তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
সদ্য সংবাদ :
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: চূড়ান্ত ফল নভেম্বরে, যোগদান ডিসেম্বরে শাকিব-বুবলীর বিয়ে হয়েছে কবে? দুর্গাপুরে বিশ্ব শিশু দিবস পালিত ও পুরষ্কার বিতরণ দূর্গাপূজা  হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন সৈয়দপুর পৌর মেয়র কুড়িগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী হলেন আবু সাঈদ সরকার বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও র্্যালী শ্রীমঙ্গলের মাদক কারবারি ইয়াবাসহ রাজনগরে গ্রেপ্তার বালিয়াডাঙ্গীতে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত পার্বতীপুরে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে মোস্তাফিজুর রহমান এমপি ‘সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা’

আজ শেরপুর মুক্ত দিবস

  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩.৩৬ পিএম
  • ৬৪ বার ভিউ হয়েছে
মুহাম্মদ আবু হেলাল,শেরপুর প্রতিনিধি : আজ ৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শেরপুর অঞ্চলকে শক্রমুক্ত করা হয়। দেশের সীমান্তবর্তী এ জেলার প্রথম শক্রমুক্ত হয় ৪ ডিসেম্বর ঝিনাইগাতী, ৬ ডিসেম্বর মুক্ত হয় শ্রীবরদী উপজেলা। এর পরদিন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করা হয় শেরপুর অঞ্চলকে।
এই দিন মিত্রবাহিনীর প্রধান জগজিৎ সিং অরোরা শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে হেলিকপ্টারযোগে এসে নামেন এবং এক স্বতস্ফূর্ত সমাবেশে শেরপুরকে মুক্ত বলে ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের শেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আখতারুজ্জামান জানান, মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৯ মাসে বর্তমান শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলায় ৩০ থেকে ৪০টি খণ্ডযুদ্ধ হয়। এসব যুদ্ধে ৫৯ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।
এ ছাড়া পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতার শিকার হয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলার সোহাগপুর গ্রামে ১৮৭ জন, শেরপুর সদর উপজেলার সূর্যদী গ্রামে ৩৯ জন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার জগৎপুর গ্রামে ৪১ জন শহীদ হন। ১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী শেরপুর শহরে প্রবেশ করে। বিভিন্ন স্থানে গড়ে তোলে ঘাঁটি। শেরপুর জেলা শহরের নয়ানী বাজারে টর্চার সেল ও ঝিনাইগাতী উপজেলার আহম্মদনগর উচ্চবিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ঘাঁটিতে চালায় অমানবিক অত্যাচার ও হত্যাযজ্ঞ। অন্যদিকে স্বল্প সময়ের প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা আঘাত হানতে থাকে শত্রু শিবিরে। নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই শত্রু বাহিনীর পায়ের তলা থেকে মাটি সরতে থাকে। ১১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহের বেশ কয়েকবার কামালপুর দুর্গে আক্রমণ চালান। ১১দিন অবরোধ থাকার পর ৪ ডিসেম্বর এই ঘাঁটির পতন হয়। মোট ২২০ জন পাকিস্তানি সেনা এবং বিপুল সংখ্যক রেঞ্জার, মিলিশিয়া ও রাজাকার বিপুল অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে। কামালপুর মুক্ত হওয়ার পর হানাদার বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ে। অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধারা মিত্র বাহিনীর সহায়তায় শেরপুরে হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে আক্রমণ চালায়। কামালপুর দুর্গ দখল হওয়ার প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীর সকল ক্যাম্প ধ্বংস হয়। তারা ৬ডিসেম্বর রাতের আঁধারে ব্রহ্মপুত্র নদ পাড়ি দিয়ে জামালপুর পিটিআই ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়। এরপর ৭ ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হয় শেরপুর জেলা।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam