তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির উলিপুরে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে   র‌্যালিও  আলোচনা সভা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত শ্রীমঙ্গলে অনিবন্ধিত দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা সান্তাহারে রেলওয়ে পুলিশের অভিযানে সক্রিয় চোর দলের এক সদস্য গ্রেফতার সভাপতি আব্দুল মহিত তালুকদার, সাধারন সম্পাদক আবু হাসান নির্বাচিত রোববারের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে ব্যবস্থা কুলাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার টেক্সাস স্কুল হামলা: দেরির জন্য ভুল স্বীকার পুলিশের ফুলবাড়ীতে সরকারি ভূমি দখলকারী আখ্যা দিয়ে প্রতিপক্ষের মানবন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন॥

সংবাদ প্রকাশ হলে অবশেষে ভাতাভূক্ত হলেন সেই প্রতিবন্ধী  

  • প্রকাশ শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২, ৫.৩৭ এএম
  • ২৫ বার ভিউ হয়েছে
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃশিকলে বাঁধা সুমনের কপালে জোটেনি ভাতা কার্ড শিরোনামে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল  এ সংবাদ প্রকাশ হয়। এ সংবাদটি ডিসি-ইউএনও এবং সমাজসেবা কর্মকর্তার নজরে পড়ে। সেটি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিবন্ধী সুমনকে ভাতাভূক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ওই সংবাদটি প্রকাশের পর বিষয়টি অবগত হই। এরপর প্রতিবন্ধী সুমনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয় এবং তাকে ভাতাভূক্ত করা হয়েছে। যার পরিচিতি নং ০৩৩২০০৫০৮৭৩।
এদিকে, সাদুল্লাপুর উপজেলাবাসী জানিয়েছেন, এই উপজেলায় সমাজসেবা কর্মকর্তা মনিক চন্দ্র রায় যোগদানের পর থেকে প্রাতিষ্ঠানিক সকল সেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছাতে চেষ্টা করছেন। তিনি মাঠপর্যায়ে সঠিক উপকারভোগি নির্বাচন করে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।উল্লেখ্য, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চিকনী গ্রামে দিনমজুর আবু বক্কর সিদ্দিক ও ফাতেমা বেগমের ছেলে সুমন আকন্দ। এর বয়স যখন ৮, তখন থেকে হারিয়ে ফেলে মানসিক ভারসাম্য। এই সুমনের বয়স এখন ১৭ বছর। এ ছেলেকে সুস্থ করতে বিভিন্ন চিকিৎসকের চিকিৎসা নেওয়া হয়। কিন্তু কিছুতেই আরোগ্য হয়নি। এভাবেই দীর্ঘ ৯ বছর চিকিৎসা করানো হয় সুমনকে। এর ব্যয় বহন করতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। এর ফলে সর্বস্বান্ত হয়েছে পরিবারটি। সুমনের মানসিক সমস্যা বেড়ে গেলে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করাসহ পরিবারের লোকজনকে মারধর করে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে কখনও ঘরে তালাবন্দি আবার কখনও পায়ে শিকল বেঁধে রাখতে হচ্ছে সুমনকে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam