তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ১১:২২ অপরাহ্ন
সদ্য সংবাদ :

ভেঙে পড়েছে শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যসেবা

  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২, ৭.৪২ এএম
  • ৬৫ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্কঃ  জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামাদির তীব্র ঘাটতি দেখা দেওয়ায় শ্রীলঙ্কায় স্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির শীর্ষ মেডিক্যাল সংস্থা আজ মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) এ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলঙ্কা। অর্থনৈতিকভাবে ভুগতে থাকা দেশটিতে খাবার এবং জ্বালানির জন্য আন্দোলন শুরু করেছে সাধারণ নাগরিকরা। আন্দোলন এতটাই তীব্র আকার ধারণ করেছে যে তা সরকার বিরোধী বিক্ষোভে পরিণত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির সরকারের ২৬ মন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদত্যাগ করেছেন।  শ্রীলঙ্কার গভার্মেন্ট মেডিক্যাল অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন (জিএমওএ) জানিয়েছে, সোমবার তারা ওষুধ ও বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামাদির সঙ্কট দেখা দেওয়ার বিষয়ে বৈঠক করে। বৈঠকের পর দেশজুড়ে স্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ এখন থেকে জরুরি রোগীরা চিকিৎসা সেবা পাবেন।

এর আগে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দেশ জুড়ে থাকা তাদের সদস্যভুক্ত হাসপাতালগুলোতে ওষুধ ও মেডিক্যাল সরঞ্জামাদির ঘটতির কথা জানায়। এমনকি হাসপাতালগুলো জরুরী রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে বলেও জানায় তারা।জিএমওএ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় উভয়ই চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়া রোধ করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি সরকার জনগণের বেঁচে থাকার অধিকার ও স্বাস্থ্যসেবার অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। শ্রীলঙ্কার একটি সার্বজনীন জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা রয়েছে। এখানকার সরকারি হাসপাতালগুলো নাগরিকদের দেওয়া করের টাকায় পরিচালিত হয়। যার অর্থ নাগরিকরা যে কোনো সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

এদিকে মঙ্গলবারও শ্রীলঙ্কার প্রধান শহরগুলোতে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা আন্দোলনে বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছে।স্বাধীনতার পর স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। বিদেশি মুদ্রার অভাবে গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। দাম পরিশোধ করতে না পারায় জীবন রক্ষাকারী ওষুধ থেকে শুরু করে সিমেন্ট পর্যন্ত সব গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে। লোকজনকে জ্বালানির জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে হচ্ছে। কাগজের অভাবে স্কুলের পরীক্ষা ও দৈনিক পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ হয়ে গেছে।
খবর বিবিসি

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam