মঙ্গলবার-২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ১১:৪৮

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু জিম্বাবুয়ে সফরের আগে বাংলাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার না হলে ‘হরতাল’ করোনার টিকাকে বিশ্বব্যাপী সাধারণ পণ্য ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিবগঞ্জে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে পন্ড হলো জুয়ার আসর  শেরপুরে আনসার ভিডিপির বৃক্ষরোপন উদ্বোধন এসএসসি-এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই: শিক্ষামন্ত্রী

৮৪৫ কোটি ডলারে ‘এমজিএম’ কিনছে অ্যামাজন

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১ , ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন ৮৪৫ কোটি ডলারে আইকনিক চলচ্চিত্র নির্মাতা এমজিএম কিনছে। হালের আমলে অনলাইনে ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা নেটফ্লিক্স ও ডিজনি প্লাসের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে থাকতেই বেজোস জেমস বন্ডের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এমজিএম কিনতে তার পকেট থেকে এত ব্যাপক অর্থ খরচের পদক্ষেপ নিলেন। দেড় দশক আগে ২০০৬ সালে জেফ বেজোস যখন ভিডিও সেবা ‘অ্যামাজন আনবক্স’ শুরু করেন তখনও জেমস বন্ড সিরিজসহ অনেক ‘হিট’ মুভির জন্য পরিচিত মেট্রো গোল্ডউইন মেয়ারের (এমজিএম) অবস্থা রমরমাই ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে সুবিধা করতে না পেরে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় এমজিএমের মালিক পক্ষ।

করোনাভাইরাস মহামারীতে গত বছর নভেম্বরে জেমস বন্ডের নতুন ছবি ‘নো টাইম টু ডাই’ এর কাজ না এগোনোয় আরও ধাক্কা খায় ৯৭ বছরের চলচ্চিত্র ও টিভি স্টুডিওটি। এমজিএম এর হতাশাকেই নিজেদের জন্য সুযোগ হিসেবে বেছে নেন জেফ বেজোস। যে কোনো মূল্য ঐতিহাসিক এই স্টুডিওকে নিজেদের করে নিতে চান। তাই অ্যামাজন অন্য সম্ভাবনাময় ক্রেতার চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি দর হেঁকে এ চুক্তি নিশ্চিত করে। অ্যামাজন ডটকম বুধবার আলোচিত এই চুক্তির ঘোষণা দেয়। এটি অ্যামাজনের দ্বিতীয় বৃহত্তম অধগ্রহণ। এর আগে ২০১৭ সালে ১৩.৭ বিলিয়ন ডলারে হোল ফুড মার্কেট কিনেছিল বেজোসের প্রতিষ্ঠানটি। অন্য ক্রেতাদের মধ্যে অ্যাপল ও কমকাস্টের মতো বড় ব্র্যান্ডও ছিল। প্রতিযোগীর তালিকাটা আরও দীর্ঘ। এইচবিও ম্যাক্স, প্যারামাউন্ট প্লাসের মতো প্রতিষ্ঠানও রয়েছে স্ট্রিমিংয়ের ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। এর আগে ২০১৬ সালে চীনা এক কোম্পানি ৮০০ কোটি ডলারে এমজিএম কিনতে চেয়েছিল। চুক্তি প্রায় হয়েই গিয়েছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে সব বদলে যায়। এমজিএম হলো একটি আইকনিক মুভি স্টুডিও যা হলিউডের জেমস বন্ড সিরিজটি দিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে। শুধু জনপ্রিয় এই মুভি সিরিজি নয়, ১৯২৪ সালে মার্কাস লো ও লুইস বি মায়ার প্রতিষ্ঠিত পুরনো স্টুডিওটির ঝুলিতে দর্শকপ্রিয় ফারগো, ভাইকিংস ও শার্ক ট্যাংকের মতো টিভি শো রয়েছে। এপিক্স কেবল চ্যানেলেরও মালিক এমজিএম। প্রায় ১০ দশক ধরে এমজিএম স্টুডিওর কাছে হলিউডের গোল্ডেন ডে থেকে বর্তমান পর্যন্ত অনেক ব্লকবাস্টার মুভি ও টিভি শো রয়েছে। বেন-হুর, দ্যা উইজার্ড অব ওজসহ বিখ্যাত অনেক মুভিই বানিয়েছে তারা। অনেক ক্ল্যাসিক মুভি ও টিভি শোসহ স্টুডিওটির কাছে আছে ৪ হাজার সিনেমা ও ১৭ হাজার ঘণ্টার টিভি অনুষ্ঠান।


অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_