তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৬:১৬ অপরাহ্ন

মুমিনের প্রতিদিনের জীবন যেমন হবে

  • প্রকাশ শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২২, ৮.২৭ এএম
  • ১৭ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্কঃ মুমিনের প্রাত্যহিক জীবনেও ঈমানের প্রতিফলন স্পষ্ট প্রতিফলন থাকে। সে তার দৈনন্দিন জীবনের ঈমানের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে না। সে লিপ্ত হয় না স্বেচ্ছাচারিতায়। নিম্নে ইসলামে নিষিদ্ধ ব্যক্তিগত জীবনের এমন কিছু স্বেচ্ছাচারিতার বিবরণ দেওয়া হলো—

বৈরাগ্য : ঘর, সংসার, স্বাভাবিক ও সামাজিক জীবন পরিহার করে স্বেচ্ছাচারী জীবন যাপন করার নাম বৈরাগ্য।
ইসলামে বৈরাগ্য নিষিদ্ধ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর সন্ন্যাসবাদ—এটা তো তারা নিজেরাই আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য প্রবর্তন করেছিল। আমি তাদের এর বিধান দিইনি, অথচ এটাও তারা যথাযথভাবে পালন করেনি। তাদের মধ্যে যারা ঈমান আনিয়াছিল, তাদের আমি দিয়েছিলাম পুরস্কার এবং তাদের বেশির ভাগ সত্যত্যাগী। ’ (সুরা হাদিদ, আয়াত : ২৭)
বিপরীতে ইসলামের শিক্ষা হলো—‘নিশ্চয়ই দ্বিন সহজ। দ্বিন নিয়ে যে বাড়াবাড়ি করে দ্বিন তার ওপর জয়ী হয়। কাজেই তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন করো এবং (মধ্যপন্থার) নিকটে থাকো, আশান্বিত থাকো এবং সকাল-সন্ধ্যায় ও রাতের কিছু অংশে (‘ইবাদত সহযোগে) সাহায্য চাও। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৯)
লাগাতার রোজা : রাসুলুল্লাহ (সা.) শক্তি-সামর্থ্য থাকার পরও ইফতার ও সাহরি গ্রহণ করা ছাড়া রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন। যদিও রোজার মূল বিষয়টিই পানাহার ও স্ত্রী সহবাস পরিহার করা। তবু ইসলাম তার একটি সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমাদের ও আহলে কিতাবের রোজার মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সাহরি খাওয়া। ’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৪৩)

উৎসব ও আনন্দ : ইসলাম উৎসব ও আনন্দেও স্বেচ্ছাচারী হওয়া এবং আল্লাহর সীমা অনুমতি দেয়নি। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, বাজারে বিক্রি হচ্ছিল এমন একটি রেশমি জুব্বা নিয়ে ওমর (রা.) আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি এটি ক্রয় করে নিন। ঈদের সময় এবং প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এটি দিয়ে নিজেকে সজ্জিত করবেন। তখন আল্লাহর রাসুল (সা.) তাকে বললেন, এটি তো তার পোশাক, যার (আখিরাতে) কল্যাণের কোনো অংশ নেই। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৯৪৮)

পোশাক-পরিচ্ছদ : পোশাক মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় হলেও ইসলাম মুমিনদের শালীন ও মার্জিত পোশাক পরিধানের নির্দেষ দিয়েছে। বিশেষত ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সাদৃশ্য গ্রহণ করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি যে জাতির সাদৃশ্য গ্রহণ করবে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত। ’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪০৩১)

অর্থাৎ মুমিন তার জীবনের সর্বত্র ঈমানের দাবি মূল্যায়ন করবে এবং তা প্রত্যাখ্যান করবে না।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam