তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির উলিপুরে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে   র‌্যালিও  আলোচনা সভা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত শ্রীমঙ্গলে অনিবন্ধিত দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা সান্তাহারে রেলওয়ে পুলিশের অভিযানে সক্রিয় চোর দলের এক সদস্য গ্রেফতার সভাপতি আব্দুল মহিত তালুকদার, সাধারন সম্পাদক আবু হাসান নির্বাচিত রোববারের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে ব্যবস্থা কুলাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার টেক্সাস স্কুল হামলা: দেরির জন্য ভুল স্বীকার পুলিশের ফুলবাড়ীতে সরকারি ভূমি দখলকারী আখ্যা দিয়ে প্রতিপক্ষের মানবন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন॥

কৃষি জমি সংরক্ষণে সংসদে নতুন আইন প্রস্তাব

  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০২২, ৮.৪৯ এএম
  • ৩১ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্কঃ  দেশে কৃষি জমির যথাযথ ব্যবহার এবং সংরক্ষণের জন্য নতুন একটি আইনের প্রস্তাব সংসদে উঠেছে। বৃহস্পতিবার এই বেসরকারি বিল সংসদে উত্থাপন করেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য রওশন আরা মান্নান।‘কৃষি জমি (যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ) বিল-২০২২’ নামের বিলটি সংসদে তোলা হলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সেটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠান।

কৃষি জমি (যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ) বিলে বলা হয়, আইন কার্যকর হওয়ার পর দেশের কোনো কৃষি জমি কৃষি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না বা অন্য কোনো কাজের জন্য ভাড়া বা ইজারা বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তর করা যাবে না।তবে ব্যক্তিগত বসবাসের জন্য ঘর নির্মাণ, কবরস্থান, শ্মশান, অন্যান্য ধর্মীয় সৎকারের স্থান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

প্রস্তাবিত আইনে কৃষি জমির যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণের জন্য তদারক কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এ কমিটির প্রধান হবেন সংশ্লিষ্ট এলাকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এছাড়া উপজেলার কৃষি, ভূমি, মৎস্য, শিক্ষা, পরিসংখ্যান, সমবায়, যুব উন্নয়ন, সমাজসেবা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এবং সকল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর সদস্য হবেন।বিলে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি এ আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে তিন বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কেউ কৃষি জমিতে শিল্প কারখানা, রাস্তা, আবাসন বা অন্য স্থাপনা নির্মাণ করলে তদারক কমিটি নোটিস দিয়ে স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেবে।অন্য আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, স্থাপনা ভেঙে ফেলার জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না বলেও প্রস্তাবিত আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।দেশে আবাদি জমির পরিমাণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, নগরায়ণসহ নানা কারণে কমছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮০ সালে দেশের মোট জমির ৬৫ শতাংশের বেশি ছিল কৃষি জমি। চার দশকের ব্যবধানে ২০১৯ সালে তা নেমে আসে ৫৯ শতাংশে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam