রবিবার-১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সকাল ১১:১০

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ গরম ভাতে ঝাল ঝাল টুনা কারি আজ নায়ক সালমান শাহ’র জন্মদিন, বেঁচে থাকলে বয়স হতো ৫০ আবুধাবিতে প্রবেশে পিসিআর টেস্ট লাগবে না পার্বতীপুরে ইয়াবা ও হেরোইন বিক্রির অভিযোগে মহিলা মাদক ব্যবসায়ী আটক নতুন নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী গঠিত হবে : কাদের আগামীকাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন শিক্ষামন্ত্রী স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে’

আয়াশের কাছে তার বাবা ‘সুপার হিরো’

প্রকাশ: রবিবার, ২০ জুন, ২০২১ , ৩:৩৭ অপরাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: বাবা শুধুই একজন মানুষ কিংবা কেবল সম্পর্কের উপমা নয়, বাবা মানে স্বস্তির পৃথিবী। বাবা মানে আস্থা, ভরসা এবং মাথার উপর নিশ্চয়তার এক বিশাল আকাশ। বাবার মাঝে জড়িয়ে আছে বিশালত্তের এক অদ্ভুত মায়াবী প্রকাশ। একজন বাবা তার সন্তানের জন্য কতভাবে অবদান রেখে যান, তার চুলচেরা হিসাব কেউ কোনদিন বের করতে পারেনি, আর পারবেও না। সকল বিপদে যিনি ঢাল হয়ে সন্তানকে আগলে রাখেন তিনি-ই তো বাবা।

প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবারকে ধরা হয় ‘বাবা দিবস’। সেই হিসাবে আজ, ২০ জুন বিশ্ব বাবা দিবস। বিশেষ এই দিবসে টেলিভিশন পর্দার সুপারস্টার জিয়াল ফারুক অপূর্ব’র একমাত্র সন্তান জায়ান ফারুক আয়াশের অনুভূতি তুলে ধরা হলো…

‘আয়াশের কাছে তার বাবা শ্রেষ্ঠ। তার কাছে তার বাবা সুপার হিরো।’- আয়াশের ভাষ্যগুলো এভাবেই বলছিলেন তার মা নাজিয়া হাসান অদিতি।

তিনি বলেন, আয়াশ তো অনেক ছোট, এসব দিবসগুলো তার মনে থাকে না। আমি তাকে রাতে মনে করিয়ে দেই। এরপর সে তার বাবার জন্য একটা কার্ড বানিয়েছে, যেটাতে লিখা- ‘হ্যাপি ফাদার্স ডে! আই লাভ ইউ পাপা, দিস ইজ ফর ইউ পাপা।’ লেখার পাশাপাশি সেখানে নিজেকে ও তার বাবাকে এঁকেছে।

আয়াশ তার বাবাকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছে, সেজন্য আমি তাকে রাত ১২টার দিকে অপূর্ব’র বাসায় পৌঁছে দিয়ে আসি। তখনো ওর বাবা শুটিংয়ে। সে জানতো না যে, আয়াশ বাসায় এসেছে। বাবাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য আয়াশ বাসায় লুকিয়ে থাকে অনেকক্ষণ। অপূর্ব বাসায় ফিরলে তাকে চমকে দেয়। বাবার জন্য সে বাগান থেকে একটা হলুদ ফুল আর চিরকুট নিয়ে যায়।

জানা যায়, বাবা অপূর্বও বিশেষ এই দিবসের কথা ভুলেননি। যার কারণে শুটিং শেষে বাসায় ফেরার পথে ছেলের জন্য হ্যারিপটারের নোটবুক ও আরও কিছু গিফট নিয়ে বাসায় আসেন। ছেলেকে সারপ্রাইজ দিবেন বলে ভাবলেও ছেলেই আগে বাবাকে সারপ্রাইজ দিয়ে দেন।

সারাদিনের কাজের ক্লান্তির পর বাসায় ফিরে ছেলেকে বুকে জড়িয়েই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন অপূর্ব। বাবা-ছেলের বাইরেও দুজনের একটা সম্পর্ক আছে, সেই সম্পর্কটা বন্ধুত্বের-ভালোবাসার। ছেলের আবদার-অনুরোধে অপূর্ব সাড়া দেন মুহূর্তেই। ছেলের কাছ থেকে এমন সারপ্রাইজ পেয়ে সত্যি আপ্লুত অপূর্ব।

অপূর্ব বলেন, ‘আয়াশ খুব লক্ষী একটা বাচ্চা। আমার সবকিছুই বোঝে। ওকে কখনো বকা দিতে হয় না। ও জানে আমি কী পছন্দ করি, কী করি না। ওর কাছ থেকে পাওয়া প্রত্যেকটা উপহারই আমার কাছে সেরা ও শ্রেষ্ঠ।’

অপূর্ব জানান, ছেলের সঙ্গে প্রচুর রেসলিং খেলেন তিনি। খেলেন আরও কিছু গেমসও। আর এসব খেলায় ছেলের কাছে হেরে যাওয়াতেই তার যত আনন্দ। একটু সময় পেলেই দুজন ঘুরতে বের হন, হাসি-ঠাট্টায় মেতে ওঠেন। অভিনেতার ভাষ্য, ‘ও আমার হাতের স্টেক খুব পছন্দ করে। সময় পেলেই ওকে স্টেক বানিয়ে খাওয়াই।’

ছেলের জন্য নতুন রেসিপি বানানো শিখতেই হয়তো আজকাল অনেক ফুড ভ্লিগিং দেখছেন অপূর্ব। বাসায় ফিরে সময় পেলেই ফুড রেঞ্জার, অ্যারাউন্ডি মি বিডি, ভিল ফুড প্রভৃতি অনুষ্ঠান দেখছেন তিনি।

শিহাব শাহীন পরিচালিত ‘বিনি সুতোর টান’ নাটকে অভিনয়েও অভিষেক হয়ে গেছে অপূর্বপুত্র আয়াশের। সেই নাটকটি দর্শক এতই পছন্দ করেছেন যে কোটি ভিউও পেরিয়ে গেছে। তবে এখনি জোর করে ছেলেকে অভিনেতা বানাতে চান না অপূর্ব।


বিনোদন বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_