রবিবার-২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সন্ধ্যা ৬:৩৬

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ শিবগঞ্জে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রয় শুরু  ডোমারে খোলা বাজারে ওএমএস এর চাল ও আটা বিক্রয়ের শুভ উদ্বোধন। পার্বতীপুরে খোলা বাজারে চাল-আটা বিক্রি শুরু সংক্রমণ বাড়তে থাকলে হাসপাতালে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রামে ওএমএস’র বিশেষ কার্যক্রম উদ্বোধন করোনার টিকা নিতে ১ কোটি সাড়ে ১৮ লাখ মানুষের নিবন্ধন টানা ৬ দিন বন্ধের পর আজ থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

মীরাক্কেলের ১৫ বছরের জন্মদিনে স্মৃতির সরণিতে মীর

প্রকাশ: সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১ , ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ২০০৬ সালের ১২ ই জুন ছোটপর্দার জনপ্রিয় কমেডি শো ‘মীরাক্কেল’র পথ চলা শুরু হয়েছিল। ২০০৬ থেকে ২০২১; মাঝখানে পেরিয়ে গেছে পনেরোটা বছর। এই পনেরো বছরে এক এক করে দশটা সিজন অতিক্রম করেছে মীরাক্কেল।

মীরাক্কেল শোয়ের সঙ্গে মীরের নামটি প্রায় সমার্থক। মীরাক্কেলের মুখ হিসেবে দর্শক মীরকেই চেনেন। বহুদিন মীরাক্কেলের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন মীর। আজ সকালে মীর নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একটি কেকের ছবি শেয়ার করে লেখেন,” শুভ জন্মদিন মীরাক্কেল। শুভ জন্মদিন ব্যান্ডেজ। আজ পনেরো পূর্ণ।”

২০০৬-এ দাঁড়িয়ে বাংলা স্ট্যান্ড আপ কমেডি শো শুরু করাটা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল এমনটাই জানিয়েছেন মীর। কেমন ছিল মীরাক্কেলের শুরুর দিনগুলি? সেই প্রসঙ্গে মীর এক্সক্লুসিভলি খাস খবরকে জানালেন, “আজ শুধুমাত্র মীরাক্কেলের পনেরো বছরই নয়। মীরাক্কেলের পনেরো বছরের সঙ্গে সঙ্গে আমার গানের দল ‘ব্যান্ডেজ’-এরও পনেরো বছর পূর্ণ হল।

‘১২ই জুন হেসে খুন’ এই ক্যাপশন দিয়ে ২০০৬ তে আমরা পথ চলা শুরু করেছিলাম। আমরা তখন জানতাম না দর্শকরা কীভাবে রিয়াক্ট করবেন। কারণ তার আগে কখনও বাংলা টেলিভিশনে স্ট্যান্ড আপ কমেডি শো হয়নি। দর্শকদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আমি খুব সন্দিহান ছিলাম। টেলিভেশন জগতে এই শো আমাকে যে প্রাপ্তি, ভালোবাসা দিয়েছে তা আমার জীবনে আমি খুব কমই পেয়েছি।

দশম সিরিজ আমরা সম্প্রতি শেষ করেছি। আমি জানিনা আবার কোনও দিন মীরাক্কেল হবে কী না! এতগুলো বছর ধরে দর্শকদের আমি এই শোয়ের মাধ্যমে এন্টারটেইন করতে পেরেছি এটা আমার কাছে একটা বড় প্রাপ্তি।”

শুরু হওয়ার পর থেকে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে মীরাক্কেলের দশটি সিজন শেষ হয়েছে সম্প্রতি। পনেরো বছর ধরে দশটি সিজনে দর্শকদের একইভাবে আকৃষ্ট করাটা মোটেই সহজ কাজ ছিল না। “দর্শকরা মীরাক্কেল দেখতে আরম্ভ করলেন।

ভালো বললেন, গালাগালিও দিলেন। কিন্তু মীরাক্কেল দেখা ছাড়লেন না। এটা সত্যিই একটা বড় পাওয়া। যেখানে চ্যানেল থেকে আমাদের মাত্র তিন মাসের সময় দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল যদি টিআরপি না বাড়ে তাহলে তিন মাসের মধ্যেই শো গুটিয়ে ফেলা হবে। তাই আমরা শুরুই করেছিলাম ব্যাকফুটে।” বললেন মীর।

মীরাক্কেলের পনেরো বছরের জার্নিতে একটা বড় অবদান পরিচালক শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায়ের। শুরুর দিকে মীরাক্কেল পরিচালনা করতেন রাজ চক্রবর্তী। পরবর্তীকালে রাজের জায়গায় আসেন শুভঙ্কর। কথায় কথায় মীর বললেন, “মীরাক্কেলের একদম শুরুর দিকে শুভঙ্কর তখন চ্যানেলে চাকরি করতেন। তার সঙ্গেই মীরাক্কেলের এক্সিকিউটিভ প্রডিউসারের দায়িত্ব সামলাতেন।

শুভঙ্কর বারুইপুর থেকে কলকাতা ট্রেনে যাতায়াত করতেন। তখন পার্কস্ট্রিটে আমাদের অফিস ছিল। আমার মনে আছে যখন টিআরপি একটু বাড়ল তখন উনি বারুইপুর থেকে পার্ক সার্কাস নেমে প্রায় দৌড়ে অফিসে এসেছিলেন আনন্দে।”

মীরের আক্কেল থেকে মীরাক্কেলের জার্নি শুরু। সঞ্চালনার দায়িত্বে থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে মীরের মীরাক্কেল নামটি পছন্দ ছিল না। মীরের মনে হত মীরাক্কেল নামটা বড্ড বেশি আত্মকেন্দ্রিক। মীরাক্কেল নামটাও কিন্তু মীরের দেওয়া নয়। চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তৎকালীন এক কর্তার দেওয়া নাম মীরাক্কেল।

তাঁর নামের সঙ্গে আজকে মীরাক্কেল নামটা জড়িয়ে গিয়েছে। সেটা স্বয়ং মীরের কেমন লাগে? এই প্রশ্নের উত্তরে মীর হাসতে হাসতে বললেন,”গ্রামে গঞ্জে আমার এমন অভিজ্ঞতাও হয়েছে যেখানে আমাকে চিনতে পেরে অনেকে বলেছেন আপনি ‘মীরাক্কেলের ছেলে’ না? আমাকে মানুষ একটা সময় ‘মীরাক্কেলের ছেলে’ বলেও সম্বোধন করেছেন।”


বিনোদন বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_