তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির উলিপুরে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে   র‌্যালিও  আলোচনা সভা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত শ্রীমঙ্গলে অনিবন্ধিত দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা সান্তাহারে রেলওয়ে পুলিশের অভিযানে সক্রিয় চোর দলের এক সদস্য গ্রেফতার সভাপতি আব্দুল মহিত তালুকদার, সাধারন সম্পাদক আবু হাসান নির্বাচিত রোববারের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে ব্যবস্থা কুলাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার টেক্সাস স্কুল হামলা: দেরির জন্য ভুল স্বীকার পুলিশের ফুলবাড়ীতে সরকারি ভূমি দখলকারী আখ্যা দিয়ে প্রতিপক্ষের মানবন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন॥

মাঘের বৃষ্টি এলো আশীর্বাদ হয়ে

  • প্রকাশ রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ৫.৫৬ এএম
  • ২৬ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্কঃ  মাঘের বৃষ্টি ফরিদপুরের চাষিদের কাছে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। শীতের শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ক্ষেতের মাটির আদ্রতা কমে গেয়েছিলো। মাটির আদ্রতা কমে যাওয়ার ফলে পেঁয়াজ বীজ, হালি পেঁয়াজ, গম, মুশুড়, কালোজিরা, ধনিয়াসহ বিভিন্ন ফসলের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হয়ে উঠেছিলো। ফসল উৎপাদন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কায় চাষিদের চোখ মুখে চিন্তার ভাজ পড়েছিলো। ঠিক তখনই অসময়ের বৃষ্টি চাষিদের আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। অসয়ের বৃষ্টির কারণে ক্ষেতে আদ্রতা ফিরে এসেছে। ফলে চাষিদের আর বাড়তি টাকা খরচ করে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হবেনা। অন্যদিকে ক্ষেতের ফসলও নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।

 

অসময়ের বৃষ্টি প্রসঙ্গে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনকারী নারী উদ্যোক্তা শাহীদা বেগম বলেন, এই বৃষ্টি আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। ক্ষেতের জো কমে গিয়ে ছিলো। জো কমেজাওয়ার কারনে ক্ষেতের ফসল সঠিক ভাবে বেড়ে উঠতে পারছিলোনা। চিন্তার মধ্যে পড়েগিয়েছিলাম কিভাবে ৩০-৩৫ একর জমিতে সেচ দিবো। অনেক টাকারও দরকার। তাছাড়া সাধারণ ফসলের ক্ষেতে সহজেই সেচ দেওয়া যায় কিন্তু পেঁয়াজ বীজের ক্ষেতে সেচ দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য। গতবছর প্রখর রোদের কারনে পেঁয়াজ বীজের ফুল শুকিয়ে গিয়েছিলো। তার পরেও সেচ দিতে পারিনি। জমিতে সেচ দিতে না পারার কারনে অনেক ফলন কমে গিয়েছিলো। এবছর বৃষ্টি আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। বৃষ্টির কারনে ক্ষেতের ফসল নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।

সদর উপজেলার নরসিংহদিয়ার আদর্শ কৃষক আলম ব্যাপারী বলেন, চলতি মৌসুমে আমি ৪৫ একর জমি চাষাবাদ করেছি। আমার জমিতে এখন আছে বারি ৪ পেঁয়াজ, বারি ৫ পেঁয়াজ, সূর্যমূখী, কালোজিরা, গম। আমার প্রতিটি ফসলে পানির প্রয়োজন ছিলো। কিছু জমিতে পানি দেওয়াও শুরু করেছিলাম। হঠাৎ গতকালের বৃষ্টিতে আমার জমিগুলো ভিজিয়ে দিয়ে গেছে। এখন আর পানি দেওয়ার জন্য বাড়তি টাকার প্রয়োজন হবে না। আল্লাহ তালার অশেষ রহমতের পানিতে আমার জমির ফসল নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।

 

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো: হজরত আলী বলেন, শীত মৌসুমের শুস্ক আবহাওয়ার কারনে মাটির আদ্রতা কমেযায়। ফলে এ সময় চাষিদের ফসলের ক্ষেতে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হয় ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য। এই বৃষ্টি চাষিদের জন্য আশীর্বাদ। চাষিদের টাকা খরচ করে ক্ষেতে সেচ দেওয়া লাগবে না। ফলে চাষিদের উৎপাদন খরচ কিছুটা হলেও কমবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam