রবিবার-২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সকাল ৬:৪৪

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ লালমনিরহাটে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা সেমিনার ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত  দুর্যোগে জনগণের পাশে ছিল শেখ হাসিনা সরকার-পলক রাজারহাটে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবের ঘড়িয়ালডাঙ্গা গতিয়াসামে তিস্তারভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শন। হিলিতে আউটলেট এ্যাডভাইজারী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উলিপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে পাঁচ দোকান আগুনে পুড়ে ছাই পাঁচবিবিতে বয়েন উদ্দিন স্মৃতি পুরুস্কার বিতরণ আদমদীঘিতে যেদিকে চোখ যায় শুধুই সবুজের অপরুপ সমারাহ

ডোমারে ঝড়ে পড়া দূর্গা মন্ডপটি সংস্কা কোন বালাই নেই।

প্রকাশ: শনিবার, ৮ মে, ২০২১ , ১১:১১ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

রবিউল হক রতন, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি>>
নীলফামারীর ডোমারে কালবৈশাখীর ছোবলে ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া দূর্গা মন্ডপের ঘরসহ প্রতিমা গুলো বেশ কয়েকদিন ধরে মাটিতে পড়ে থাকলেও সংস্কারের নেই কোন বালাই ।
যানা যায় গত মঙ্গলবার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বসুনিয়া হাট দূর্গা মন্ডপটি গভীর রাতে কাল বৈশাখী ঝড়ের ছোবলে দুমড়ে মুছড়ে ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে যায়। সে দিন থেকে অদ্যবধি ঘড়সহ প্রতিমাগুলি মাটিতে পড়ে রয়েছে, সংস্কারের কোন বালাই নেই । বসুনিয়া হাট দূর্গা মন্ডপটি ১৯৬৮ সালে স্থাপিত হয়েছে, তখন থেকে আজ অবধি মন্ডপটিতে সরকারী ভাবে অনুদানের কোন ছোয়া না লাগায় অবহেলিত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে একাধিক এলাকাবাসী জানান । এলাকাবাসী আরো বলেন আমরা নিজেরাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে বাশ,টিন,কাঠ দিয়ে মন্ডপটি সংস্কার করে পূজা অর্চনা করে আসছি,সরকারী ভাবে এই মন্ডপের জন্য আমরা কারো কাছ থেকে কোন রকম সহযোগিতায় পাইনি।
এবিষয়ে বসুনিয়া হাট দূর্গা মন্ডপের সভাপতি করুনাময় মল্লিক বলেন, বসুনিয়া হাট দূর্গা মন্ডপটি ১৯৬৮ সালে স্থাপিত হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে সরকারী কোন অনুদান না পাওয়ায় মন্ডপটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এলাকার লোকের সহযোগিতায় বাশ,টিন,কাঠ সংগ্রহ করে সেখানে আমরা কোন রকম পূজা অর্চনা করে আসছি। গত মঙ্গলবারের কালবৈশাখীর ছোবলে ঘরসহ প্রতিমাগুলো ভেঙ্গে চুড়ে একাকার হয়ে গেছে। আমি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি , মন্ডপের ভাঙ্গা ঘরটি নির্মান সহ প্রতিমাগুলো সংস্কারের সহায়তা প্রদান করে আমাদের মন্ডপটিতে পাঠাগার ভিত্তিক কার্যক্রম চালু করলে আমরা চির কৃতঞ্জ থাকবো।
উল্লেখ্য যে, উক্ত হাটে ১২৭ ও ২৮ খতিয়ানে ২০৫১ ও ২০৫৪ দাগে ১.৬৬ ও ২.৫০ ডি জমিনে মোট ৪.১৬ ডি জমি রহিয়াছে গত ২২-০৯-২০১৩ ইং তারিখে জেলা প্রশাসক নীলফামারী বরাবরে মন্দিরের নামে ৬ শতক জমি বরাদ্দের জন্য অনুলিপি প্রেরন করা হয়। তৎকালীন সময়ে হাট কমিটি মন্ডপের জন্য ৬ শতক জমির সিমানা নির্ধারন করে দেন।এবং বিগত ১৮/০৩/২০১৩ইং তারিখে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধিনে হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্্রাস্ট কর্তৃক অনুমোদিত নীলফামারী/১২০৪ নম্বরে তালিকাভূক্তির অন্তভুক্ত হয়।


রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_