তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
সদ্য সংবাদ :
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: চূড়ান্ত ফল নভেম্বরে, যোগদান ডিসেম্বরে শাকিব-বুবলীর বিয়ে হয়েছে কবে? দুর্গাপুরে বিশ্ব শিশু দিবস পালিত ও পুরষ্কার বিতরণ দূর্গাপূজা  হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন সৈয়দপুর পৌর মেয়র কুড়িগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী হলেন আবু সাঈদ সরকার বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও র্্যালী শ্রীমঙ্গলের মাদক কারবারি ইয়াবাসহ রাজনগরে গ্রেপ্তার বালিয়াডাঙ্গীতে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত পার্বতীপুরে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে মোস্তাফিজুর রহমান এমপি ‘সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা’

হাঁসের খামার গড়ে খানসামায় হামিদ-লতিফা দম্পতির ভাগ্য বদল, সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা

  • প্রকাশ শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২১, ১.৩০ পিএম
  • ৬৯ বার ভিউ হয়েছে

এস.এম.রকি,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দেশীয় পদ্ধতিতে হাঁস পালন করে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ভাগ্য বদল করেছেন আঃ হামিদ ও লতিফা বেগম দম্পতি। দৃঢ় মনোবল, কঠোর পরিশ্রম আর সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে অল্প পুঁজিতেই খুব সহজে স্বাবলম্বী হওয়া যায় তার জ্বলন্ত উদাহরণ এই দম্পতি। দুখের দিন শেষ হয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে সুখ শান্তিতেই আছে হামিদ ও লতিফা বেগম দম্পতি।

জানা যায়, প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর লতিফা বেগমকে বিয়ে করেন আঃহামিদ। দ্বিতীয় স্ত্রী লতিফা বেগমের অনুপ্রেরণায় ১১ বছর পূর্বে আত্রাই নদীর কোল ঘেঁষে মাত্র ২৫টি হাঁস দিয়ে হাঁসের খামার শুরু করেন খানসামা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আঃলতিফ।  তার এই উদ্যোগে সার্বক্ষণিক পাশে রয়েছেন স্ত্রী লতিফা। মাত্র এগারো বছরের ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর বিরামহীন শ্রমে হাঁসের খামারটি আজ সফলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রতি বছরের মতই গত ৬-৭ মাস আগে বিশ হাজার টাকা দিয়ে এক হাজার হাঁসের বাচ্চা পালন শুরু করেন। সময়ের পরিক্রমায় এখন তাদের খামারে হাঁসের সংখ্যা প্রায় ৩শ টি । গত ৩-৪ মাস থেকে তাদের খামারের মধ্যে দৈনিক ডিম উৎপাদন হচ্ছে একশটি। সেটি থেকেই প্রতি মাসে এক লক্ষ টাকা আয় হয়। এটি থেকে হাঁসের খাবার ও পরিচর্যা বাবদ ব্যয় হয় মাত্র ১০-১২ হাজার টাকা। এতে সহজেই তাদের যেমন ভাগ্য বদল হয়েছে তেমনি প্রশংসাও কুড়াচ্ছেন।

এই সফল দম্পতির সফলতা দেখে অনেকেই তাদের কাছে পরামর্শ নিতে খামার দেখতে আসেন।

আঃহামিদ ও লতিফা দম্পতির সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের দুজনের সময় ও শ্রমের ফলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা সঞ্চয় হয়েছে। যা দিয়ে পুরোনো ঋণ পরিশোধ, ইটের পাকা বাড়ি ও জমি ক্রয় করে এখন সুখের জীবন কাটাচ্ছেন।

লতিফা বেগম বলেন, আমার পুরোনো অভিজ্ঞতা ও প্রাণী সম্পদ বিভাগের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খামার গড়েছি। যার ফলে অল্প পুঁজি ব্যয়ে লাভবান হয়েছি।

হাঁস খামারের প্রধান আঃহামিদ বলেন, স্ত্রীর সাহস ও শ্রমের মাধ্যমে। খামারটি আজ বড় আকার ধারণ করেছে। সেই খামার থেকেই সংসার যেমন আলোকিত তেমনি হাঁসের খামার করে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরেছে। এভাবেই প্রাণী সম্পদ সেক্টরে নতুন দিগন্তের সূচনা হচ্ছে ও বেকারত্ব কমছে।

এবিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন হামিদা-লতিফা দম্পতির হাঁসের খামার নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। সফল এই খামার দেখেই অনেকেই খামার গড়তে আগ্রহী হবে সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, সকল খামারীদের যেকোনো সমস্যা ও প্রয়োজনে চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam