শুক্রবার-২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৯ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ২:৪৯

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ ২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ইউজিসির সতর্কতা সারা দেশের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু দাখিল পরীক্ষা গাইবান্ধা জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত বাতিল হচ্ছে ২১০ পত্রিকার ডিক্লারেশন

আদিতমারীতে অপহরণের ২৬ দিনেও উদ্ধার হয়নি নাবালিকা জুঁই

প্রকাশ: বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১ , ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :
মোঃ লাভলু শেখ লালমনিরহাট থেকে।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় অপহৃত কিশোরীর সন্ধ্যান পাওয়ার ২৬ দিন পেরিয়ে গেলেও কিশোরীকে উদ্ধার ও মামলা নথীভুক্ত করেনি আদিতমারী থানা পুলিশ। এদিকে অপহরণের ঘটনায় দায়েরকৃত এজাহার নামীয় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। মামলার বিবরণে জানা গেছে,
 আদিতমারী  উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের চওড়াটারী এলাকার হামিদুল ইসলামের কন্যা আরজু আক্তার জুঁই (১৪) স্থানীয়
একটি প্রাইমারী স্কুলের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী। পার্শবর্তী বানিয়াটারী এলাকার বাসিন্দা লুৎফর রহমানের বখাটে নাতী নাইম হোসেন (১৯) নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে ওই নাবালিকা কিশোরীকে প্রায় সময় উত্ত্যক্ত করতো। মাঝে মধ্যে নাইমের খালু প্রতিবেশি হালিমের বাড়িতেও বেড়াতে এসে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করতো। এক পর্যায়ে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে গত ২৫ জুলাই সন্ধ্যায় নাইম ও আরো কয়েকজন মিলে ওই নাবালিকা কিশোরীকে অপহরণ করে। পরদিন প্রতিবেশি হালিম খবর দেয় নাবালিকা ওই কিশোরী নাইমের নিজ বাড়ি বগুড়া সোনাতলা উপজেলার হলুদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। পরে কিশোরীর বাবা হামিদুল ইসলাম বাদী হয়ে নাবালিকা কন্যাকে ফেরত পেতে নাইমসহ ৫জনের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দায়ের করেন। এজাহার দায়েরের ১৪দিন পর থানার এসআই মিজানুর রহমান এজাহার নামীয় আব্দুল হালিম নামে এক অভিযুক্ত আসামীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে অজ্ঞাত কারনে ওইদিন বিকালেই আদিতমারী থানা পুলিশ সেই অভিযুক্ত আব্দুল হালিমকে ছেড়ে দেয় এবং নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে দিয়ে ঘটনা মিমাংশা করে নেয়ার কথা বলে।
এসময় অভিযুক্ত ছেলে নাইমের বাবা আজাদুল হক নাবালিকা কন্যাকে যৎ সামন্য টাকা দেন মোহরানায় তার ছেলের সাথে বিয়ে দেয়ার চাপ দেয়। কিন্তু ওই কিশোরীর বাবা হামিদুল ইসলাম নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে না দিয়ে ছেলের বাড়ি থেকে ফেরত আনার চেষ্টা করে ব্যার্থ হন।
নাবালিকা মেয়ের বাবা হামিদুল ইসলাম অনুনয়ের সাথে আরও বলেন, আমার মেয়ের বয়স ১৩ বছর ৮ মাস, সে বিয়ের কি বোঝে, আপনারা  আমার মেয়েকে আনার ব্যবস্হা করে দেন। আমার মেয়েকে তারা মেরে ফেলতে পারে, তাই আমার মেয়েকে আমি ফিরত চাই।
এব্যাপারে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাস এ প্রতিবেধকে বলেন, নাবালিকা জুঁই সে স্বামীর বাড়িতে আছে, সে আসবেনা বলে জানিয়েছে। থানায় দায়েরকৃত এজাহার নামীয় ৩নং অভিযুক্তকে আটক করে থানায় এনে ছেলে মেয়েকে হাজির করার দায়িত্ব দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে ৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া
নাবালিকা কন্যার কিভাবে বিয়ে হতে পারে এবং অপহৃত কিশোরীর সন্ধ্যান পাওয়ার ২৬দিনেও কেন উদ্ধার হয়নি ও এজাহার কেন নথীভুক্ত করা হয়নি? এসব প্রশ্ন করলে জৈনেক মেম্বারের কথা বলে ফোন কেটে দেন। পরে রাতেই তরিঘরি করে মামলা নথিভুক্ত করেন।

ঢাকা,রংপুর,রাজশাহী,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_