বৃহস্পতিবার-২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ১০:০২

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ আড়াই কোটি টাকা ভ্যাট দিল ফেসবুক ১৮ বছর বয়সীদের টিকার নিবন্ধন ৮ আগস্ট থেকে বিধিনিষেধ: রাজধানীতে ৫৬৮ জন গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে করোনা আক্রান্ত হয়ে ভাই বোনের মৃত্যু শ্রীমঙ্গলে রাজাপুর গ্রাম থেকে গুইসাপ উদ্ধার, পরে বনে অবমুক্ত ডোমারের চিলাহাটি রেলষ্টেশন ট্রাইলে ভারতীয় ২টি পাওয়ার ইঞ্জিন। সুজানগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার টিকা গ্রহীতাদের উপচেপড়া ভীড়

‘সিংহদরজা’ পেরিয়ে অনন্তলোকে

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১ , ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: জীবনেরই অনিবার্য অংশ মৃত্যু। কিন্তু তারপরও এই অনিবার্যতা মেনে নিতে মন সায় দেয় না। যে কোনো মৃত্যুই বেদনার। তার ভার বহন করা কষ্টের। সে মৃত্যু যদি হয় একজন সৃষ্টিশীল মানুষ তথা নিরন্তর সৌন্দর্য আর জীবনপিপাসু কবির, তাহলে তা আরও দুঃসহ কষ্টের। সেই দুঃসহ বেদনায় আমাদের ম্রিয়মাণ করে দিয়ে চলে গেলেন বিশ শতকের ষাটের দশকের বিশিষ্ট কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতির অঙ্গনে। করোনাকালীন বিধিনিষেধ আর লকডাউনের কারণে হাসপাতালে গিয়ে তাকে দেখতে পারেননি আমার মতো অনেক অনুরাগী শুভার্থী। কিন্তু প্রতিদিন দেশের সংবাদপত্র-টিভি চ্যানেল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে ছিল সরব। ফেসবুকে প্রতিদিন তার চিকিৎসার খোঁজখবর জানার পাশাপাশি হাজারো ভক্ত-অনুরাগী, সুহৃদ-স্বজন প্রার্থনা করেছেন তার রোগমুক্তির। কিন্তু সব প্রার্থনা আর আকুতি অতিক্রম করে তিনি ২৪ মে সোমবার রাত ১১টার পর চলে গেলেন এমন এক জগতে, যেখান থেকে কেউ কোনোদিন ফিরে আসে না। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার সকালে যখন তার মরদেহ নিয়ে আসা হলো, তখন এক শোকবিহ্বল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একাডেমির উপপরিচালক কবি সরকার আমিন যখন মাইকে বলছিলেন- আমাদের শ্রদ্ধেয় মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী শেষবারের মতো এলেন তার কর্মস্থল বাংলা একাডেমিতে, তখন থমথমে হয়ে যায় সবার মুখ। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সরকার তাকে চুক্তিভিত্তিক বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়। যোগদানের মাত্র দু’মাসের মধ্যে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। সেই মেলাকে এমন আকর্ষণীয়ভাবে সেবার ছক করে সাজিয়েছিলেন কবি-মহাপরিচালক, যা আমাদের অনেককেই মুগ্ধ করেছিল। কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী যে বুয়েটের একজন দক্ষ ছাত্র একদার- তার প্রকৌশল বিদ্যার সেই পরিচয় অমর একুশে আর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আসন্ন জন্মশতবর্ষের মহিমা মাথায় রেখে বিন্যস্ত ২০১৯ সালের বইমেলায় মূর্ত হয়ে উঠেছিল। বইমেলা সামনে রেখে বিটিভি থেকে প্রতিবেদক পাঠিয়েছিলাম মেলার প্রস্তুতি বিষয়ে নবাগত মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর বক্তব্যসহ প্রতিবেদন করার জন্য। ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের আত্মদানের ইতিহাস প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি জাতির পিতার জন্মশতবর্ষের আগমনী বার্তার প্রতীকী উপস্থাপনাসহ নানা বিষয়ে তিনি কথা বললেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শের অনুসারী হিসেবে ছাত্রজীবনে ছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের সম্পাদক পদধারী। প্রকৌশলী হলেও কখনও নামের আগে প্রকৌশলী পদবি ব্যবহার করেননি। যেমন আমাদের কথাশিল্পী, সাংবাদিক আনিসুল হক বুয়েটের স্নাতক হলেও কখনও প্রকৌশলী পরিচয় লেখেন না।

এই দৃষ্টিভঙ্গির ভেতরেই লুকিয়ে রয়েছে শিল্প-সাহিত্যকে সব পরিচয়ের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়ার উন্নত রুচি তথা দৃষ্টিভঙ্গি। কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী কবিতার অঙ্গনে আসেন মূলত ষাটের দশকের দ্বিতীয়ার্ধে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, সাহিত্যে তার আগমন ঘটেছে ১৯৬৬ সালে। বাংলাদেশের ইতিহাসের এক ক্রান্তিকাল। পাকিস্তানি দুঃশাসন থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা লেলিহান হয়ে উঠেছিল ওই বছরই; যখন আওয়ামী লীগপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি দুঃশাসন থেকে বাংলার মানুষকে বের করে আনার লক্ষ্যে লাহোরে বসে ৬ দফা ঘোষণা করেন। হাবীবুল্লাহ সিরাজী তার কবিতায় শিল্পের অন্বেষণ করেছেন সত্য, কিন্তু সেই শিল্প জনসাধারণকে উপেক্ষা করে না। মানবমুক্তি তথা আত্মমুক্তির অন্বেষ ছিল তার কবিতায়। এ কারণেই ৫২, ৬৬, ৬৯, ৭০ এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ; বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ একাকার হয়ে আছে তার কবিতায়। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে একটি কবিতায় তিনি লিখলেন- তর্জনী তুলতেই/আকাশ আমাদের হয়ে গেল/পা ফেলতেই চৌহদ্দী নির্দিষ্ট হয়ে গেল/এবং তাকাতেই প্রবাহিত হতে থাকলো নদী/তার কণ্ঠস্বরে সূর্য ও সবুজ এক হলো,/’আমার সোনার বাংলা’-/স্বপ্ন ডাক দিয়েছিল টুঙ্গিপাড়ায়।/সাতচল্লিশে বনে বনে বাঘ/বাহান্নর কুমির ভেসে যায় ভাটায়/সুন্দরী কাঠের নাও পাল তুলতেই পদ্মা-যমুনা মেশে বঙ্গোপসাগরে/ ছেষট্টি ফরফর ওড়ে, চৌচির মাটি-/ঊনসত্তর পোড়ে, মচমচে বুটে ও চকচকে বেয়নেটে/সত্তর পার হয় সাহসে/একাত্তরে কলস উপুড়-রক্ত ও ক্রোধের মধ্যে ঘৃণা, ‘শুয়োরগুলো খেদা!’/বত্রিশ নম্বর এখন রক্তের গম্বুজ/তার চূড়ায় মূল দলিল, নকশা আর পর্চা… (ছোটকাগজ ‘অনুভূতি’/সম্পাদক রনি অধিকারী)। তার আরও একটি কবিতার উল্লেখ করা যায়। জাতির পিতার স্মৃতির উদ্দেশে লেখা কবিতাটির শিরোনাম ‘আমি অপেক্ষা করছি’। বাংলা একাডেমির জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ গ্রন্থমালার ‘বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত কবিতা’ সংকলনে রয়েছে কবিতাটি। না, উদ্ৃব্দত করে এই গদ্যকে কবিতাময় করে তুলব না। বরং কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর জীবন আর সাহিত্যকর্ম নিয়ে কিছু বলাই শ্রেয় মনে করছি। সিরাজী ভাইর সঙ্গে আমার পরিচয় আজ থেকে ৪২ বছর আগে। সেই পরিচয় দিনে দিনে ঘনিষ্ঠতার পত্রপুষ্পে কেবল বিকশিতই হয়েছে। বিশেষ করে দৈনিক বাংলায় কিংবদন্তি সাহিত্য সম্পাদক চল্লিশ দশকের প্রখ্যাত কবি আহসান হাবীবের সহকারী হিসেবে দৈনিক বাংলায় যোগদানের পর সিরাজী ভাইর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ আরও বাড়তে থাকে। হাবীব ভাইর চোখে ষাট দশকের প্রায় সব কবিই তখনও তরুণ কবি। প্রায় সবারই আকাঙ্ক্ষা থাকত হাবীব ভাইর হাত দিয়ে দৈনিক বাংলায় লেখা ছাপা হোক। সিরাজী ভাই আসতেন মাঝে মাঝে। চা খেয়ে গল্পগুজব করে এমন সন্তর্পণে একটি ভাঁজ করা কাগজ হাবীব ভাইর হাতে গুঁজে দিয়ে চলে যেতেন, যেন কোনো ‘অমার্জনীয় অপরাধ’ করে ফেললেন। হাবীব ভাই মুচকি হেসে হাত নেড়ে বিদায় জানাতেন। কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর এই বিনম্রতা ছিল তার চরিত্রের একটা বড় গুণ। সদা হাস্যপ্রাণ সিরাজী ভাই পরবর্তীকালেও নিজের লেখা প্রকাশের ক্ষেত্রে এই সৌজন্যবোধ এবং বিনম্রতা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। আমরা তার অনুজতুল্য স্নেহের। কিন্তু কি জনকণ্ঠ, কি সমকাল, যেখানেই কাজ করেছি; তিনি নিজের লেখার কথা কিছুই বলতেন না। গল্পগুজব আড্ডা শেষে চেয়ার ছেড়ে যেতে যেতে ভাঁজ করা কবিতাটি টেবিলে রেখে চলে যেতেন। কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী ছন্দ-আঙ্গিক মেনেই কবিতা লেখা শুরু করেছিলেন। কিন্তু ষাট দশকের অন্য কবিদের তুলনায় অনেক বেশি নিরীক্ষাপ্রবণ। তারুণ্য ছিল তার নিত্য সহচর। কঠিন কর্কটে আক্রান্ত হয়েছিলেন অনেক দিন আগে। কিন্তু পরিবারের সদস্য ছাড়া তা কাউকে জানাননি। পাছে কেউ করুণার দৃষ্টিতে যদি তাকায়! গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কার্ডিয়াক সমস্যা নিয়ে। হাসপাতালে বেশিদিন থাকেননি। শুনেছি, হার্টে রিং পরানোর পর মার্চের প্রথম সপ্তাহেই বাড়ি ফেরেন। মরণব্যাধি কর্কটের সংকট নিয়েই রাজধানীর শ্যামলীতে ‘বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে’ ভর্তি হন এবং তার স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে দ্রুত। প্রায় এক মাসের অধিক জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছেন কবি। কিন্তু কিছুতেই জীবনে ফিরতে পারলেন না জীবনতৃষ্ণ কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী। তার মতো জীবনতৃষ্ণ মানুষ আমি খুব কমই দেখেছি। দারুণ প্রাণখোলা উচ্চকণ্ঠ সিরাজী ভাই কোনো কিছু লুকাতে পারতেন বলে আমার মনে হয় না। আনন্দ পেলে যেমন উচ্ছ্বসিত হতেন, কষ্ট পেলেও তেমনই বিষণ্ণ হয়ে যেতেন মুহূর্তেই। তার কবি-জীবনের দিকে ফিরে তাকালে কত স্মৃতি মনে আসে! মনে আছে আশির দশকের শেষদিকে হয় ‘৮৮ বা ‘৮৯ সাল হবে। হাবীব ভাই মলাট ছেঁড়া কয়েকটি বই বের করলেন তার ড্রয়ার থেকে। ভেতরে কবির নাম নেই কিন্তু মুদ্রিত কবিতাগুলো পৃষ্ঠা নম্বরসহ অক্ষত। বললেন, টেনে টেনে ধীরে ধীরে পড়ো। তিনি চোখ বন্ধ করে শুনছেন। তারপর নিজের কাছে রাখা একটা শিটে কী যেন টুকে নিচ্ছেন। পরে জেনেছিলাম, সেই কবিতার বইয়ের পাণ্ডুলিপি ছিল একাধিক কবির। আহসান হাবীব পুরস্কৃত করেছিলেন যে বইটি, সেটির কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী। সেই পুরস্কার আলাওল সাহিত্য পুরস্কার। