তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
সদ্য সংবাদ :
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিনের প্রতিকৃতিতে দুর্গাপুর পৌরসভার শ্রদ্ধাঞ্জলি নতুন দুই সিনেমায় ফজলুর রহমান বাবু আমাজনের সেরা এমপ্লয়ি কমলগঞ্জের মিজান বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ দুর্গাপুরে বঙ্গমাতার জন্মদিনে ভাইস চেয়ারম্যান সাদ্দাম আকঞ্জি’র দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ঢাকার দুই মেয়র পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা পাচ্ছেন মুরগির খামারে বিজি মারতে বানানো ফাঁদে মারা গেলেন নিজেই দুর্গাপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন পালিত সান্তাহার স্টেশনে চোর চক্রের এক সদস্য গ্রেপ্তার চিলমারীতে সোনালী ব্যাংকের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর

কাশ্মীরি আপেল কুল চাষে সফল কুমিল্লার শাহজাহান

  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২, ৫.৪৩ এএম
  • ৩৯ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্কঃ  কুমিল্লায় কাশ্মীরি আপেল কুল চাষে সফল হয়েছেন শাহজাহান নামে ২৩ বছরের এক যুবক। সে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের গোমতী নদীর তীরবর্তী ঝাকুনিপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে তিনি।

 

ছোটবেলা থেকেই শাহজাহানের স্বপ্ন ছিলো বিদেশে গিয়ে মায়ের স্বপ্নগুলো পূরণ করবে। তাই স্কুল জীবন শেষ করে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে তিনি ব্যর্থ হন। তাই বাবার গড়ে তোলা নার্সারীর পাশেই গড়ে তুলেন কাশ্মীরি আপেল কুলের বাগান। বিদেশ যাত্রায় ব্যর্থ হলেও কুল চাষে সফল হয়েছে সে। তার সে বাগান জুড়েই এখন কাশ্মীরি আপেল কুলের সমাহার।

জানা যায়, মায়ের কাছ থেকে মাত্র ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ২০১৯ সালে শখের বশে কাশ্মীরি কুল চাষ শুরু করে শাহজাহান। গোমতীর চরে ৮০ শতাংশ জমিতে রোপণ করেছিলেন কাশ্মীরি কুলের ৩৫০টি চারা। বর্তমানে তা দাড়িয়েছে ৬০০টিতে৷ সফলতা পেয়ে চলতি বছর কাশ্মীরি কুলের পাশাপাশি করেছেন বল সুন্দরী কুলের চাষ ।

 

কাশ্মিরি আপলে কুল দেখতে আপেলের মতো সবুজ ও হালকা হলুদের ওপর হালকা লাল। স্বাদ হালকা মিষ্টি, অনেকটা বাউকুলের মত। প্রচলিত আপেল কুল ও বাউকুলের থেকে আকারে বেশ বড় এই কাশ্মীরি আপেল কুল।

 

মো.শাহজাহান জানান, ৩ বছর আগে ভারত থেকে চারা আনেন তিনি। আনা-নেওয়াসহ প্রতিটি চারায় খরচ পড়ে ১৫০-১৮০ টাকা। এখন পর্যন্ত তিন বছরে তার ব্যয় হয়েছে ১ লাখ টাকা। প্রথম ও ২য় বছর মিলে তিনি লাভ করেন ৩ লক্ষ টাকা। এ বছরও প্রতিটি গাছ ৩০-৪০ কেজি করে কুল ধরেছে। এভাবে টানা ৫-৭ বছর পর্যন্ত তিনি কুল বিক্রি করতে পারবেন। প্রতি কেজি কুল ২০০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছর তিনি এখনও কুল বিক্রি শুরু করেননি। তবে দু’একদিনের মধ্যেই বিক্রি শুরু করবেন। সব মিলিয়ে এ বছর তিনি ১০ লাখ টাকার কুল বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

সুত্র:এবিএন

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam