তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

ঢাকা-ওয়াশিংটন পার্টনারশিপ ডায়ালগ : মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে গুরুত্ব

  • প্রকাশ রবিবার, ২০ মার্চ, ২০২২, ৫.৪২ এএম
  • ৩৩ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্কঃ  বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে নতুন উচ্চতার সম্পর্কের আশা নিয়ে রবিবার (২০ মার্চ) দুদেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে রাজনৈতিক সংলাপ। ঢাকা-ওয়াশিংটন অষ্টম পার্টনারশিপ ডায়ালগে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের আন্ডার সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড। দেড় ঘণ্টার ওই বৈঠকে সম্পর্কের বিভিন্ন অগ্রাধিকার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

রোববার (১৯ মার্চ) দুপু‌রে ঢাকায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ রোহিঙ্গা ইস্যুতে জোর দিতে চায় ঢাকা। অন্যদিকে ওয়াশিংটন মানবাধিকার, শ্রম অধিকার, নিরাপত্তা সহযোগিতা ও ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে (আইপিএস) গুরত্ব দেবে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা, এই বৈঠক হচ্ছে দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তির বছরে। অন্যান্য যে সংলাপগুলো আছে সেগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করবে এই বৈঠক ।’

এদিকে গত সপ্তাহে মার্কিন দূতাবাস আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এক কর্মকর্তা বলেন, ’পার্টনারশিপ সংলাপের উদ্দেশ্য হচ্ছে দুদেশের মধ্যে যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে সেটির আরও বাড়ানো। এজন্য কোনও একটি বিশেষ বিষয়কে আমরা গুরুত্ব না দিয়ে সম্পর্ককে আমরা সামগ্রিকভাবে দেখছি। আমাদের মধ্যে ৫০ বছরের সম্পর্ক এবং আমরা এটির ওপর ভিত্তি করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’বাংলাদেশে পার্টনারশিপ ডায়ালগ হওয়ার কারণে এজেন্ডা নির্ধারণে ঢাকা নেতৃত্ব দিয়েছে। উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনার পরে চার থেকে পাঁচটি বড় বিষয়ের অধীনে অনেকগুলো সাব-ইস্যু আলোচনা হবে।

মোটা দাগে এজেন্ডাগুলো হচ্ছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, নিরাপত্তা সম্পর্ক, রোহিঙ্গা, আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ অন্যান্য বিষয়। র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এটি নিয়মিত বৈঠক। র‌্যাবের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নতুন, ডিসেম্বরে দেওয়া হয়েছে। এর আগে আমরা যতগুলো সংলাপ করেছি সেখানে এই বিষয়টি ছিল না। তবে এটি আমরা যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। এটি অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হবে।এছাড়া অর্থনৈতিক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সন্ত্রাসবাদ দমন, মানবপাচারসহ অন্যান্য বিষয়গুলো আলোচনা হবে।

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি সাম্প্রতিক। এটি আমাদের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু কখনই ছিল না এবং হতে পারে না।সর্বশেষ ২০১৯ সালে পার্টনারশিপ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের তৎকালীন আন্ডার সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) ডেভিড হ্যাল।

এবার বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী মাসুদ রোম এবং টোকিওতে রাষ্ট্রদূত হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পররাষ্ট্র সচিব হওয়ার আগে তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া দিল্লিতে তিনি মিশন উপ-প্রধান হিসাবেও কাজ করেছেন।অন্যদিকে নুল্যান্ড একজন ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাট। ২০০৫ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত তিনি ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ইউরোপে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত চুক্তি আলোচনায় প্রধান নেগোশিয়েটর হিসাবে ২০১০-১১তে দায়িত্ব পালন। এর আগে সাবেক মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডিক চেনির ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। হিলারি ক্লিনটন যখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, তখন তিনি স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ছিলেন।

সূত্র:এবিএন

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam