শনিবার-২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ৪:২০

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ কলা খাবেন যে কারণে আজ টেলিভিশন সাংবাদিকতার রূপকার মিশুক মুনীরের জন্মদিন স্কুলে এসে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি: শিক্ষা উপমন্ত্রী বাংলাদেশ ‘উন্নয়নের বিস্ময়’ ফুটবলে ক্যারিশমা দেখিয়ে অষ্টমবারের মতো গিনেস বুকে বাংলাদেশের ফয়সাল ম্যাচ জয়ের পর ২৪ লাখ রুপি জরিমানা কলকাতার পাঁচবিবিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন বিশ্বস্ত অংশীদার

প্রকাশ: শুক্রবার, ২ জুলাই, ২০২১ , ৯:২১ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বকে নতুন উচ্চতায় নিতে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে একযোগে কাজ করতে চাওয়ার আকাক্সক্ষা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনকে বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্ট ও দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান শি চিনপিংকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় এই আকাক্সক্ষা প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শতবর্ষে ক্ষমতাসীন দলটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক আরও নিবিড় করার কথা বলেছেন সরকারপ্রধান। এই শুভেচ্ছাবার্তা তিনি শুরু করেন ‘নি হাও’ (মান্দারিন ভাষায় হ্যালো) বলে, আর শেষ করেন ‘শে শে তাও চিয়া’ (ধন্যবাদ) বলে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন শীর্ষ সারির দেশ চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি সাড়ম্বরে দলের শতবর্ষ উদযাপন করছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বড় অংশীদার এখন চীন। ভিডিও বার্তায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা করায় চীন ও কমিউনিস্ট পার্টির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ চীনকে বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবেই বিবেচনা করে। কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে টিকা উপহার এবং আওয়ামী লীগকে সিপিসির স্বাস্থ্যসামগ্রী পাঠানোয় চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

এই সম্পর্ক বহুমাত্রিক করার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে আশা করি, দুই দেশের মধ্যে যে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে তা সামনের দিনগুলোতে আরও গাঢ় হবে।’ বিশ্বের প্রাচীন দুই সভ্যতার পাদপীঠ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিপ্লবোত্তর চীন নিয়ে মুগ্ধতার কথাও বলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

পাকিস্তান আমলে ১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে তরুণ রাজনীতিক হিসেবে চীন সফর করেছিলেন বঙ্গবন্ধু; চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে দেশ গঠনে চীনাদের উৎসাহ ও আস্থার কথা তিনি তার লেখা ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইয়ে লিখে গেছেন। শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর সেই সফর আওয়ামী লীগের সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের পথ তৈরি করে দেয়।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির দূরদর্শী নেতৃত্বে মাত্র কয়েক দশকে দেশটির উন্নতির শিখরে ওঠার বিষয়টি তুলে ধরে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকেও উন্নত দেশে উন্নীত করার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করার কথা বলেন শেখ হাসিনা। আর এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক দুই দেশের নাগরিকদের জন্য বড় সুফল বয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


জাতীয়,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_