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘দাও বৃক্ষ দাও দিন’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। কিন্তু তিনি আলোচিত হন ‘মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি’ (১৯৭৭) প্রকাশের পরই। যদিও সিরাজী ভাই মনে করতেন, ১৯৮১ সালে প্রকাশিত তার ‘হাওয়া কলে জোড়াগাড়ি’তেই তিনি নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন। কবির অবচেতনা নিয়েও তার স্পষ্ট অবস্থান। এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমি অবচেতনে কিছু লিখিনি, সম্পূর্ণ সচেতনভাবে প্রতিটি শব্দ ব্যবহার করি।’ ক্রমাগত বাঁক বদল করেছেন হাবীবুল্লাহ সিরাজী। দীর্ঘ কবিতা যেমন লিখেছেন, তেমনই লিখেছেন প্রতীকধর্মী সাংকেতিক কবিতা, ছোট ছোট কবিতা। নিজের কাব্যভাষা সৃষ্টির জন্যই বাংলা সাহিত্য এবং বিশ্বসাহিত্যের অনেক খ্যাতনামা কবির কবিতায় মুহ্যমান ছিলেন। বলেছেন, প্রথম কাব্যগ্রন্থে আমার নিজের ভাষা খুঁজে পাইনি। তার সর্বশেষ অন্বেষা ছিল কত অল্পকথায় অনেক কিছু বলা যায়। জড় ও প্রকৃতির সঙ্গে ‘পঞ্চভূত’কে সংযুক্ত করার প্রয়াস পেয়েছেন। গত এক বছরে ফেসবুকে এমন অনেক টুকরো কবিতা তিনি লিখেছেন। ষাটের দশকের সতীর্থ কবিদের কবিতা সম্পর্কেও তার সুস্পষ্ট ধারণা এবং মূল্যায়ন ছিল। কথাসাহিত্যিক মোজাফফর হোসেনের সঙ্গে এক দীর্ঘ ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি তা বিশদ বর্ণনা করেছেন। বিভাগ-পরবর্তীকালের তথা চল্লিশের এবং পঞ্চাশের কবিদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই তিনি ষাটের দশকের কবিতায় আন্তর্জাতিকতা অন্বেষণের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন। ষাটের দশকের কবিতা প্রসঙ্গে বলেন :’আমাদের সমাজে একটা স্বপ্ন ছিল নতুন দেশ। সে স্বপ্ন ১৯৬৬ সালেই বঙ্গবন্ধু আমাদের দেখিয়েছেন। আমাদের স্বপ্ন ছিল ভাষা নির্মাণ করব। আমাদের সংস্কৃতিকে এগিয়ে নেব।’ সেই স্বপ্নের পথে যেতে যেতেই হাবীবুল্লাহ সিরাজী একের পর এক বাঁক বদল করেছেন কবিতার ভাষা ও বিষয়ে। যে কারণে তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘মধ্যরাতে দুলে ওঠে গ্লাস’-এর পর ‘হাওয়া কলে জোড়াগাড়ি’তে আমূল বদলে ফেলেছেন নিজেকে। আবার ‘সিংহদরজা’র কবিকে দেখি আরও বিবর্তিত। ‘কৃষ্ণ কৃপাণ’-এ অন্য এক সিরাজী। এভাবে ৪০টি কাব্যগ্রন্থ, ১০টি শিশু-কিশোর সাহিত্য বই এবং গল্প-উপন্যাস, স্মৃতিকথা ‘আমার ও কুমার’-এর এক বিশাল ভুবনে নিজেকে উৎকীর্ণ করে গেছেন হাবীবুল্লাহ সিরাজী। তাকে আমরা ভুলব না- এই হোক অঙ্গীকার। লেখক: কবি ও সাংবাদিক


আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_