সোমবার-১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ১০:২২

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

হাতিবান্ধায়বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  কোয়ারেন্টাইন শেষে বাড়ি ফিরে ভারতফেরত দম্পতির করোনা শনাক্ত নতুন শিল্প সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন জাকিয়া সুলতানা শেখ হাসিনার নাম চির ভাস্বর হয়ে থাকবে : ওবায়দুল কাদের মাথাপিছু আয় বাড়ল ১৬৩ ডলার নিজেদের তৈরি সুপার কম্পিউটার উন্মোচন করল ইরান আর্জেন্টিনা দলে ফিরলেন আগুয়েরো, জায়গা হয়নি দিবালার

মাস্ক না পরলে মার্কেট বন্ধ, আজ থে‌কে অ‌ভিযান

প্রকাশ: সোমবার, ৩ মে, ২০২১ , ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  করোনা সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধ (লকডাউন) ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হযেছে। এই সময়ে মার্কেট শপিংমল আগের মতোই খোলা থাকবে। তবে ক্রেতা-বিক্রেতা সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পড়তে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ সরকারের স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। অন্যথায় দোকান পাট ও শপিংমল বন্ধ করে দেওয়া হবে। মাস্কপড়াসহ স্বাস্থ্যবিধি মানা না হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাস্কপরা নি‌শ্চিত কর‌তে আজ থে‌কে মা‌র্কে‌টে অ‌ভিযান চল‌বে।

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সোমবার (৩ মে) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এবারের লকডাউনে কিছু বিধি-নিষেধ  শিথিল আনা হচ্ছে।  তার মধ্যে বিভাগীয় শহরগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচল করবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রোববার (২ মে) স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটা মিটিং হয়েছে। সেখানে সুপারিশ করা হয়, আজকে সেই বিষয়ে ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত দিয়েছে- আজকে থেকে পুলিশ, সিটি করপোরেশন, ম্যাজিস্ট্রেট ও অ্যাডমিনিস্ট্রেশন তারা দেশের প্রত্যেকটি মার্কেট সুপারভাইস করবে। কোনো মার্কেটে এত লোক হয়তো কন্ট্রোল করা যাবে না কিন্তু মাস্ক ছাড়া যদি বেশি লোকজন ঘোরাফেরা করে প্রয়োজনে আমরা সেসব মার্কেট বন্ধ করে দেব। ক্লিয়ারলি এটা বলে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দোকান-মালিক সমিতির সভাপতি, তারা আমাদের সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। তারা নিজেরাও এটা সুপারভাইস করবেন। এবারের লকডাউনে কিছু বিধি-নিষেধে শিথিল আনা হচ্ছে। তার মধ্যে বিভাগীয় শহরগুলোতে স্বাস্থবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচল করবে।

সচিব জানান, ৬ এপ্রিল থেকে শহরের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচল করবে। আন্তজেলা সবধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে পারবে না।  লঞ্চ এবং ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। এ সময় তিনি পোশাক কারখানায় ৩ দিনের বেশি ছুটি দেওয়া হবে না বলেও জানান।

৫ মে শেষ হচ্ছে চলমান লকডাউন।  সেটি আরেক দফা বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। এর আগে করোনা সংক্রমণ রোধে চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ (লকডাউন) ২৮ এপ্রিল থেকে ৫ মে মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়িয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, দোকানপাট ও শপিংমল সকাল ১০টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে খোলা রাখা যাবে। স্বাস্থ্যবিধি পতিপালনের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শ্রম মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট বাজার/সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।  নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা পর্যন্ত লকডাউন বা বিধি-নিষেধ ঘোষণা করে সরকার। তবে এ সময়ে গণপরিবহন, মার্কেট সীমিত সময়ের জন্য চালু রাখা হয়। পরে ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত এক সপ্তাহের জন্য কঠিন লকডাউনে যায় সরকার।  সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় লকডাউন ২২ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় লকডাউন বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু তাতেও করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফলে চলমান লকডাউন আরেক দফা বাড়িয়ে ৬ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে।


অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_