তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

দিনাজপুর কলেজ ক্যাম্পাসেই ঢোকাতে হবে আইটি সেন্টার?

  • প্রকাশ শুক্রবার, ২৭ মে, ২০২২, ৮.৩০ এএম
  • ৪৪ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: তেভাগার দেশ দিনাজপুর এখন শিক্ষানগরীও। এখানে ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ নির্মাণের সংবাদ উত্তরবঙ্গের জন্য একটি সুসংবাদ।
সম্প্রতি দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকী স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ হাই–টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অনুকূলে ভূমি হস্তান্তরের একটি চিঠির অনুলিপি দেখা গেছে। সেখানে ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ দিনাজপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে উত্তর গেটের পশ্চিম পাশে স্থাপনের জন্য সুইহারী মৌজার আরএস ১১০৯ ও ২৮০১ দাগে ২ একর জমি বিনা মূল্যে হস্তান্তরের জন্য জমিবিষয়ক তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। সেখানে এভাবে বলা হচ্ছে, প্রস্তাবিত জমি সিএস/এসএ দাগে সম্পৃক্ত ৫৪ /চার/ ১৯৬০-৬১ নং এলএ কেসে চূড়ান্তভাবে অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তি, যা নাকি সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে ফাঁকা রয়েছে। ইতিমধ্যে মাটি পরীক্ষার কাজটিও করা হয়েছে।

এটি একটি খুশির খবর। কারণ, দারিদ্র্যের অন্যতম শীর্ষ জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলের পশ্চাৎপদ অবস্থান থেকে উত্তরণ ঘটাবে। দিনের পর দিন শরীর বাড়বে। ২ একরের জায়গায় ১০ একর জায়গারও প্রয়োজন হবে। কারণ, আগামীর বাংলাদেশ কর্মমুখী শিক্ষার বাংলাদেশ। কিন্তু যখন দিনাজপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের তিনটি ছাত্রী হোস্টেলের পাশের খেলার জায়গাটিতে আইটি সেন্টার করা হবে, তখন দূরদৃষ্টি সম্পর্কেই প্রশ্ন তৈরি হয়।। কারণ, তিনটি ছাত্রী হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাকে বিবেচনাতেই নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, এতে ছাত্রী হোস্টেল তিনটি মূল ক্যাম্পাস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এতে শিক্ষার পরিবেশ, ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও কলেজের নিজস্ব কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে না।

সামনের দিন এই আইটি সেন্টারগুলো নিজস্ব শক্তিতে দাঁড়িয়ে যাবে। সেগুলোরও সেদিন বড় ক্যাম্পাস লাগবে। কর্তৃপক্ষ কি সেই ভবিষ্যৎ দেখতে পায়? আর দিনাজপুরে দুই একর খাসজমি শহরে পাওয়া যাবে না, এ অবিশ্বাস্য! আর জনমতকে উপেক্ষা করার হুজ্জতিইবা কেন দরকার? নাকি সেদিন এই বিল্ডিং পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন বাজেট আসবে!

দিনাজপুরবাসীর মধ্যে উদ্বেগও দেখা গেছে। কেউ বলছেন, এই আইটি সেন্টারকে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া অবিবেচনাপ্রসূত এবং একটি শুভ উদ্যোগকে শুরুতেই প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্র। কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষ বরাবর গণস্বাক্ষরপত্রসহ দরখাস্ত দিয়েছেন। তাঁরা লিখেছেন, দিনাজপুর সরকারি কলেজের অভ্যন্তরে প্রস্তাবিত এ কেন্দ্র স্থাপন করা হলে ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ ভবিষ্যতে সম্প্রসারণ ও বর্ধিতকরণে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। দিনাজপুর শহরের আশপাশে বৃহৎ পরিসরে সেন্টারটি স্থাপনের জন্য জমির অভাব নেই। যেহেতু দিনাজপুরে প্রস্তাবিত প্রকল্পটির জন্য উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত জমি পাওয়া সম্ভব, তাই দিনাজপুর সরকারি কলেজের অভ্যন্তরে না প্রতিষ্ঠা করে নতুন স্থান নির্বাচন করা হোক। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে বিকল্প স্থান নির্বাচনে আমরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সূত্র- প্রথম আলো

কিন্তু ২৮ মে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ উদ্বোধন করতে আসছেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam