তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির উলিপুরে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে   র‌্যালিও  আলোচনা সভা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত শ্রীমঙ্গলে অনিবন্ধিত দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা সান্তাহারে রেলওয়ে পুলিশের অভিযানে সক্রিয় চোর দলের এক সদস্য গ্রেফতার সভাপতি আব্দুল মহিত তালুকদার, সাধারন সম্পাদক আবু হাসান নির্বাচিত রোববারের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে ব্যবস্থা কুলাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার টেক্সাস স্কুল হামলা: দেরির জন্য ভুল স্বীকার পুলিশের ফুলবাড়ীতে সরকারি ভূমি দখলকারী আখ্যা দিয়ে প্রতিপক্ষের মানবন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন॥

নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল বন্ধের ১৫ দিন পরেও মিল এলাকায় আখ মাড়াই করছে অবৈধ পাওয়ার ক্রাশার

  • প্রকাশ বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ১.৩৭ পিএম
  • ৪৪ বার ভিউ হয়েছে

 

নাটোর প্রতিনিধি
আখের অভাবে নাটোরের লালপুর উপজেলার নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল বন্ধের ১৫দিন পরেও মিল এলাকায় অবৈধ পাওয়ার ক্রাশার দিয়ে আখ মাড়াই চলছে।
মিল এলাকায় কৃষকদের মাঠে এখনো প্রায় ১০ হাজার মে.টন আখ দন্ডায়মান রয়েছে। অথচ আখের অভাবে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাত্র ৬৭ কার্যদিবসে ৫ হাজার ৬শ মে.টন চিনি উৎপাদন করে গত ১ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হয়ে গেছে লালপুর উপজেলার গোপালপুরের নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল। ২০২১-২২ আখমাড়াই মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক চিনিও উৎপাদন করতে পারেনি চিনিকলটি। চিনিকলে পর্যাপ্ত আখ না পাওয়ার কারণ হিসেবে চিনিকল এলাকায় অবৈধভাবে চালিত পাওয়ার ক্রাশারকে (যন্ত্রচালিত আখ মাড়াই কল) দায়ি করছে চিনিকল সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি চিনিকল এলাকায় অবৈধভাবে চালিত পাওয়ার ক্রাশার প্রায় ৯০ হাজার মে.টন আখ মাড়াই করেছে।
নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল সুত্রে জানাগেছে, ২০২১-২০২২ আখ মাড়াই মৌসুমে ১ লাখ ৭০ হাজার মে.টন আখ মাড়াই করে ১৩ হাজার ৬শ মে.টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ২৬ নভেম্বর আখ মাড়াই শুরু হয়। মাত্র ১ লাখ ২ হাজার ২শ ২২ মে.টন আখ মাড়াই করে ১ ফেব্রুয়ারি চিনিকলটি বন্ধ হয়ে যায়। এতে চিনি উৎপাদন হয়েছে ৫ হাজার ৬শ মে.টন। মিল চালুর প্রায় ২মাস আগে থেকে অবৈধভাবে চালিত প্রায় সাড়ে ৩শ পাওয়ার ক্রাশার এপর্যন্ত আখ মাড়াই করেছে প্রায় ৯০ হাজার মে.টন। ফলে চিনিকলটি কাংঙ্খিত পরিমান আখ ক্রয় করতে পারেনি। এছাড়া মাঠে আখচাষীদের প্রায় ১০ হাজার মে.টন আখ এখনো দন্ডায়মান রয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার মিল এলাকার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে কৃষকদের আখ মাঠে থাকার সত্যতা মিলেছে। কৃষকদের অধিকাংশই তাদের মাঠে দন্ডায়মান আখ টাকার অভাবে আগেই পাওয়ার ক্রাশার মালিকদের কাছে বিক্রি করেছেন বলে জানাগেছে।
উত্তরবঙ্গ চিনিকল আখচাষী সমিতির সভাপতি আনছারআলী দুলাল বলেন,‘নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে আখের মূল্য প্রতি মন ১শ ৪০ টাকা অথচ পাওয়ার ক্রাশার মালিকরা আখ কিনছে ২শ টাকা মন দরে ফলে অধিক লাভের আশায় চাষীরা পাওয়ার ক্রাশার মালিকদের কাছে আখ বিক্রি করেছেন। এছাড়া গত আখ উৎপাদন মৌসুমে চিনিকল কর্তৃপক্ষ আখ উৎপাদনে চাষীদেরকে পর্যাপ্ত সার, কীট নাশক দিয়ে সহযোগীতা করেনি। মিলে আখ সরবরাহের ব্যাপারে আখচাষীদের দায়বদ্ধতা ছিল কম।’
নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘গুড় তৈরী ছাড়াও আখ কাটার শ্রমিক সংকটের অজুহাতে কৃষকরা তাদের আখ মিলে সরবরাহ করেননি।’

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam