রবিবার-২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সন্ধ্যা ৬:৫৯

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ শিবগঞ্জে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রয় শুরু  ডোমারে খোলা বাজারে ওএমএস এর চাল ও আটা বিক্রয়ের শুভ উদ্বোধন। পার্বতীপুরে খোলা বাজারে চাল-আটা বিক্রি শুরু সংক্রমণ বাড়তে থাকলে হাসপাতালে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রামে ওএমএস’র বিশেষ কার্যক্রম উদ্বোধন করোনার টিকা নিতে ১ কোটি সাড়ে ১৮ লাখ মানুষের নিবন্ধন টানা ৬ দিন বন্ধের পর আজ থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

যশোরে গত এক মাসে ৩৯ নার্স করোনায় আক্রান্ত

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১ , ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: যশোরে হাসপাতালে আগত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সম্মুখযোদ্ধা নার্সরা। গত এক মাসে হাসপাতালের ৩৯ জন নার্স এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে বুধবার পর্যন্ত ১৫ জন সুস্থ হয়ে কাজে যোগদান করেছেন। বাকি ২৪ জন হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

 

খুলনা বিভাগ জুড়ে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে। সীমান্তবর্তী জেলা যশোরও এ পরিস্থিতির বাইরে নয়। জেলায় মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। গত এক সপ্তাহ যাবৎ যশোরে প্রতিদিনই ১২ থেকে ১৭ জন মারা যাচ্ছেন। বুধবার মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৪ জন। এ কারণে যশোর
জেলা দেশের মধ্যে রেডজোনে পরিণত হয়েছে।

 

এদিকে, জেলার প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গণমানুষের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত নার্সরা ভালো নেই। তারা মানুষকে সেবা দিতে গিয়ে একের পর এক করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। গত ১ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত তাদের আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯ জন। এ তথ্য দিয়েছেন হাসপাতালের উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক ফেরদৌসি বেগম।

 

তিনি জানান, হাসপাতালে কর্মরত নার্স রয়েছেন ২৩২ জন। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা ২৭৮টি। করোনা সংক্রমক ওয়ার্ড রেডজোন, ইয়েলোজোন, জরুরি বিভাগে এসব নার্সদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। আর এ কাজ করতে গিয়েই তারা করোনার শিকারে পরিণত হচ্ছেন। আক্রান্ত সেবিকাদের বেশিরভাগই বাড়িতে
থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতালে কর্মস্থলে ফের যোগ দিয়েছেন ১৫ জন। বাকি ২৪ জন এখনও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ৫ জুলাই থেকে হাসপাতালের চারতলায় ৪০ বেড বিশিষ্ট নতুন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। এখানেও কয়েকজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

তিনি আরও জানান, বর্তমানে হাসপাতালে প্রয়োজনের তুলনায় নার্সের সংখ্যা কম থাকলেও মহামারির মধ্যেও তারা অবিরাম কাজ করে চলেছেন। নতুন করে ডেপুটেশনে নার্স বাড়ালে একদিকে সেবার মান বাড়বে, অপরদিকে নার্সদের পরিশ্রমও কিছুটা লাঘব হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আরিফ আহমেদ বলেন, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের চতুর্থ তলায় ৪০ বেড বিশিষ্ট আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩০টি বেডে রোগী রয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে বেড ছাড়া বাইরে কোনও রোগী নেই।

 

বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, যশোরে করোনা রোগীর সংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তাতে ডাক্তার ও নার্সরা চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। সেবার মান বাড়াতে তিনি স্বাস্থ্য বিভাগে ডেপুটেশনে কিছু নার্স চেয়ে আবেদন করেছেন। এ আবেদন অনুমোদিত হলে হাসপাতালে নার্স সঙ্কট কিছুটা কমবে বলে তিনি জানান।


করোনা ভাইরাস বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_