রবিবার-৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ-২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সকাল ৮:১৬

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ বঙ্গবন্ধুর শাসনব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করা উচিত : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আগামীকাল থেকে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু রাজনগরে অপহৃত এক শিশুকে সিলেট থেকে উদ্ধার ক্যাটরিনার বিয়েতে দাওয়াত পাননি সালমান-রণবীর! নিউজিল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ দল ঘোষণা গুরুতর আহত প্রিয়াঙ্কা শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষে শিবগঞ্জের অভিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ধর্ম নিয়ে কেউ বাড়াবাড়ি করবেন না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১ , ৩:২৪ অপরাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। সব ধর্মের মানুষ তার ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘এত রক্ত ক্ষয়, এত কিছু বাংলাদেশে ঘটে গেছে, আর যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে।’

 

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জন্মদিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুক্ত হন তিনি।

 

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খুনিদের প্রতি খালেদা জিয়ার এই যে পক্ষপাতিত্ব এটার কারণটা কী? কারণটা খুব স্পষ্ট। কারণ, খুনি মোশতাকের সঙ্গে জিয়াউর রহমান সম্পূর্ণভাবে এই খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল। এই রাসেলকে সর্বশেষে হত্যা করা হয়। বলা হয়েছিল, ওই ছোট্ট শিশুটি যেন না বাঁচে। এই নির্দেশটা কে দিয়েছিল? কারা দিয়েছিল? সব শেষে, সবচেয়ে এটাই কষ্টের।’

 

তিনি বলেন, ‘যখন বিরোধী দলে ছিলাম তখনও চেষ্টা করেছি, এখনও চেষ্টা করি এই দেশের শিশুরা তাদের লেখাপড়া, তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা, তারা যেন নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে। আজকে যেমন আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, সেই ডিজিটাল বাংলাদেশ, সেটা তৈরি করার জন্য তাদের প্রস্তুত করা, তাদের ট্রেনিং দেওয়া, সব রকম ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

 

সরকার প্রধান বলেন, ‘শিশুর নিরাপত্তা, শিশু অধিকার আইন তো জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে করে দিয়ে গেছেন। প্রাথমিক শিক্ষাটাকে অবৈতনিক করে দিয়ে গেছেন, বাধ্যতামূলক করে দিয়ে গেছেন। কাজেই আমার বাবার আদর্শ নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের এই দেশের শিশুরা যেন আর এই নির্মমতার শিকার না হয়।’

 

তিনি বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, এখনও আমরা দেখি, সেই নির্মমতা এখনও মাঝে মাঝে দেখি। পরবর্তীতেও আমরা দেখেছি। কিন্তু এইটা যেন না হয়। দেখেছি, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে কীভাবে হত্যা করা হচ্ছে জ্যান্ত মানুষগুলোকে, শিশুকে পর্যন্ত। এই খালেদা জিয়া বিরোধী দলে থাকতে অগ্নিসন্ত্রাস করে চলন্ত বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়েছে। বাপ দেখেছেন নিজের চোখের সামনে আগুনে পুড়ে সন্তান মারা যাচ্ছে। সে রকম নিষ্ঠুর ঘটনা তো বাংলাদেশে ঘটেছে। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুর্ভাগ্য এই বাংলাদেশের।’

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এইটুকু চাইবো, এখানে মানবতার প্রশ্ন যারা তোলে, তারা যেন এই ঘটনাগুলো ভালোভাবে দেখে যে বাংলাদেশে কী ঘটলো। কিন্তু আমরা সরকারে আসার পর থেকে আমাদের প্রচেষ্টা—কোনও শিশু রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে না, টোকাই থাকবে না। তাদের যেন একটা ঠিকানা থাকে, তারা যেন একটু ভালোভাবে বসবাস করতে পারে।’

 

তিনি বলেন, ‘আমাদের একটাই লক্ষ্য—এই দেশের প্রতিটি গৃহহীন মানুষ একটা ঘর পাবে। প্রতিটি মানুষ শিক্ষা পাবে। চিকিৎসা পাবে। ভালোভাবে বাঁচবে। প্রতিটি শিশু তার যে মেধা, তার যে জ্ঞান, তার যে বুদ্ধি, সেটা যেন বিকশিত হতে পারে। বাংলাদেশকে তারা যেন সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সেই চেষ্টাই আমি করে যাচ্ছি।’

 

এবিএন/


জাতীয়,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_