বুধবার-২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ৮:৪৯

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ টস জিতে ব্যাটিংয়ে হায়দরাবাদ টিকার জন্য ১১ কোটি সিরিঞ্জ কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন শিগগিরই আইপি টিভির রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজারে ট্রেন চলবে আগামী বছর ডিসেম্বরে : রেলমন্ত্রী ফরাসি মিডিয়ার রোষানলে মেসি করোনায় আরও ৩৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১,৩৭৬ সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত

স্কুল বন্ধ তাই বাগানে ব্যস্ত জাতীয় পুরুস্কার প্রাপ্ত হাতীবান্ধার কমলাচাষী শিক্ষক ফাতেমা মজুমদার

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১ , ১২:২৩ অপরাহ্ণ , বিভাগ :
মোঃ লাভলু শেখ  লালমনিরহাট থেকে।
 মহামারী করোনা ভাইরাস এর কারনে প্রায়  গত দেড়
 বছর যাবত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তাই ঘড়ে বসে সময় নষ্ট না করে কমলা
বাগান পরির্চযায় ব্যস্ত সময় পার করছেন জাতীয় পুরুষ্কার প্রাপ্ত কমলা চাষী লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পশ্চিমসারডুবী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ- শিক্ষক মোছা: ফাতেমা মজুমদার। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া পরামর্শ আর জাতীয় পুরুস্কারই আরো উৎসাহ বাড়িয়ে দেয় ফাতেমার। জানাগেছে,উপজেলার মিলন বাজার মোজাম্মেল হোসেন আহম্মেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পশ্চিম সারডুবী এলাকার খলিলুর রহমান এর স্ত্রী সহকারী শিক্ষক ফাতেমা মজুমদার গত
২০০৫ ইং সালে কমলা খেয়ে বীজ রোপন করে পরীক্ষা মুলক ১ টি চারা গাছ থেকে আজ বিশাল বাগান করতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমান নাগপুরি সহ বিভিন্ন উন্নত জাতের ৫ শতাধিক গাছে কমলা ধরেছে। চারা গাছ ও কমলা বিক্রী করে প্রতি মৌসুমে ৫ লাখ টাকা আয় করেন। ইতো মধ্যেই একজন সফল কমলা চাষী হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় ব্যপক পরিচিতি লাভ করেছেন। এছাড়াও সাংবাদিক কর্তৃক বাগানের ছবি বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর জেলা
প্রশাসক সহ একের পর এক সরকারী-বেসরকারী উচ্চ পর্যায়ের কর্তৃপক্ষের আগমন ঘটেছিল কমলা বাগান পরিদর্শনে। ২০১৪ ইং সালে শুরু হয় বাগান থেকে কমলা বিক্রী, এরই এক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কমলা চাষী হিসেবে ২০১৬ ইং সালের ৭ জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রীর দেয়া জাতীয় পুরুস্কার লাভ করেন ফাতেমা
মজুমদার। সরজমিনে গেলে কথা হয় কমলা চাষী ফাতেমা মজুমদারের সাথে, এসময় তিনি জানান, কমলা একটি অর্থকারী ফল হলেও আমরা উত্তরাঞ্চলের মানুষ হিসেব করি না। অথচ এ অঞ্চলের মাটি কমলা চাষের উপযোগি, তার বাস্তব প্রমান আমার বাগান। প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নে নারীরাও পারেন সহযোগিতা করতে। তাই আমি চুপ করে ঘড়ে বসে না থেকে কৃষি সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মে অংশ নিচ্ছি।
এখন পর্যায়ক্রমে বাগান সম্প্রসারিত করে ৫ শতাধিক কমলা গাছ থেকে কমলা ও নার্সারী থেকে হাজার হাজার কলম চারা বিক্রী করে বছরে ৫ লাখ টাকা আয়  হচ্ছে। স্বামী ও স্ত্রী ২জনেই চাকুরী জীবি (শিক্ষক) হয়েও অসম্ভব কে সম্ভব করে এ বিশাল কমলা বাগান লালমনিরহাট জেলার বহুল প্রসংশনীয় বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে জেলাবাসীর নিকট।  ২জনের চাকুরী জীবন,স্কুল টাইম ও দায়িত্ব পালন শেষে অবসর সময়ের সফলতা ও বারতি আয় বদলে দিয়েছে ১ ছেলে ও ৩ মেয়ে  সহ ৫ সদস্য’র পরিবারের ভবিষ্যৎ চলার গতি ধারাকে।তাই তিনি নিজেকে  কমলা বাগান পরির্চযায় ব্যস্ত রাখছেন।

রাজশাহী,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_