙ্গী গ্রামের ৪টি স্থানে। দুওসুও ইউনিয়নের তেলিবন্দর, ভানোর ইউনিয়নের হলদিবাড়ী গ্রাম, আমজানখোর ইউনিয়নের আমবাগান, হিন্দুপাড়া ও ঠগবস্তি গ্রামসহ বড়বাড়ী ইউনিয়নের আধারদিঘী গ্রামসহ মোট ৩০টি স্থানে এসব গৃহ নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

জানা গেছে, প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে এক লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। উপজেলায় ২য় ধাপে আটশত ঘর নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা।

আমজানখোর ইউনিয়নের আমবাগান এলাকায় নির্মিত ১০০টি ঘরের কাজে নিয়োজিত মিস্ত্রি রমজান আলী জানান, দক্ষ মিস্ত্রি দিয়ে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নির্মাণে ব্যবহৃত ইট, রড ও সিমেন্টও উন্নত মানের। প্রতিনিয়ত স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, ইউএনও এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ঘর নির্মাণ কাজ তদারকি করছেন। নির্মাণ কাজে ফাঁকি অথবা অনিয়মের সুযোগ নেই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. যোবায়ের হোসেন বলেন, প্রথম দফায় ১৬৬টি গৃহহীন পরিবারকে এ প্রকল্পের আওতায় ঘর প্রদান করা হয়েছে। আরও ৮’শ ঘর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। আগামী জুন মাসে প্রথম সপ্তাহে উপজেলা প্রশাসনের গঠিত ট্রাক্টফোর্সের বাছাই করা গৃহ ও ভুমিহীনদের মাঝে এসব ঘর ও জমির দলিল হস্তান্তর করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব ঘর উদ্বোধন করবেন।

তিনি আরও বলেন, নির্মাণ কাজ হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে প্রতিটি ঘরেই উন্নত মানের ইট, রড সিমেন্টসহ অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত গৃহ নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করছেন জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিমসহ দায়িত্বরত অন্যান্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মহোদয়গণ।

উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আসলাম জুয়েল বলেন, ঘর নির্মাণের জন্য জমি নির্বাচন করতে নিয়ে নানা বাঁধার সম্মুখিন হতে হচ্ছে। আরও গৃহহীন রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি খাস জমিগুলো খুজে বের করে উপজেলার সকল গৃহহীনদের ঘর প্রদান করতে। এতে প্রধানমন্ত্রীসহ সকলের সহযোগিতা চান তিনি।

ঠাকুরগাঁও জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাজহারুল ইসলাম সুজন বলেন, আ.লীগ সরকার ও জননেত্রী শেখ হাসিনা অবাস্তব কাজকে বাস্তবতার রূপ দিয়েছেন। পৃথিহীর কোন দেশে গৃহহীন দের ঘর ও জমি প্রদানের উদ্যোগ বিগত দিনে কেউ গ্রহণ করেনি। আমরা আশাবাদী এলাকার মানুষ আ.লীগ সরকারের পাশে সর্বদা থাকবে।

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মো. দবিরুল ইসলাম বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আমরা কাজ করছি। আমি ৭ বারের নির্বাচিত সাংসদ হিসেবে আমার এলাকার মূল্যায়ন সব সময় বেশিই ছিল। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।


রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_