মঙ্গলবার-২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সকাল ১১:১৬

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ টেকসই ভবিষ্যতের জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ছয় দফা সুপারিশ রাজারহাটে জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ ফোকাস গ্রুপের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সুজানগরে বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ ও ৬ষ্ঠ বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত আবারও বিয়ে করেছেন ইভা রহমান শ্রীমঙ্গলে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক ৭ আপ ৮ ডাউন এক জোড়া মেইল ট্রেন এখনো বন্ধ সান্তাহার-পঞ্চগড় রুটের ।। লালপুরে ইমো প্রতারক চক্রের আরো ৬ সদস্য আটক

লালমনিরহাটে বাড়তি দাম পাওয়ার পরেও পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১ , ১১:০০ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

 

মোঃলাভলু শেখ লালমনিরহাট থেকে। লালমনিরহাটে বাড়তি দাম পাওয়ার পরেও পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা। জানা গেছে, সোনালী আঁশখ্যাত পাটের উৎপাদন ধারাবাহিক ভাবে কমছে। পাটের সোনালী অতিত এখন কেবলই ইতিহাস। এর পরেও পুরোনো ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে অবিরাম লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে পাটচাষীরা। দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ রপ্তানি আয়ের এখাত এখন পাট সংকটে ধুঁকছে। কাঁচা পাট সংকটের কারনে দেশের ৫০ টি পাট কল বন্ধ হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাটে বাড়তি দাম পাওয়ার পরেও পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা। আর এর পেচনে অন্যতম কারণ হলো পাট পচানোর প্রয়োজনীয় পানির অভাব এবং পাটের দামে মজুূদারদের কারসাজির কারনে কৃষকের লোকসানের শঙ্কা। এছাড়া পাট বীজ আমদানি নির্ভর হওয়ায় প্রতিবছরেই ঝুঁকিতে থাকে উৎপাদন লক্ষ্যমাএা। এর পরেও চলতি মৌসুমে এক বুক সপ্ন নিয়ে পাট চাষ করেছে লালমনিরহাটের কৃষকরা। রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সবুজ পাট কে রুপান্তরিত করেন সোনালী বণেঁ। এর পরে বিক্রি করতে গিয়ে পরে দুবিঁপাকে। লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর মঙ্গলবার ২১ জুন জানান, চলতি মৌসুমে জেলার ৫উপজেলায় পাট চাষে লক্ষ্যমাএা ধরা হয় ৪হাজার৬৪০ হেক্টর জমিতে এবং আবাদ হয়েছে ৪হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে। অন্যান্য বছরের তুলনায় কম। দেশে প্রায় পাটচাষী ২০ লাখ হলেও এখাতে নিভঁরশীল ৪০ লাখ মানুষ। গত ২ বছরে বাজারে পাটের দাম বেশ ভালো যাচ্ছে। এর পরেও পাট চাষে কৃষকের আগ্রহ দিন দিন কমে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের লোক ও কৃষকের সাথে কথা বলে জানাযায়, প্রতি বছর পাটের দামে অস্বাভাবিক ওঠা-নামার কারনে কৃষকে লোকসানের মুখ দেখতে হয়। ফলে পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষক। এ ফসল কে ধরে রাখতে কৃষক যেন ন্যায দাম পায় সেদিকে সরকারী ভাবে কঠোর নজরদারী ও পাট খাতে প্রয়োজনীয় সহযোগীতার উপর জোরদাবী জানান, সাধারন কৃষকরা। কৃষি বিভাগ জানান,এবছর দেশী, তোসা ও কেনাপ জাতের পাট চাষ করা হয়েছে। যা আগামী এক মাসের মধ্যে বাজারে নতুন পাট পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী কৃষি বিভাগ। তবে বৈরিআবহাওয়া না হলে এবছর পাটের বাম্পার ফলন হবে। গত বছরের আবাদী পাট প্রতি মন তোসা প্রায় ৬ হাজার, দেশী প্রায় ৫ হাজার এবং মেস জাতের পাট ৫হাজার ৫শত টাকা প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে বলে পাট ব্যবসায়ীরা জানান।


রাজশাহী,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_