বৃহস্পতিবার-১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-১লা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-রাত ১০:৩৯

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ সুপারিশপ্রাপ্তদের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভেরিফিকেশন ফরম পূরণের নির্দেশ টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়ছেন কোহলি গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার দাবি সাংবাদিকদেরই : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী নির্বাচনী এলাকায় ২০ সেপ্টেম্বর ব্যাংক বন্ধ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : ডিএমপি কমিশনার আজও ৫১ জনের মৃত্যু বিএনপি অরাজকতা করলে কঠোর হাতে দমন: কৃষিমন্ত্রী

ভ্যাপসা গরমে আদমদীঘিতে বিক্রি বেড়েছে তালপাখা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ , ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

এএফএএম মমতাজুর রহমান আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় প্রচন্ড হারে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উপজেলাবাসী। প্রচন্ড গরমে মাঝে মাঝে বিদ্যুতের লোডশেডিং হওয়ায় মানুষের জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। প্রচন্ড গরমের হাত থেকে বাঁচতে তাই মানুষ এখন তালপাতার পাখা কিনতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজার গুলিতে গিয়ে দেখা যায়, পাখা বিক্রির হিড়িক পড়েছে। শুধু উপজেলা সদরেই নয় , বিভিন্ন ইউনিয়নের তালাপাখার দোকানগুলিতে এখন উপচে পড়া ভীড়। চাহিদা বাড়ায় পাখার দামও বেড়েছে। বছরের এই সময়টিতে পাখার চাহিদা থাকে। চৈত্র খেকে শুরু করে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত বিক্রির মৌসুম হলেও চৈত্র ও বৈশাখ মাসই পাখা বিক্রির উপযুক্ত সময়। কিন্তু এবার ভাদ্র মাসে অতিরিক্ত ভ্যাপসা গরম হাওয়ায় চাহিদা বাড়ছে তাল পাখার। সান্তাহার সোনার বাংলা বিপনী বিতানের পাইকারি পাখা বিক্রেতা ময়েন উদ্দীন জানান, হাত পাখা বেশি বিক্রি হলেও লাভ হচ্ছে কম। পাখা তৈরি করতে রং, সুতা, বাঁশ,কঞ্চি প্রয়োজন হয়। এসবের দাম বাড়ায় হাত পাখা তৈরিতে লাভ কম হচ্ছে। তাল পাখা কাপড়ের তৈরি পাখা ও সুতার তৈরি পাখাও পাওয়া যায়। পাখা কিনতে আসা স্কুল শিক্ষিকা খোরশেদা খানম জানান,’মাঝে মাঝে বিদ্যুতের সমস্যা হচ্ছে। তাই ৪টি তালপাখা কিনলাম বাসার জন্য। গরম বেশি হলে বাসার সবাই তালপাখা খোঁজে। সান্তাহার জংসন ষ্টেশন সড়কে ভ্রম্যমান তালপাখা বিক্রেতা আবুল হোসেন জানান,এ বছর করোনা ভাইরাসের কারনে সব ট্রেন বন্ধ ছিল, পাখা বিক্রি করতে পারিনি তেমন। ওই সময়ে প্রচুর পাখা বিক্রি হয়। এখন ট্রেনগুলি আবার চালু হওয়ায় পাখা বিক্রি বেড়েছে। আমার কাছে, ২০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকার তালপাতার পাখা আছে। বিভিন্ন মানের ও বিভিন্ন দামের পাখাই আমি বিক্রি করি। অন্য সময় প্রতিদিন বিভিন্ন ট্রেনে উঠে পাখা বিক্রি করি আর অবসর সময়ে সান্তাহার জংসন ষ্টেশনে তালপাখা বিক্রি করি।


রাজশাহী,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_