তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
সদ্য সংবাদ :

বোচাগঞ্জে সমতল ভূমিতে চা বাগান করে সফলতা পাচ্ছেন ফজলে রাব্বি

  • প্রকাশ বুধবার, ১১ মে, ২০২২, ৬.০২ এএম
  • ৪০ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্কঃ চা চাষের জন্য পাহাড়ি ঢালু জমির প্রয়োজন। এমন কথাকে বদলে দিয়ে সমতল ভূমিতে চা-চাষ শুরু করেছেন। তিনি হলেন দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার খনগাঁও গ্রামের প্রথম চা চাষী ফজলে রাব্বি। সাড়ে তিন বছর আগে এই উপজেলার মধ্যে প্রথম চা চাষ শুরু করেন তিনি। বর্তমানে চা চাষ করে সফলতা পাচ্ছেন। তার নিজেস্ব জমিতে পুরো এলাকাজুড়ে সবুজ চা পাতায় ভরে গেছে। এই চা বাগান দেখে উপজেলার কিছু মানুষ চা বাগান করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন এবং ইতি মধ্যে শুরুও করেছেন। বোচাগঞ্জ উপজেলায় যে চা চাষ হয় তা দেখতে প্রতিদিনই অনেক মানুষ চা বাগানে আসছেন। চা বাগানের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ছবি তুলছেন কেউ বা তুলছেন সেলফি। এমনি চা বাগানের সফলতা নিয়ে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি বোচাগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর রনগাঁও ইউনিয়নের খনগাঁও গ্রামের চা চাষী ফজলে রাব্বি। চা চাষের মূল উদ্যোক্তা ফজলে রাব্বির বড় ভাই প্রভাষক মো. ফজলে মুকিমের কথা। জানা যায়, সাড়ে তিন বছর আগে পঞ্চগড় থেকে চা গাছের চারা এনে ফজলে রাব্বি তার নিজস্ব জমিতে পরীক্ষামুলক বপন করে। তার ৩ একর ( ৯ বিঘা) জমিতে প্রায় ১৮ হাজার চায়ের গাছ আছে। এর খরচ প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা হয়েছে। বর্তমান তিনি ৪৫-৫০ দিন পর চা পাতা বিক্রয় করছেন। প্রায় দেড় বছর আগে এই বাগানের চা পাতা বিক্রয় শুরু করেছেন। একটি চা কোম্পানি বাগানে এসে থেকে চা পাতা নিয়ে যায়। বাগান থেকে  প্রতি কেজি চা পাতা ১৬-২৭ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হয়। চা বাগান করার ফলে এলাকার কিছু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বছরের ২৮ মার্চ সোমবার তিনি এক হাজার ৭শ কেজি চা পাতা বিক্রয় করেন। সামনে দিনে এটা তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার কেজি চা পাতা হবে বলে ধারণা করছেন। চা পাতা দিন দিন বাড়তে থাকে। চা বাগানের ভিতরে আমলকী গাছ গড়ে উঠেছে। এবার আমলকীর গাছে এসেছে মুকুল।

চা চাষী ফজলে রাব্বি বলেন, আমরা সাড়ে তিন বছর আগে চা বাগান শুরু করেছি। আমাদের  এলাকায় আমরা প্রথম পরীক্ষামূলক চা বাগান লাগাই। আমরা মোটামুটি সফল। আমাদের এদিকে যে চা গাছ ভালই হয় সেটা আমরাই প্রমাণ করলাম। অনেক জনে বলেছিল এদিকে চা বাগান হবেনা। কিন্তু চেষ্টা এবং পরিশ্রম করেছি। আল্লাহর রহমতে চা বাগান ভালই হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এটার উদ্যোক্তা মূলত আমার বড় ভাই প্রভাষক ফজলে মুকিম। ভাইয়ের উদ্যোগেই চা বাগান হয়েছে। এ বিষয় বোচাগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আরিফ আফজাল জানায়, আমাদের উপজেলার কৃষক ফজলে রাব্বি। তার বড় ভাইয়ের পরামর্শে সর্বপ্রথম বোচাগঞ্জ উপজেলায় চা বাগান করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমান তিনি চা বাগানী হিসেবে একজন সফল কৃষক। তাকে দেখে পার্শ্ববর্তী কৃষকগণ চা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। ইতিমধ্যে অন্য একজন কৃষক এক একর জমিতে চা আবাদ শুরু করেছেন। আমাদের উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সার্বক্ষণিক পরার্পশ প্রদান করছি। আমাদের কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ে পরির্দশন করে পরামর্শ প্রদান করছেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam