মঙ্গলবার-২৫শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ-১১ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,-সকাল ৭:২৩

Reg No-36 (তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত)

শিরোনামঃ ঠাকুরগাঁওয়ে কাঠ পোড়ানোর অভিযোগে ইটভাটার তিন মালিককে জরিমানা ও মামলা পার্বতীপুরে রেলের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান সাড়ে ১৩লাখ টাকা জরিমানা আদায় ঢাকায় অমিক্রনের আধিপত্য, ৬৯ শতাংশই এই ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত করোনায় আরও ১৫ মৃত্যু, শনাক্ত ১৪,৮২৮ আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিকে আল্লুকে সিনেমার প্রস্তাব স্বামী-সন্তানসহ করোনায় আক্রান্ত অভিনেত্রী শার্লিন ফারজানা বিধিনিষেধ বাড়বে কিনা সিদ্ধান্ত ৭ দিন পর : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ সংবিধান দিবস আজ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০২১ , ৩:৪৪ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ :

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:আজ বাংলাদেশ সংবিধান দিবস। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। আর তা কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর (বিজয় দিবস) থেকে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।

 

এর আগে, সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। একই বছরের ১৭ এপ্রিল থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই কমিটি বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করে। জনগণের মতামত সংগ্রহের জন্য মতামত আহ্বান করা হয়। সংগ্রহীত মতামত থেকে ৯৮টি সুপারিশ গ্রহণ করা হয়।

 

১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়। গণপরিষদে সংবিধানের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিুবর রহমান বলেন, এই সংবিধান শহিদের রক্তে লিখিত। এ সংবিধান সমগ্র জনগণের আশা-আকাঙ্খার মূর্ত প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে।

 

মূল সংবিধান ইংরেজি ভাষায় রচিত হয় এবং তা বাংলায় অনুবাদ করা হয়। তাই, এটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিদ্যমান। তবে, ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে অর্থগত বিরোধ দৃশ্যমান হলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে।

 

বাংলাদেশের সংবিধান কেবল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনই নয়, সংবিধানে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের মূল চরিত্র বর্ণিত রয়েছে। এতে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখা বিধৃত আছে। দেশটি হবে প্রজাতান্ত্রিক, গণতন্ত্র হবে এ দেশের প্রশাসনিক ভিত্তি, জনগণ হবে সকল ক্ষমতার উৎস এবং বিচার বিভাগ হবে স্বাধীন। জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস হলেও দেশ আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

 

সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহবায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেয়া হয়। গণপরিষদ ভবন, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন- সেখানে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইনপ্রণেতা আই গাথরি। সংবিধান ছাপাতে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিল। সংবিধান অলংকরণের জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। এই কমিটির সদস্য ছিলেন শিল্পী হাশেম খান, জনাবুল ইসলাম, সমরজিৎ রায় চৌধুরী ও আবুল বারক আলভী।

 

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত আবৃত্তি ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বাহাত্তরের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা জাতীয় কমিটি।


ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


_