মঙ্গলবার-২৭শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-দুপুর ১২:১০

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ করোনা: রাজশাহী মেডিকেলে আরও ২১ মৃত্যু ফুলবাড়ীতে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের ২৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত॥ তিন মিনিটে স্বর্ণ জয় নোরার চীনকে টপকে শীর্ষে জাপান এলিমিনেশন রাউন্ডে রুদ্ধশ্বাস জয় পেলেন রোমান সানা অলিম্পিকে অ্যাথলিটরা মাস্ক খোলার অনুমতি পেলেন কুষ্টিয়া হাসপাতালে আরও ১৯ জনের মৃত্যু

জলঢাকায় এবার পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভানা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১ , ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: দেশের যেসব স্থানে পাট চাষ বেশি হয় তার মধ্যে অন্যতম নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং গত কয়েক বছর ধরে ভালো দাম পাওয়ায় এ পাট চাষে ঝুকছে জলঢাকার কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি বিভাগও এবার জলঢাকায় পাট চাষের বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌমুমে জলঢাকা  উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হলেও পাট চাষ হয়েছে প্রায় ১০ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে।

এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। আকস্মিক কোনও দুর্যোগ না হলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করছে কৃষি বিভাগ।

কৈমারী ইউনিয়নের  গাবরোল  গ্রামের কৃষক মো.  সুবান  বলেন, প্রতি একর জমিতে পাট চাষে শ্রমিক ও চাষ বাবদ খরচ হয় প্রায় ১৫ হাজার টাকা। আর বীজ, রাসায়নিক সার ও সেচ বাবদ খরচ হয় আরও  ১৮ হাজার টাকা। এতে করে প্রতি একরে খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে একর প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ মণ পাট পাওয়া যায়। গড়ে প্রতি মন পাট আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা করে হলে দাম পাওয়া যায় প্রায় ১ লাখ টাকা থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার মতো। পাট ঘরে তোলা, বাছাই ও বাজারজাতকরণে আরও প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ বাদ দিলেও লাভ থাকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। তবে এই দামে পাট বিক্রি করতে হলে মৌসুমের শুরুতেই নয়, একটু অপেক্ষা করতে হয়।

জলঢাকা  উপজেলার  ডাউয়াবারী  গ্রামের কৃষক আলম জানিয়েছেন, বিগত কয়েক বছর ধরে ভালো ফলনের পাশাপাশি ভালো দাম পাওয়ায় দিন দিন পাট চাষে তাদের আগ্রহ বাড়ছে। এ বছর পাটের বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।

বালাগ্রামের কৃষক মো. মফিজুর,  জোমাদ্দার জানান, গতবার পাটের ভাল দাম পেয়েছেন কৃষকরা। তাই অধিক লাভের আশায় এবারও তারা পাট চাষের প্রতি ঝুঁকছেন। তাছাড়া এবার আবহাওয়া ভালো রয়েছে। প্রাকৃতিক কোনও দুর্যোগ না হলে এবার পাটের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা যায়। সেচ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সার ও কীটনাশক দিলেই ভালো ফলন পাওয়া যায়।

ইউনিয়ন ভিত্তিক উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে লোহাগড়ার কৃষকদের কাছে পাট প্রধান অর্থকরী ফসল। তাই দিন দিন তারা এর আবাদে ঝুকছেন। কৃষকরা যেন কোনও ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হয় সেজন্য কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  জানিয়েছেন, পাটের ভালো ফলন হয়েছে। এবার আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। এটি বজায় থাকলে পাটের বাম্পার ফলন হবে।


ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_