তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
সদ্য সংবাদ :
বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সাকিবের অবিশ্বাস্য রেকর্ড আদমদীঘিতে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা তৃতীয় দিনে ৯২ হাজারের বেশি টিকিট বিক্রি শেখ হাসিনার বারতা নারী পুরুষ সমতা  উলিপুরে চেক বিতরণ অনুষ্ঠান  মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে জিএম কাদেরের ঈদ শুভেচ্ছা ফুলবাড়ীতে নেসকো কোম্পানীর বিদ্যুৎ নিয়ে ভেলকিবাজি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগস্টে নোয়াখালীতে উদ্বোধনের ২৪ ঘন্টা না যেতেই বিআরটিসি বাসঃ পুনরায় চালুর দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের লালমনিরহাট ক্যাম্পাসের একাডেমিক সেশন উদ্বোধন করেন বিমান বাহিনী প্রধান

ক্ষেপণাস্ত্র থেকে তোলা ছবি প্রকাশ করলো উত্তর কোরিয়া

  • প্রকাশ সোমবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২২, ৬.৪৩ এএম
  • ৩৬ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্কঃ দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান জানিয়েছে, জাপানের উপকূলের কাছে সাগরে পড়ার আগে এটি দুই হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় উঠেছিল।

 

উত্তর কোরিয়ার সরকারি গণমাধ্যমে বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের পর থেকে তাদের সর্ববৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা থেকে এসব ছবি তোলা হয়েছে।

এসব ছবিতে কোরিয়া উপদ্বীপ এবং আশেপাশের এলাকা দেখা যাচ্ছে। খবর বিবিসির।

উত্তর কোরিয়া জানিয়েছে, এটি ছিল হোয়াসং-১২ নামে মধ্যম পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান জানিয়েছে, জাপানের উপকূলের কাছে সাগরে পড়ার আগে এটি দুই হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় উঠেছিল।

দক্ষিণ কোরিয়ার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার পূর্ব তীরে স্থানীয় সময় সকাল ৮টার কাছাকাছি এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়।

এই মাসে সপ্তমবারের মতো উত্তর কোরিয়ার চালানো ওই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নিন্দা জানিয়েছে দেশ দুটি।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা কেসিএনএ ছবিগুলো প্রকাশ করে জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের যেখানে বোমা থাকে, সেখানে সংযুক্ত একটি ক্যামেরা থেকে ছবিগুলো তোলা হয়েছে।

দুইটি ছবিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সময়কাল উঠে এসেছে। বাকি ছবিগুলো তোলা হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশের দিকে ওঠার সময়।

জাপান এবং উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, আধ ঘণ্টায় ক্ষেপণাস্ত্রটি ৮০০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে।

উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমানবিক অস্ত্র পরীক্ষার উপর জাতিসংঘের একটি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। দেশটির উপর জাতিসংঘের কঠোর অবরোধ রয়েছে।

কিন্তু পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি নিয়মিত এসব নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। দেশটির নেতা কিম জং আন সামরিকভাবে দেশটিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ বলছে, ২০১৭ সালের নভেম্বরের পর আর এত বড় মিসাইল ছোঁড়া হয়নি।

দুটি ছবিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সময়কাল উঠে এসেছে। বাকি ছবিগুলো তোলা হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশের দিকে ওঠার সময়।

দেশটির বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি কতটা নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে যেতে পারে, সেটা দেখতেই এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। সেই সময় দেশটির নেতা কিম জং-আন উপস্থিত ছিলেন না।

উত্তর কোরিয়া বিষয়ক বিশ্লেষক অঙ্কিত পান্ডা বলছেন, কিম জং উনের অনুপস্থিতি আর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বক্তব্যের ভাষা দেখে মনে হচ্ছে, এই পরীক্ষা শুধুমাত্র নিজেদের জাহির করার জন্য করা হয়নি। বরং যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কাজ করা উচিত, সেভাবে কাজ করছে কিনা, সেটা যাচাই করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

এ জানুয়ারি মাসেই উত্তর কোরিয়া একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে। দেশটি বেশ কয়েকটি অপেক্ষাকৃত কম দূরত্বের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে সাগরে। তার মধ্যে দুইবার ক্ষেপণাস্ত্র জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপ পার হয়ে সাগরে পড়েছে।

উত্তর কোরিয়া এর আগে জানিয়েছে, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বড় আকারের পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে সক্ষম।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহ্যাপের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার ছোঁড়া মিসাইলটির সাথে ২০১৭ সালের হোয়াসোং-১২ মিসাইলের বেশ সাদৃশ্য আছে।

চলতি মাসের শুরুতে উত্তর কোরিয়া যেসব ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে তা আমেরিকা ও জাপানের ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভণ্ডুল করে দিতে সক্ষম।

২০১৮ সালে কিম পারমাণবিক অস্ত্র বা দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার উপর স্থগিতাদেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

২০১৯ সালেই উত্তর কোরিয়ার এই নেতা বলেন, তিনি আর সেই স্থগিতাদেশ মানতে বাধ্য নন।

যুক্তরাষ্ট্র জানুয়ারি মাসে উত্তর কোরিয়ার ওপর আরও কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করে, এরই প্রতিক্রিয়ায় উত্তর কোরিয়া কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই দুই দেশের মধ্যে সংলাপ থমকে গেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ন্যাভাল কমান্ডার প্রফেসর কিম ডং ইয়ুপ বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া বিচ্ছুর লেজের মতোন একটা প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করছে।’

তিনি মনে করেন, উত্তর কোরিয়ার মূল উদ্দেশ্য আক্রমণ নয়, প্রতিরক্ষা করা। তাই দেশটি ‘বৈচিত্র্যময় এক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ নিশ্চিত করছে।

বাংলাদেশ জার্নাল

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam