রবিবার-১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সকাল ১১:৩৯

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ বোহোমের জালে বায়ার্নের গোল উৎসব বার্নলির মাঠে আর্সেনালের জয় যেসব জুস খেলে মিলবে সুন্দর ও দাগহীন উজ্জ্বল ত্বক দ্রুত হেঁচকি উঠা বন্ধের ঘরোয়া উপায় গরম ভাতে ঝাল ঝাল টুনা কারি আজ নায়ক সালমান শাহ’র জন্মদিন, বেঁচে থাকলে বয়স হতো ৫০ আবুধাবিতে প্রবেশে পিসিআর টেস্ট লাগবে না

ভালো থাকার সহজ কিছু সূত্র

প্রকাশ: রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১ , ১২:৫১ অপরাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত নানান উত্থান-পতনের ঘটনা। জীবনে আছে আনন্দ, দুঃখ, আশা-হতাশা, পাওয়া না পাওয়ার নানা সমীকরণ। জীবনের অর্থ ও ব্যাপ্তি অনেক। জীবনের সমীকরণ অনেক সহজ আবার অনেক জটিলও। সবাইকে আঘাত দেয়া যেমন সম্ভব নয়। আবার সবাইকে খুশি করাও সম্ভব নয়। আর এই দেনা-পাওনার হিসাব চুকিয়ে চলার নামই জীবন। আপনার জীবন সুন্দর ও সহজ রাখার দায়িত্ব আপনার নিজেরই। আর সঠিক সূত্রে জীবন পরিচালিত করতে পারলেই জীবন হবে রঙিন।

জীবনকে উপভোগ্য ও সুন্দর করতে জেনে নিন কিছু সূত্র—

উচ্চাকাঙ্ক্ষা কমানোর চেষ্টা- আপনার যা আছে তা নিয়েই খুশি থাকার চেষ্টা করুন। যা নেই তা নিয়ে আফসোস করে অশান্তি বাড়াবেন না। উচ্চাকাঙ্ক্ষা কমালেই জীবনের ৭০ ভাগ কষ্ট কমে যাবে। সেই সংঙ্গে জীবনের সমীকরণও সরল হয়ে উঠবে। এছাড়া কারো থেকে কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাও এক প্রকার যন্ত্রণা। হোক সে আপনজন। আকাঙ্ক্ষা যত কমাবেন, যন্ত্রণা তত কমে আসবে।

না বলতে শিখুন- জীবনকে সহজ সমীকরণে পরিচালিত করতে ও উপভোগ করতে না বলতে শিখুন। না বলা মানে খারাপ আচরণ করা নয়। এবং যারা আপনার থেকে শুধু সুবিধা খোঁজে, তাদের ক্ষেত্রে সহজলভ্যতা কমিয়ে দিন। সম্ভব হলে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করুন। সাধ্যের মধ্যে নিজের জন্য সময় রেখে বাকি সময়ে কারো কাজ করতে পারলে করুন নতুবা সরাসরি না বলে দিন। না বলা যদিও অনেক কঠিন কাজ, তবুও এটা চর্চা করুন।দেখবেন জীবন হয়ে উঠবে আরও সহজ ও সুন্দর।

নিজেকে ভালোবাসুন- নিজেকে ভালোবাসার বিকল্প নেই। আত্মপ্রশান্তিই বড় সফলতা। যে নিজেকে ভালোবাসতে জানে না, তার দ্বারা জীবনে সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। নিজেকে ভালো রাখতে না পারলে অন্যদের ভালো রাখার তো প্রশ্নই আসে না।

নিজেকে ব্যস্ত রাখুন- সবারই জানা অলস মস্তিষ্ক শয়তানের আড্ডাখানা। ব্যস্ত থাকলে হতাশাও আঁকড়ে ধরতে ভয় পায়। কাজ না থাকলে সারাক্ষণ আজেবাজে চিন্তা মস্তিষ্ককে গ্রাস করে ফেলে। ব্যস্ততা ভালো থাকার অন্যতম মূলমন্ত্র।

অবসরে পছন্দের কাজ করুন- কেউ ঘুরতে ভালোবাসেন। কেউ ঘরে শুয়ে কিংবা বসে কাটাতে পছন্দ করেন। কেউ গাছ লাগাতে ভালোবাসেন। কারো পছন্দ বই পড়া। কেউ আবার কানে হেডফোন গুঁজে নির্জনে গান শুনতে ভালোবাসেন। প্রত্যেকের ভালো লাগার কাজ ভিন্ন। নিজের পছন্দের কাজ নিজেকেই শনাক্ত করতে হবে। অবসরে পছন্দের কাজ করলে মন খারাপের কোনো সুযোগ নেই।

স্বপ্নপানে এগিয়ে যান- প্রত্যেকের জীবনে লক্ষ্য নির্ধারণ করা খুবই জরুরি। এটাও হতাশার পেছনে অনেক বড় একটা কারণ। সময় নিয়ে নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ফেলুন। প্রয়োজনে এক সপ্তাহ, এক মাস বা আরও বেশি সময় নিতে পারেন। তবুও লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। একইসঙ্গে স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে চলুন সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে।

সহযোগিতা করুন- সাধ্যের মধ্যে কাউকে সহযোগিতা করতে পারলে নিজের মধ্যে একটা ভালো লাগা কাজ করে। যতটুকু সম্ভব অপরকে সহায়তা করুন। তবে নিজের কাজ রেখে নয়। বিশেষ করে সামর্থ থাকলে অসহায় মানুষকে সহায়তার মাধ্যমে বেশি আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়।

ক্ষমা করতে শিখুন- ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। জীবনে চলার পথে অনেকে অনেক ভুল করে থাকেন। ভুল করে না এমন কোন মানুষ নেই। তাই অন্যের দোষ ক্ষমা করতে শিখুন। এর মাধ্যমেও আত্মতৃপ্তি আসবে। আসলে আত্মতৃপ্তিই মূল সফলতা।

লেখক: শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

সূত্রঃ বাংলাদেশ জার্নাল


লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_