তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
muktinews24
সদ্য সংবাদ :
ফুলবাড়ীতে ৩৪৪ বোতল ফেনসিডিল সহ দুই মাদক চোরাকারবারি গ্রেফতার কুড়িগ্রামের উলিপুরে রাস্তা সংস্কার না করায়-প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা  ফুলবাড়ীতে বিদ্যুতস্পৃষ্টে কৃষক নিহত সৈয়দপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের  বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও   আলোচনা সভা  এক দরিদ্র পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিলেন খানসামা উপজেলা চেয়ারম্যান লায়ন চৌধুরী কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত আদমদীঘিতে শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন শ্রীমঙ্গলে মাটি চাপা পড়ে ৪ নারী চা শ্রমিকের মৃত্যু  আদমদীঘিতে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার  নেত্রকোণায় ট্রাক চাপায় পথচারি নারী নিহত,ট্রাক জব্দ

নন্দীগ্রামে ঝড়ে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন এখন মাটিতে নুয়ে পড়েছে

  • প্রকাশ বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০২২, ১.২৮ পিএম
  • ৭০ বার ভিউ হয়েছে

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দীগ্রামে আবহাওয়া নিয়ে কৃষকের দুশ্চিন্তা সত্যিতে পরিণত হয়েছে। কৃষকের সোনালী ফসলের স্বপ্ন অনেকটা দুঃস্বপ্ন করে দিয়েছে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টি। এ উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে অল্প পরিসরে পাকা ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হতে আরো ৮/১০ দিন সময় লাগবে। এদিকে বুধবার ভোর সাড়ে ৪ টারদিকে কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার কৃষকদের স্বপ্নের সোনালী ফসল ধান এখন মাটিতে নুয়ে পড়েছে। উপজেলার কৃষকরা বলছে, আমাদের কষ্টের সোনালী ফসল ধান এখন মাটিতে নুয়ে পড়ে আছে। এতে চলতি বোরো মৌসুমে ধানের ফলন কমে যেতে পারে। যে ধানগুলো কাঁচতি আছে সে ধানগুলোর আরো ফলন কম হতে পারে বলে ধারনা করছে তারা। এছাড়া অধিক মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া কঠিন হবে এমনটাই মনে করছে কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলার চলতি বোরো মৌসুমে ১৯ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় । এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৩২ মেট্রিক টন ধান। উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের দোহার গ্রামের কৃষক শ্রীকৃষ্ণ চন্দ্র জানান, ঝড় ও বৃষ্টির কারণে জমির ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে। নিচু জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে। অনেক জমির ধান মাটিতে শুয়ে পড়ে রয়েছে। এতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। নন্দীগ্রাম ইউনিয়নের দলগাছা গ্রামের কৃষক মুনিরুজ্জামান জানান, ঝড় ও বৃষ্টির কারণে আমাদের বোরো ধানের খুব ক্ষতি হয়েছে। যেভাবে ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে এতে আর ভালো ফলন আশা করা যায় না। ধান কাটা-মাড়াইয়ের শ্রমিক পাওয়া খুব কঠিন হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আদনান বাবু বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে এ উপজেলায় ১৩৬ হেক্টর জমির আংশিক ক্ষতি হয়েছে। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি জমিতে পানি থাকলে তা দ্রুত বের করে দিতে। যদি সম্ভব হয় তাহলে দুই-তিনটি ধানের গোছা এক জায়গায় করে বেঁধে রাখতে হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam